
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় গ্রাহকের পাওনা কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের হীন মানসিকতায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম গং কর্তৃক জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টির লক্ষ্যে কয়েকজন গ্রাহকের বিরুদ্ধে মিথ্যে ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কলারোয়া উপজেলার গদখালী গ্রামের মোঃ আব্দুল আজিজের ছেলে স্থানীয় পাইলট হাইস্কুলের শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা গ্রাহকরা বুশরা গ্রুপের নিকট কয়েক কোটি টাকা পাই। কিন্তু আমাদের টাকা না দিয়ে তা আত্মসাত করার হীন মানসিকতায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কল্পনা প্রসূত ও আজগুবী কথাবার্তা বলে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছেন। তিনি আমাদের পাওনা টাকা না দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এ কারণে গত ১২ মে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম গংরা আমি সহ মো. আলাউদ্দীন, আবুল বাশার ও পলাশ এর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেছে। টাকা না দেওয়ার জন্য তিনি আমাদের কয়েকজন গ্রাহকের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম স্বইচ্ছায় নিজ উদ্যোগে আমাদের প্রাপ্য টাকার পরিমাণ জমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু তাদের কোম্পানীর কিছু স্ব-বিরোধী ব্যক্তি তাকে গুম করা হয়েছে বলে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ফাসানোর চেষ্টা করছে। আমরা পূর্ব থেকে তাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে তাকে (চেয়ারম্যান) যথাযথ আইন কর্তৃপক্ষ সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সুশান্ত ঘোষ এর নিকট হস্তান্তর করে দিয়ে আসি। প্রকৃতপক্ষে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলামকে অপহরণ বা গুম করা হয়নি। যেটা প্রচার হয়েছে, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও গুজব মাত্র। শেখ শরিফুল ইসলাম কোন প্রকার গুম, অপহরণ বা হেনস্তার শিকার হয়নি মর্মে গত ১২ মে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সুশান্ত ঘোষ এর নিকট স্বীকারোক্তি প্রদান করেন। মূলত আমাদের গ্রাহকদের টাকা বুঝে না দেওয়ার জন্য এ অপহরণ নাটক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ মাত্র।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কলারোয়ায় বুশরা গ্রুপের সহা¯্রাধিক গ্রাহক রয়েছে। আমরা বুশরা গ্রুপের কাছে কয়েক কোটি টাকা পাবো। কিন্তু বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুজাফর, আব্দুর রব, ইয়াছিন, করারোয়া ব্রাঞ্চ ম্যানেজার কামরুজ্জামান সহ সকল ব্রাঞ্চের ম্যানেজারবৃন্দ আমাদের গ্রাহকের টাকা বুঝে না দেয়ার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
তিনি বুশরা গ্রুপে জমাকৃত গ্রাহকদের সমুদয় টাকা যাতে দ্রুত ফেরত পেতে পারে, তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
Reporter Name 


















