
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ইলেকট্রিক এসোসিয়েশনের ৯ মে’র বহুল আলোচিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর নবাবপুরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে নির্বাচনকে “প্রহসন”, “পাতানো খেলা” এবং “ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণা” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সুপরিকল্পিতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী এই নির্বাচন নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা সরাসরি দাবি করেন এটি কোনো নির্বাচন নয়, বরং ব্যবসায়ী সমাজকে বিভক্ত ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্যবসায়ী নেতা বি এম সাগর। এসময় উত্তাল নবাবপুরে ধ্বনিত হয় প্রতিবাদের স্লোগান?
“ডামি নির্বাচন মানি না, মানি না”,
“প্রহসনের নির্বাচন বয়কট করো”,
“ব্যবসায়ীদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি চলবে না”।
প্রতিবাদকারীরা আরও অভিযোগ করেন, খন্দকার রুহুল আমিন প্যানেল প্রশাসনকে প্রভাবিত করে এই বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজনের নেপথ্যে কাজ করছে। তাদের ভাষায়, “ব্যবসায়ীদের মতামত উপেক্ষা করে গোপন আঁতাতে এই নির্বাচন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
সমাবেশে বি এম সাগর কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“এই পাতানো, প্রহসনের নির্বাচনে কেউ অংশগ্রহণ করবেন না। ভোট দিতে যাওয়া মানে এই অন্যায়ের সঙ্গে নিজেকে জড়ানো। আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছ এই নির্বাচন আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।”
প্রতিবাদকারীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত না হলে তারা নবাবপুরেই থাকার ঘোষণা দেন।
এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় নবাবপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোর দাবি জানান এই পাতানো সাজানো নির্বাচনের বন্ধ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছি।
Reporter Name 


















