
দেবাশীষ মজুমদার:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মানিকনগর বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রতিদিনই ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে এই ব্যস্ত সড়কটি। এ দীর্ঘ যানজটের মূল কারণ রাস্তার দুই পাশে বেপরোয়া পরিবহন বাসগুলো অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা।
বিশেষ করে মুগদা স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে মানিকনগর বিশ্বরোড পর্যন্ত মূল সড়কের ওপর অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে বিভিন্ন বাস, যা রাস্তার স্বাভাবিক চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ জনগণ, অ্যাম্বুলেন্স, রোগীবাহী গাড়ি, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়রা জানান, মানিকনগর বিশ্বরোডে অবস্থিত সরকারি মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা যানবাহনগুলো নিয়মিতই এই যানজটে আটকে পড়ে। একাধিক অ্যাম্বুলেন্স চালক বলেন, রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন থাকলেও যানজটের কারণে যথাসময়ে হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। এতে অনেক সময় ঘটছে দুর্ঘটনাও।
অবৈধ পার্কিং ও যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের কোনো তৎপরতা নেই বললেই চলে। টিটিপাড়া এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি এইসব বাস কাউন্টার থেকে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নিয়ে থাকেন, ফলে দেখেও দেখেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “টিআই ইউসুফ সাহেব এসি রুমে বসে গল্প-ফেসবুকে ব্যস্ত, আর রাস্তায় আমাদের কষ্টের শেষ নেই।”
এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে টিআই ইউসুফ দাবি করেন, তিনি নাকি কিছু দেখেননি বা জানেন না। তাহলে প্রশ্ন ওঠে – তিনি কি আদৌ ডিউটিতে থাকেন? না কি ঘরে বসেই বেতন নিচ্ছেন?
টিটিপাড়া বাস কাউন্টার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা এই দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। বিষয়টি নিয়ে আগামীতে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে – দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক নব দিগন্ত, দৈনিক বিকাল বার্তা, আমাদের মাতৃভূমি, দৈনিক স্বাধীন কণ্ঠ ও দেশের বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল।
চোখ রাখুন, সত্য উদঘাটনে আমরা আছি আপনাদের পাশে।
Reporter Name 






















