রায়হানজীয়ন
“বাবা” শ্রদ্ধায় অধিষ্ঠিত বিশালাক্ষ সম্পর্ক নয় মাত্র,
প্রকাণ্ড পর্বত তুল্যহীন আসক্তি সমৃদ্ধ অদ্বিতীয় পাত্র।
ধরণীতে আর্বিভাবই আপনিবোধ,স্নেহ,মমতায় ঘেরা,
বারীন্দ্র সাদৃশ্য নিশ্চল রক্ষিত চরমতম সম্পর্কের বেড়া।
শৈশব-কৈশোরে পুলকিত প্রানবন্ত আহ্লাদী যত বেলা,
বাবার সাথে মুহুর্তে মুহূর্তে বিবিধ রঙ্গ-তামাশার খেলা।
ধরায় খরায় চৌকি বেশে অধিকৃত বক্ষস্থলে চিরদিন,
রক্ত,মাংস, প্রাণদানে শোধ হবে নাকো সমুদয় ঋণ?
বাবা হলেন সর্বভ্রমের স্ফীতমার্জনারই অশাস্ত্রীয় বিধান,
যন্ত্রণার তুষারপাতে সায়াহ্নে বাবা ছিল ক্লেশহীন অবসান।
বাবার কাছে স্বর্গলাভ অনভিপ্রেত বাসনা, সন্তান বড় ধন,
অটিজমে মুগ্ধ বাবা, মানসিক বিকারগ্রস্ত মানিক রতন।
সুখের বেলাভূমি অর্পণে দারস্থ, পিতা জগদীশে,
অপত্য নিমিত্ত পায়নি খুজে সুখ আছে কিসে?
ব্রহ্মান্ডের যত আকাশ কুসুম অভিলাষী শূন্যতা,
বাবার হৃদ্য পরশে উদ্রিক্ত কাংখিত সকল পূর্নতা।
কোনো বেলায় বাবা আমার হয়তো অভিমানী,
চোখে চোখ পড়লে বাবার সব অভিমান পানি।
“বাবা সে-তো বাবা”, ধরায় তার নেইকো তুলনা
অর্থ দিয়ে তারে, নিখিল বিশ্বে যায়না কভু কেনা।