বাংলাদেশ ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়র শাহাদাতের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি নগরীতে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৪ Time View

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরোচীফ,কে এম আবুল কাশেম: খাল সংস্কার প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় সব এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে অস্থায়ী বাধ অপসারণ করায় জমে থাকা পানি দ্রুত নেমে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

 

বুধবার সকাল থেকে মেয়র নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ঘুরে ঘুরে পুরো শহরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রবর্তক মোড় ব্যতীত নগরীর অধিকাংশ এলাকায় পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা নেই।

 

এর আগে মেয়রের সরেজমিন পরিদর্শন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে হিজরা খাল, জামালখান খাল এবং মুরাদপুর বক্স কালভার্ট এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী বাধ অপসারণ করা হয়। ফলে কাতালগঞ্জ, চকবাজার, জামালখান, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত পানি নেমে যায় এবং স্বস্তি ফিরে আসে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড খাল খনন, সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে সাময়িক বাধ নির্মাণ করা হয়েছিল, যা ভারী বর্ষণে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

পরিদর্শনকালে প্রবর্তক মোড়ে খাল সংস্কার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড ও সিডিএ’র কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় মেয়র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত দায়িত্বশীলভাবে উপস্থিত থেকে কাজ তদারকির নির্দেশনা দেন।

 

তবে মেয়রের নির্দেশনায় সিডিএ ও সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে অস্থায়ী বাধ অপসারণ করা হলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি কমে আসে।

 

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হলেও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি, যাতে নগরবাসীকে দ্রুত স্বস্তি দেওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।”

 

তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয় জোরদার করে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন, যাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

মেয়র শাহাদাতের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি নগরীতে

Update Time : ০৫:৩১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরোচীফ,কে এম আবুল কাশেম: খাল সংস্কার প্রকল্পের কারণে সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় সব এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে অস্থায়ী বাধ অপসারণ করায় জমে থাকা পানি দ্রুত নেমে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

 

বুধবার সকাল থেকে মেয়র নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতা-প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ঘুরে ঘুরে পুরো শহরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রবর্তক মোড় ব্যতীত নগরীর অধিকাংশ এলাকায় পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা নেই।

 

এর আগে মেয়রের সরেজমিন পরিদর্শন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে হিজরা খাল, জামালখান খাল এবং মুরাদপুর বক্স কালভার্ট এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী বাধ অপসারণ করা হয়। ফলে কাতালগঞ্জ, চকবাজার, জামালখান, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত পানি নেমে যায় এবং স্বস্তি ফিরে আসে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড খাল খনন, সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে। কাজের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে সাময়িক বাধ নির্মাণ করা হয়েছিল, যা ভারী বর্ষণে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

পরিদর্শনকালে প্রবর্তক মোড়ে খাল সংস্কার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড ও সিডিএ’র কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় মেয়র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত দায়িত্বশীলভাবে উপস্থিত থেকে কাজ তদারকির নির্দেশনা দেন।

 

তবে মেয়রের নির্দেশনায় সিডিএ ও সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে অস্থায়ী বাধ অপসারণ করা হলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি কমে আসে।

 

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চলমান উন্নয়ন কাজের কারণে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হলেও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি, যাতে নগরবাসীকে দ্রুত স্বস্তি দেওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।”

 

তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয় জোরদার করে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন, যাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখা যায়।