বাংলাদেশ ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদী ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ৩৪৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: নরসিংদী সদর উত্তর বাগহাটা ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। সূত্রে জানা যায় গত ১৭ জুন রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় অত্র বিত্রালয়ের একটি পুরাতন টিনসেট ভবন ভেঙ্গে তার দরজা জানালা, চালের টিন, টুয়া, কাঠের খাপরুয়া বাঙারী ব্যবসায়ী নরসিংদী বেপারী পাড়ার গনি মিয়ার নিকট এক লক্ষ টাকা বিক্রি করে ফেলে এই সংবাদ এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও সংবাদ কর্মীদের জানালে অত্র বিদ্যালয়ে এসে মালামালের সরকারি নিয়ম মেনে বিক্রি হইছে কিনা জানতে চাইলে বাঙারী ব্যবসায়ী গনি মিয়া তা দেখাতে পারেনি তিনি বলেন স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহা তার কাছে বিক্রি করেছে আপনি ম্যাডামের কাছে অফিসে যান তাহলে উনি আপনাকে বলবে।এই বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের বজলু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমাদের কাছ থেকে কোন অনুমোদন নেয়নি,আমরা ওনাকে নিষেধ করেছি উনি অমান্য করে বিক্রির করছে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এটিও কবির হোসেনকে ফোন দিলেও তিনি বলেন আমরা এই পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির কোন অনুমতি দেইনি। তারপর এই বিষয়টি উপস্থিত এলাকাবাসী বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ এর সদস্য,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বিক্রিত মালামাল নিতে পারেনি অত্র বিদ্যালয়ে আটকে রাখা হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় তিনি মা, সমাবেশ ডেকে অভিভাবকের কাছ থেকে স্কুলের উন্নয়নের নামে একাধিক ব্যক্তির কাজ হতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। স্কুলের পাশে একজন হিন্দু অবিভাবক ব্যবসায়ী শিমুল নামে এক ব্যক্তি তিনি স্কুলের দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ১৫ হাজার টাকা অনুদান দেন ব্যক্তিগত ভাবে ১০০ খাতা তৈরি করে যেন গরিব বাচ্চাদেরকে ফ্রিতে দেওয়া হয় আর এই খাতা তৈরি করে প্রধান শিক্ষিকা প্রতি ছাত্রের কাছ থেকে খাতা একশত টাকা করে গ্রহণ করে এই রাগে তিনি তার বাচ্চাকে অত্র বিদ্যালয় থেকে নিয়ে যায় অন্যথায় । স্কুলের উন্নয়নের নামে অবিভাবক আমিনুলের স্ত্রীর কাজ হতে ৩০০০ টাকা গ্রহণ করে, ইতি পুর্বে স্কুলের পুরাতন টিনসেট আরো ২টি ভবন,সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি , স্কুল প্রতিষ্ঠা কালীন সময়ে লোহার ফ্রেমের বেঞ্চ ৫০ হাজার টাকা ও স্কুলের একটি বড় কড়ইগাছ,১ টি তালগাছ ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করে প্রধান শিক্ষিকা গোপনে আত্মসাৎ করে। বিদ্যালয়ের মাঠে রশিদ মিয়া নামে একজন ঝাল মুড়ি বিক্রেতাকে দপ্তরী সাজিয়ে স্কুল ফাউন্ডার চেয়ারম্যান বাড়ি হতে গত ৬ মাস ৩০০০ হাজার (তিন হাজার টাকা) ধরে বেতন এনে ঝাল মুড়ি বিক্রেতাকে ৫০০/ ২০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দেয় বাকি টাকা প্রধান শিক্ষকা হাতিয়ে নেয বলে ঝাল মুড়ি বিক্রেতা

অভিযোগ করেন । এছাড়াও গত:বছর একটি অনুষ্ঠানে ডেকোরেটর মালিক ১টি অনুষ্ঠানে একটি বিল ভাউচার দিলে তাকে তিনটি খালি বিল ভাউচার দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে মাছিমপুর প্লটের ডেকোরেটর মালিক তা জানান। অত্র বিদ্যালয়ে খন্ডকালীন দুইজন শিক্ষিকা রয়েছে একজন পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া,অন্যজন এসএসসি পাস, এসব খন্ডকালীন শিক্ষক গাইড বই দেখে অংক শিখান তাতেও অনেক ভুল হয় বলে ছাত্র-ছাত্রীরা অভিভাবকদের জানান,তারা স্কুলের বাচ্চাদেরকে বাড়িতে এনে প্রাইভেট পড়াইয়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী সাজেশন দেয় বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে। আর অন্য ছাত্ররা সারা বছর পুরো পাঠ্য বই পড়ে পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে আর তাদের কাছে প্রাইভেট পড়া ছাত্র-ছাত্রীরা প্রশ্নপত্রে অনুসারে পড়াশোনা করে বৈষম্যের শিকার হয় বলে একাধীক অভিবাবকরা জানান।এসব কিছুর প্রতিবাদ করলে অভিভাবকদের সাথে প্রায়ই প্রধান শিক্ষিকা দুর্ব্যবহার করে। প্রধান শিক্ষিকা তিনি সময় মতো স্কুলে আসেন না বাচ্চাদের ক্লাস নেন না এবং সহকারী শিক্ষিকারদের উপরে সবসময়ই চাপ প্রয়োগ করে বলে জানা যায়। ২০২৬-এ বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য বিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান বাড়ি হতে ২০ হাজার টাকা (বিশ হাজার) অনুদান এনে বিদ্যালয়ে কোন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান না করে টাকা আত্মসাৎ করে প্রধান শিক্ষিকা। সূত্রে আরও জানা যায় বিদ্যালয়ের ৪০০ছাত্র ছাত্রী ও আটজন সহকারী শিক্ষকের জন্য একটি বাথরুম রয়েছে আর প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহা জন্য একাই একটি আধুনিক বাথরুম রয়েছে, এই বাথরুম অন্য শিক্ষক ছাত্রদের প্রবেশ নিষেধ। গত চার দিন আগে ১ম শ্রেণীর একজন ছাত্র স্কুলের ভিতরেই মলত্যাগ করে এতে প্রধান শিক্ষিকা সকাল ১১ টা বাজে স্কুল ছুটি দিয়ে বাচ্চার অভিভাবক ডেকে নিয়ে ছাত্রের মল পরিষ্কার করে বলে একাধিক অভিভাবক জানায়।পর্যাপ্ত বাথরুম না থাকায় স্কুলের পাশে মাদ্রাসা মসজিদ ও বিভিন্ন বাড়িতে বাচ্চারা বাথরুম করতে যায় এতে করে ছাত্র-ছাত্রীদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। দুর্নীতিগ্রস্ত এই প্রধান শিক্ষিকার সাথে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যে বেতন পাই বিদ্যালয় হতে আমার গাড়ির ড্রাইভার এর বেতন আর গাড়ি তেলের পয়সাই হয় না আমি শখে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি আমার স্বামী অস্ট্রেলিয়া থাকে আমি ধনী লোক আমি কেন এসব টাকা খাব। মালামাল আটকের পরের দিন বৃহস্পতিবার ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহাকে এলাকাবাসী এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উনার কাছে জানতে চাইলে পুরাতন টিনসেট বিল্ডিং বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন এ বিল্ডিং বিক্রি করে আমি মাঠে উপর একটি রাস্তা নির্মাণ করব, বিল্ডিংটি পরিত্যক্ত নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি অনুমতি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে মৌখিকভাবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস অনুমতি দিয়েছে বিক্রির জন্য বলে মিথ্যার আশ্রয় নেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এলাকার বাসির সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং ওনার ভাই সঞ্জিত সাহা কে ফোন দিলে সে চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী লোক নিয়ে আসে এবং সবাইকে তার বোনের ব্যাপারে বলে আমার বোন ধনী লোক বছরে দুই আড়াই লক্ষ টাকা দান করে এসব টাকা আমার বোন খাবে না। আর আপনারা সাবধান হয়ে যান আমার বোনের ব্যাপারে আপনারা যদি কোথায় কোন অভিযোগ করেন তাহলে আপনাদেরকে দেখে নিব বলে হুমকি দিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করে তারপর এলাকাবাসীর চাপের মুখে সঞ্জিত সাহা তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ে হতে পালিয়ে যায় বলে জানান এলাকাবাসী।উক্ত ঘটনা কে উল্লেখ করে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ অভিভাবক ও এলাকাবাসী ৩০৬ জন ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গত: ২১/৬/২৬ইং তারিখ প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন এবং অনুলিপি:১। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ২। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ৩। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৪। নরসিংদী মডেল থানা ৫। নরসিংদী প্রেস ক্লাব ও ৬।শিলমান্দি ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর দাখিল করেন।অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে বলে জানা যায়। উক্ত ঘটনার পর প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহাকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকোচ করে। এছাড়াও বিগত ১৩ /৮ /২০২৫ইং তারিখে করোনা কালীন সময়ে অত্র বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী কাছ হতে সরকারের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে পরীক্ষার ফি গ্রহণ করে প্রধান শিক্ষিকা এতে করে অভিভাবকরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল এ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগটি রহস্যজনক কারনে তদন্ত আটকে রয়েছে।আরো জানা যায় যশোরের এক ধনিব্যক্তি তার বাচ্চা অত্র বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এই অভিভাবক প্রধান শিক্ষিকা কে স্কুলের উন্নয়নের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দেন। ইতিপূর্বে অত্র বিদ্যালয়ের দুজন খন্ডকালীন শিক্ষকের একজনের ১৯ মাসের আরেকজনের পাঁচ মাসের বেতন আটকে আত্মসাৎ করে প্রধান শিক্ষিকা।আনুমানিক গত তিন মাস আগে বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের জন্য শীলমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের এক লক্ষ টাকা অনুদান আসে এর নামমাত্র মাটি ভরাট করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করে। প্রধান শিক্ষিকা গত ২০১৮ সাল হতে অত্র বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এর মধ্যে তিনি এ ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম করে যাচ্ছে এলাকার কেউ তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। অত্র বিদ্যালয়ের অভিভাবক বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদ ও এলাকাবাসী শীঘ্রই এই আওয়ামী ধুসর প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার অপসারণ চান অত্র বিদ্যালয়ে হতে এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তার বিচার দাবি করছেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post

জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কি গভীর সংকটে? : মোঃ সাইফুল ইসলাম

error: Content is protected !!

নরসিংদী ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় 

Update Time : ০৮:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: নরসিংদী সদর উত্তর বাগহাটা ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। সূত্রে জানা যায় গত ১৭ জুন রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় অত্র বিত্রালয়ের একটি পুরাতন টিনসেট ভবন ভেঙ্গে তার দরজা জানালা, চালের টিন, টুয়া, কাঠের খাপরুয়া বাঙারী ব্যবসায়ী নরসিংদী বেপারী পাড়ার গনি মিয়ার নিকট এক লক্ষ টাকা বিক্রি করে ফেলে এই সংবাদ এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও সংবাদ কর্মীদের জানালে অত্র বিদ্যালয়ে এসে মালামালের সরকারি নিয়ম মেনে বিক্রি হইছে কিনা জানতে চাইলে বাঙারী ব্যবসায়ী গনি মিয়া তা দেখাতে পারেনি তিনি বলেন স্কুলে প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহা তার কাছে বিক্রি করেছে আপনি ম্যাডামের কাছে অফিসে যান তাহলে উনি আপনাকে বলবে।এই বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের বজলু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমাদের কাছ থেকে কোন অনুমোদন নেয়নি,আমরা ওনাকে নিষেধ করেছি উনি অমান্য করে বিক্রির করছে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের এটিও কবির হোসেনকে ফোন দিলেও তিনি বলেন আমরা এই পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির কোন অনুমতি দেইনি। তারপর এই বিষয়টি উপস্থিত এলাকাবাসী বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ এর সদস্য,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বিক্রিত মালামাল নিতে পারেনি অত্র বিদ্যালয়ে আটকে রাখা হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় তিনি মা, সমাবেশ ডেকে অভিভাবকের কাছ থেকে স্কুলের উন্নয়নের নামে একাধিক ব্যক্তির কাজ হতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। স্কুলের পাশে একজন হিন্দু অবিভাবক ব্যবসায়ী শিমুল নামে এক ব্যক্তি তিনি স্কুলের দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ১৫ হাজার টাকা অনুদান দেন ব্যক্তিগত ভাবে ১০০ খাতা তৈরি করে যেন গরিব বাচ্চাদেরকে ফ্রিতে দেওয়া হয় আর এই খাতা তৈরি করে প্রধান শিক্ষিকা প্রতি ছাত্রের কাছ থেকে খাতা একশত টাকা করে গ্রহণ করে এই রাগে তিনি তার বাচ্চাকে অত্র বিদ্যালয় থেকে নিয়ে যায় অন্যথায় । স্কুলের উন্নয়নের নামে অবিভাবক আমিনুলের স্ত্রীর কাজ হতে ৩০০০ টাকা গ্রহণ করে, ইতি পুর্বে স্কুলের পুরাতন টিনসেট আরো ২টি ভবন,সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি , স্কুল প্রতিষ্ঠা কালীন সময়ে লোহার ফ্রেমের বেঞ্চ ৫০ হাজার টাকা ও স্কুলের একটি বড় কড়ইগাছ,১ টি তালগাছ ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করে প্রধান শিক্ষিকা গোপনে আত্মসাৎ করে। বিদ্যালয়ের মাঠে রশিদ মিয়া নামে একজন ঝাল মুড়ি বিক্রেতাকে দপ্তরী সাজিয়ে স্কুল ফাউন্ডার চেয়ারম্যান বাড়ি হতে গত ৬ মাস ৩০০০ হাজার (তিন হাজার টাকা) ধরে বেতন এনে ঝাল মুড়ি বিক্রেতাকে ৫০০/ ২০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দেয় বাকি টাকা প্রধান শিক্ষকা হাতিয়ে নেয বলে ঝাল মুড়ি বিক্রেতা

অভিযোগ করেন । এছাড়াও গত:বছর একটি অনুষ্ঠানে ডেকোরেটর মালিক ১টি অনুষ্ঠানে একটি বিল ভাউচার দিলে তাকে তিনটি খালি বিল ভাউচার দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে মাছিমপুর প্লটের ডেকোরেটর মালিক তা জানান। অত্র বিদ্যালয়ে খন্ডকালীন দুইজন শিক্ষিকা রয়েছে একজন পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া,অন্যজন এসএসসি পাস, এসব খন্ডকালীন শিক্ষক গাইড বই দেখে অংক শিখান তাতেও অনেক ভুল হয় বলে ছাত্র-ছাত্রীরা অভিভাবকদের জানান,তারা স্কুলের বাচ্চাদেরকে বাড়িতে এনে প্রাইভেট পড়াইয়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী সাজেশন দেয় বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে। আর অন্য ছাত্ররা সারা বছর পুরো পাঠ্য বই পড়ে পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে আর তাদের কাছে প্রাইভেট পড়া ছাত্র-ছাত্রীরা প্রশ্নপত্রে অনুসারে পড়াশোনা করে বৈষম্যের শিকার হয় বলে একাধীক অভিবাবকরা জানান।এসব কিছুর প্রতিবাদ করলে অভিভাবকদের সাথে প্রায়ই প্রধান শিক্ষিকা দুর্ব্যবহার করে। প্রধান শিক্ষিকা তিনি সময় মতো স্কুলে আসেন না বাচ্চাদের ক্লাস নেন না এবং সহকারী শিক্ষিকারদের উপরে সবসময়ই চাপ প্রয়োগ করে বলে জানা যায়। ২০২৬-এ বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য বিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান বাড়ি হতে ২০ হাজার টাকা (বিশ হাজার) অনুদান এনে বিদ্যালয়ে কোন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান না করে টাকা আত্মসাৎ করে প্রধান শিক্ষিকা। সূত্রে আরও জানা যায় বিদ্যালয়ের ৪০০ছাত্র ছাত্রী ও আটজন সহকারী শিক্ষকের জন্য একটি বাথরুম রয়েছে আর প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহা জন্য একাই একটি আধুনিক বাথরুম রয়েছে, এই বাথরুম অন্য শিক্ষক ছাত্রদের প্রবেশ নিষেধ। গত চার দিন আগে ১ম শ্রেণীর একজন ছাত্র স্কুলের ভিতরেই মলত্যাগ করে এতে প্রধান শিক্ষিকা সকাল ১১ টা বাজে স্কুল ছুটি দিয়ে বাচ্চার অভিভাবক ডেকে নিয়ে ছাত্রের মল পরিষ্কার করে বলে একাধিক অভিভাবক জানায়।পর্যাপ্ত বাথরুম না থাকায় স্কুলের পাশে মাদ্রাসা মসজিদ ও বিভিন্ন বাড়িতে বাচ্চারা বাথরুম করতে যায় এতে করে ছাত্র-ছাত্রীদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। দুর্নীতিগ্রস্ত এই প্রধান শিক্ষিকার সাথে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যে বেতন পাই বিদ্যালয় হতে আমার গাড়ির ড্রাইভার এর বেতন আর গাড়ি তেলের পয়সাই হয় না আমি শখে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি আমার স্বামী অস্ট্রেলিয়া থাকে আমি ধনী লোক আমি কেন এসব টাকা খাব। মালামাল আটকের পরের দিন বৃহস্পতিবার ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহাকে এলাকাবাসী এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উনার কাছে জানতে চাইলে পুরাতন টিনসেট বিল্ডিং বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন এ বিল্ডিং বিক্রি করে আমি মাঠে উপর একটি রাস্তা নির্মাণ করব, বিল্ডিংটি পরিত্যক্ত নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি অনুমতি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে মৌখিকভাবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস অনুমতি দিয়েছে বিক্রির জন্য বলে মিথ্যার আশ্রয় নেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এলাকার বাসির সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং ওনার ভাই সঞ্জিত সাহা কে ফোন দিলে সে চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী লোক নিয়ে আসে এবং সবাইকে তার বোনের ব্যাপারে বলে আমার বোন ধনী লোক বছরে দুই আড়াই লক্ষ টাকা দান করে এসব টাকা আমার বোন খাবে না। আর আপনারা সাবধান হয়ে যান আমার বোনের ব্যাপারে আপনারা যদি কোথায় কোন অভিযোগ করেন তাহলে আপনাদেরকে দেখে নিব বলে হুমকি দিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করে তারপর এলাকাবাসীর চাপের মুখে সঞ্জিত সাহা তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ে হতে পালিয়ে যায় বলে জানান এলাকাবাসী।উক্ত ঘটনা কে উল্লেখ করে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ অভিভাবক ও এলাকাবাসী ৩০৬ জন ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ গত: ২১/৬/২৬ইং তারিখ প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন এবং অনুলিপি:১। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ২। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ৩। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৪। নরসিংদী মডেল থানা ৫। নরসিংদী প্রেস ক্লাব ও ৬।শিলমান্দি ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর দাখিল করেন।অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে বলে জানা যায়। উক্ত ঘটনার পর প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহাকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুকোচ করে। এছাড়াও বিগত ১৩ /৮ /২০২৫ইং তারিখে করোনা কালীন সময়ে অত্র বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী কাছ হতে সরকারের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে পরীক্ষার ফি গ্রহণ করে প্রধান শিক্ষিকা এতে করে অভিভাবকরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল এ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগটি রহস্যজনক কারনে তদন্ত আটকে রয়েছে।আরো জানা যায় যশোরের এক ধনিব্যক্তি তার বাচ্চা অত্র বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এই অভিভাবক প্রধান শিক্ষিকা কে স্কুলের উন্নয়নের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দেন। ইতিপূর্বে অত্র বিদ্যালয়ের দুজন খন্ডকালীন শিক্ষকের একজনের ১৯ মাসের আরেকজনের পাঁচ মাসের বেতন আটকে আত্মসাৎ করে প্রধান শিক্ষিকা।আনুমানিক গত তিন মাস আগে বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের জন্য শীলমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের এক লক্ষ টাকা অনুদান আসে এর নামমাত্র মাটি ভরাট করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করে। প্রধান শিক্ষিকা গত ২০১৮ সাল হতে অত্র বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এর মধ্যে তিনি এ ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম করে যাচ্ছে এলাকার কেউ তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। অত্র বিদ্যালয়ের অভিভাবক বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদ ও এলাকাবাসী শীঘ্রই এই আওয়ামী ধুসর প্রধান শিক্ষিকা জয় শ্রী সাহার অপসারণ চান অত্র বিদ্যালয়ে হতে এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তার বিচার দাবি করছেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট।