বাংলাদেশ ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থ সচিবের প্রভাব দেখিয়ে সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে ফ্ল্যাট দখল? প্রশ্নের মুখে এস্টেট বিভাগ।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৬৯ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার যেন এখন প্রভাবশালীদের দখলদারিত্বের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং সচিবের নাম ব্যবহার করে বছরের পর বছর সরকারি ফ্ল্যাট দখল করে বসে আছেন কয়েকজন ব্যক্তি। অথচ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নোটিশের পর নোটিশ দিয়েও তাদের উচ্ছেদ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

সূত্র মতে, আলামিন নামে এক ব্যক্তি তথ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং সচিবের ড্রাইভার পরিচয়ে এবং সোহেল নামে আরেক ব্যক্তি অর্থ মন্ত্রণালয় সচিবের প্রভাব ব্যবহার করে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। একইভাবে হেড অফিস সংশ্লিষ্ট ফারুক, রায়হান, ফজলু ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও সরকারি ফ্ল্যাট দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে একাধিকবার লিখিত নোটিশ জারি করা হলেও তারা প্রকাশ্যেই তা উপেক্ষা করছেন। এতে প্রশ্ন উঠেছে তাদের পেছনে কার আশীর্বাদ বা দোয়া কাজ করছে? সরকারি ফ্লাট তালা ভেঙ্গে দখল করে রাখার সাহস তারা কোথা থেকে পাচ্ছেন?

 

এদিকে, এস্টেট ডিভিশনের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতার কারণে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে কোটি কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব কার্যত প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

আইন সবার জন্য সমান, কোন দৈনিক মজুরী ভিত্তিক কর্মচারীরা সরকারের কর্মচারী নয় সাধারণ ব্যক্তি, দৈনিক ভিত্তিক তাদেরকে যদি থাকতে দেওয়া হয় তাহলে সাধারণ ভাড়াটিয়া বা সাধারণ জনগণ তারাও কোয়াটারে থাকতে পারবে কিন্তু অবৈধ বলে গণ্য হইবে, এদিকে কিছু দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী কোয়াটার ছেড়ে দিয়েছেন,আর কিছু দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী থাকার জন্য চেষ্টা করেছেন, এদের পিছনে কে ইন্দোন দিচ্ছে এ বিষয়ে জানেন কি?

 

স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দারা বলছেন, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের সরকারি ফ্ল্যাটে থাকার কোনো বৈধ বা আইনগত ভাবে সুযোগ নেই। তারপরও বছরের পর বছর তারা ফ্ল্যাট দখল করে আছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।

বাসিন্দাদের প্রশ্ন এটি কি শুধুই ক্ষমতার অপব্যবহার, নাকি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় সরকারি রাজস্ব লুটের আরেকটি উদাহরণ?

তবে এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

অর্থ সচিবের প্রভাব দেখিয়ে সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে ফ্ল্যাট দখল? প্রশ্নের মুখে এস্টেট বিভাগ।

Update Time : ০৭:৩২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার যেন এখন প্রভাবশালীদের দখলদারিত্বের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং সচিবের নাম ব্যবহার করে বছরের পর বছর সরকারি ফ্ল্যাট দখল করে বসে আছেন কয়েকজন ব্যক্তি। অথচ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নোটিশের পর নোটিশ দিয়েও তাদের উচ্ছেদ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

সূত্র মতে, আলামিন নামে এক ব্যক্তি তথ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং সচিবের ড্রাইভার পরিচয়ে এবং সোহেল নামে আরেক ব্যক্তি অর্থ মন্ত্রণালয় সচিবের প্রভাব ব্যবহার করে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। একইভাবে হেড অফিস সংশ্লিষ্ট ফারুক, রায়হান, ফজলু ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও সরকারি ফ্ল্যাট দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে একাধিকবার লিখিত নোটিশ জারি করা হলেও তারা প্রকাশ্যেই তা উপেক্ষা করছেন। এতে প্রশ্ন উঠেছে তাদের পেছনে কার আশীর্বাদ বা দোয়া কাজ করছে? সরকারি ফ্লাট তালা ভেঙ্গে দখল করে রাখার সাহস তারা কোথা থেকে পাচ্ছেন?

 

এদিকে, এস্টেট ডিভিশনের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতার কারণে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে কোটি কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব কার্যত প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

আইন সবার জন্য সমান, কোন দৈনিক মজুরী ভিত্তিক কর্মচারীরা সরকারের কর্মচারী নয় সাধারণ ব্যক্তি, দৈনিক ভিত্তিক তাদেরকে যদি থাকতে দেওয়া হয় তাহলে সাধারণ ভাড়াটিয়া বা সাধারণ জনগণ তারাও কোয়াটারে থাকতে পারবে কিন্তু অবৈধ বলে গণ্য হইবে, এদিকে কিছু দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী কোয়াটার ছেড়ে দিয়েছেন,আর কিছু দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী থাকার জন্য চেষ্টা করেছেন, এদের পিছনে কে ইন্দোন দিচ্ছে এ বিষয়ে জানেন কি?

 

স্টাফ কোয়ার্টারের বাসিন্দারা বলছেন, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের সরকারি ফ্ল্যাটে থাকার কোনো বৈধ বা আইনগত ভাবে সুযোগ নেই। তারপরও বছরের পর বছর তারা ফ্ল্যাট দখল করে আছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে।

বাসিন্দাদের প্রশ্ন এটি কি শুধুই ক্ষমতার অপব্যবহার, নাকি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় সরকারি রাজস্ব লুটের আরেকটি উদাহরণ?

তবে এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।