1. jhramjan88385@gmail.com : bbarta :
  2. muhammadalomgir350@gmail.com : Muhammad Aaomgir : Muhammad Aaomgir
  3. abrahim111099@gmail.com : Bikal Barta :
সংস্কারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে ২০০ বছরের মসজিদ - Bikal barta
৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ| ২৪শে মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| শীতকাল| শুক্রবার| রাত ২:৪৯|
সংবাদ শিরোনামঃ
স্যার’ না বলায় ক্ষেপে গেলেন সুনামগঞ্জের এসপি সারীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন  পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে আপন ছোট ভাইদের সাথে মিথ্যা পাঁইতারা করছে আপন বড় ভাইয়েরা ভাঙ্গায় এক শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু  খুলনা জেলা যুবদলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় কয়রায় আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা।  শেরপুরে ১২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ১ নেত্রকোণায় ৯ জুয়ারিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ নেত্রকোণা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ সভা ও মাসিক অপরাধ পর্যলোচনা সভা। রামপালে আওয়ামীলীগ- বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ছাত্র জনতা।। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে সাড়ে ১৭ কেজির স্বর্ণের চালানসহ আটক ২

সংস্কারের অভাবে নষ্ট হচ্ছে ২০০ বছরের মসজিদ

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, জুলাই ১০, ২০২৪,
  • 97 জন দেখেছেন

জেলা প্রতিনিধি: (দ্বীপক চন্দ্র সরকার) নেত্রকোণা: এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটি ২০০ বছরের পুরোনো। এখনো জরাজীর্ণ অবস্থায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদটি। সংস্কার না করায় ফাটল দেখা দিয়েছে বিভিন্ন স্থানে। ধুলোবালি আর দেয়ালের শ্যাওলাতে বদলে গেছে মসজিদের রঙ। এ অবস্থায় দূর থেকে বোঝার উপায় নেই এটি একটি মসজিদ। দূর থেকে সুন্দর না দেখা গেলেও কাছে গেলে দেখা মিলবে অপরূপ সৌন্দরে‌্যর কারুকার্য। মসজিদের ভেতরের অংশে মিনারে রয়েছে খোদাই করা পাথরের নকশা। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পুরোনো এ মসজিদটির সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, শত বছরের এ মসজিদটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত। সংস্কার করা হলে টিকে থাকবে আরও দীর্ঘদিন। মসজিদটি নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের বড়খাপন গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটি বড়বাড়ি জামে মসজিদ নামে পরিচিত। স্থানীয়রা বলছেন, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দের কোনো এক সময় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এ মসজিদে একসঙ্গে ২৫ জনের মতো মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে মসজিদটি বর্তমান সময়ে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। সে কারণে মসজিদের সামনে আয়তন বাড়িয়ে সেখানে নামাজ আদায় করছেন স্থানীয় মুসল্লিরা। মসজিদে গিয়ে দেখা গেছে, ভেতরে প্রবেশের জন্য রয়েছে তিনটি দরজা। গম্বুজের ভেতরের চারপাশে রয়েছে কারুকার্য। মসজিদের নামে ৪০ শতক ভূমির ওপর এ ছোট মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদের চারকোণায় রয়েছে চারটি পিলার। যার ওপরে কলসির আকৃতিতে গম্বুজের কারুকার্য করা। এটি এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ। জানা গেছে, মসজিদটি পোড়ামাটি, চুন ও একধরনের রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। একসময় দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা এ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে আসতেন। স্থানীয় নাজমুল হাসান নামে স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মসজিদটি অনেকটাই পুরোনো। আমরা ধারণা করছি প্রায় ২০০ বছর হবে। সংস্কারের অভাবে এটি ধ্বংসের পথে রয়েছে। সংস্কার কাজ করা হলে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি ধ্বংস হবে না। মসজিদ কমিটির সভাপতি ও বড়খাপন ও পোগলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান সেলিম বলেন, বাপ-দাদার মুখে শুনছি, মসজিদটি আমার বংশের লোকেরা নির্মাণ করে গেছেন। আজ পর্যন্ত প্রায় ২০০ বছর পুরোনো হবে এই মসজিদটি। আমাদের বাড়ির পাশেই মসজিদটি অবস্থিত। পুরোনো এ মসজিদটি সংস্কার করে সংরক্ষণের প্রয়োজন। বড়খাপন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম হাদিছুজ্জামান হাদিস বলেন, মসজিদটি ছোট হওয়ায় বেশি মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারত না। পরে সরকারি টাকায় মসজিদের সামনে আয়তন বাড়িয়ে সেখানে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। পুরোনো এ মসজিদের সংস্কার করে রঙ করা প্রয়োজন। এতে পুরোনো এই মসজিদের কারুকার্য ফুটে ওঠবে। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ বাবুল বলেন, এ পর্যন্ত মসজিদটি সংস্কারের দাবি নিয়ে কেউ আসেনি। কমিটির লোকজন আবেদন করলে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবগত করব। আর আমরা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2024 bikal barta
error: Content is protected !!