
নিজস্ব প্রতিবেদক: সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র মতিঝিলস্থ স্টাফ কোয়ার্টারের ৪র্থ তলায় ফ্ল্যাট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায় ৪র্থ তোলায় বসবাসকারীরা তালা ভেঙ্গে উক্ত বাসায় উঠেছেন, বিভিন্ন সংযোগ বন্ধ রাখায় গ্যাস, পানি,বিদ্যুৎ,চুরি করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন এতে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন যাহা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এদিকে সুবিধা ভোগ করেছেন পাম্প অপারেটর দরবেশ দাদা আব্দুর রশিদ,এপ্রিল ২০২৬ ইং মাসের পর্যন্ত কয়েকটি বাসায় ভাড়া উঠিয়ে একজন মুসা পীরকে দেন মুসা পীরের সঙ্গে পাম্প অপারেটরের সুসম্পর্ক রয়েছে,এপ্রিলের মধ্যেই ধরা খাওয়ার শেষ, পাম্প অপারেটর একজন নারী লোভী,মাদক সেবী,দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী। বাম অপারেটর আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমরা বিশেষ কিছু জানতে পেরেছি।
এদিকে কিছু কর্তা বাবুরা পাম্প অপারেটর আব্দুর রশিদকে কোয়াটারে রাখার জন্য জোর তদবির চালাচ্ছেন। যদি দৈনিক মজুরি ভিত্তিক আব্দুর রশিদ কে কোয়ার্টারে থাকতে দেওয়া হয় তাহলে বাকি দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীরা থাকতে পারবে না কেন এই নিয়ে এক বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা যায়।
ব্যাংকের আইন কি বলে:
১/ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী কোয়াটারে বরাদ্দ পারবে না,কোন আইনে কাভার করে না?
২/ কোন হাঁস-মুরগি,গরু,ছাগল,কবুতর,পালতে পারবে না?
৩/ একজন মেহমান ১৫ দিনের বেশি থাকতে পারবে না?
৪/ কোয়াটারে কোন ভাড়া দিতে পারিবে না?
৫/ চতুর্থ তলা পরিত্যক্ত যে কোন মুহূর্তে ধসে যেতে পারে তার জন্য জীবনের ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাটে থাকতে পারবে না, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোন কর্মচারীর কর্মকর্তার দায়ভার নিবে না?
আরো অন্যান্য বিধি নিষেধ রয়েছে যা ব্যাংকের আইনের বাহিরে অনুমতি দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো নোটিশে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগন ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে নির্ধারিত ফ্ল্যাট অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করছেন। এ বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার লিখিতভাবে সতর্ক করা হলেও তিনি নির্দেশনা অমান্য করে দখল অব্যাহত রেখেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
সর্বশেষ ০৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রেরিত পত্রের মাধ্যমে ৩০ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হলেও ফ্ল্যাটটি খালি না করায় এবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখকে চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাটটি খালি না করা হলে ব্যাংক বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ অবৈধ দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের একজন স্বাক্ষরকারী হিসেবে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ শাহবীরের নাম উল্লেখ রয়েছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি আবাসন ব্যবস্থার শৃঙ্খলা রক্ষা ও অবৈধ দখল রোধে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
Reporter Name 


















