
স্টাফ রিপোর্টার আমিন কক্সবাজার:
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে চাকরিচ্যুত আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের লাঠিচার্জে নারীসহ কমপক্ষে ১০-১৫- জন আহত হয়ে উখিয়া হাসপাতালে ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী শহিদুল ইসলাম শামীম ও সুজন রানাসহ ২০-২৫ জনকে আটক করেছে উখিয়া থানার পুলিশ।
জিনিয়া শারমিন রিয়া নামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমন্বয়ককে পুলিশি হেফাজতে নেয়া পরে হেনেস্তার শিকার হয়ছে বলেন জিনিয়া।
আজকের ঘটনায় পুলিশ ও শিক্ষকদের মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে আন্দোলনে যোগ দিতে সড়কে নেমে আসেন এনজিও থেকে চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা। এ সময় অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলনরত শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং এক শিক্ষককে হেফাজতে নেয়। এতে শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন উখিয়া।
প্রসঙ্গত, গত তিন মাস ধরে চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা তাদের পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। বারবার আশ্বাস দিলেও সমাধান না মেলায় তারা সড়কে নেমে আসেন।
সকালে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন পথে এনজিওর সংস্থার গাড়ি আটকে দিয়ে আন্দোলন করেন।
তখন পুলিশ খবর পেয়ে উখিয়া চাকরিচ্যুত আন্দোলনের সমন্বয়ক শামীম কে ওসি সাহেব কল করে ডেকে নিয়ে আসলে সাথে সাথে শামিম ও কেন্দ্রীয় এনপিপির নেতাসহ আটক করেন।
জিনিয়া, শামিম,নওশাদ সমন্বয়ক
বোরহান, ওরমি আব্দুল হামিদসহ ২৭ জনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসেন উখিয়া থানার পুলিশ।
ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত শিক্ষক- শিক্ষার্থীর পুলিশ হেফাজতে নিয়ে গেলে”
আন্দোলন ভিন্ন আকারে রূপ ধারণ করে।
তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা এসে
পরিস্থিতি শান্ত করে সমাধানের সিদ্ধান্তে চলে আসে আন্দোলনকারী, প্রশাসন মিলে পুলিশ হেফাজত থেকে বাহির করে দে।
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড: ইউনুস ২৫ আগস্ট ২৫ ইং কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে
চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলনটি স্থগিত করা হয়। উখিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ছে।
Reporter Name 






















