বাংলাদেশ ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সদর খরুলিয়া নয়া পড়ার বহু মামলার আসামি শীর্ষ ইয়াবার গডফাদার আওয়ামী লীগের দুসর জাহাঙ্গীর আলম (বাদশা) এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ২১৯ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার:

কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানায় একাধিক মামলা থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান খরুলিয়া নয়াপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ ওরফে ইয়াবা বাদশা ও সহযোগী রহমত উল্লাহ। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা সত্বেও খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ অথচ তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে নির্দ্বিধায় আর এমন অভিযোগই করছেন ভুক্তভোগীরা। গেল রমজান মাসে এলাকার যুব সমাজ রক্ষায় বাদশা কে মরণ নেশা ইয়াবা বিক্রি বন্ধ করতে বলাই হত্যা উদ্দেশ্যে আব্দু রাজ্জাক’কে দেশীয় অস্ত্র আঘাত করে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে প্রাণে বেঁচে যান আব্দু রাজ্জাক। .
এঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও রহমত উল্লাহ’কে অভিযুক্ত করে রামু থানার মামলা করার এক মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী আব্দু রাজ্জাক। এদিকে পুলিশ বলছেন বাদী কে হুমকি ধমকি দিলে থানায় জিডি করবেন।.
শুধু এখানেই শেষ নই জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এলাকার নাম করা সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত। আর রয়েছেন রহমত উল্লাহ সহ আরও অনেক সহযোগী। তার নাম শুনলে ভয়ে কথা বলে না এলাকার মানুষও। এছাড়াও বাদশা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছেন,জাহাঙ্গীর আলম বাদশার মুরগীর খামারে চাকরিরত আব্দু শুক্কুর কে ইয়াবা জমা রাখার প্রস্তাব দিলে আব্দু শুক্কুর উক্ত প্রস্তাবে না রাজি না হলে তাকেও মারধর করা হয়।খবর পেয়ে রামু থানার পুলিশ ঘটনাস্থালে পৌঁছে আহত অবস্থায় আব্দু শুক্কুর কে উদ্ধার করে। আব্দু শুক্কুর ১২ দিন চিকিৎসা শেষে আদালতে মামলা করেন। এঘটনায় দায়ের করা মামলা আপোষ দিতে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বাদশা। এঘটনায় আদালতে দায়কৃত মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। উক্ত প্রতিবেদনে দেখে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে সংস্থাটি থানায় পাটানো হয়।কিন্তু পুলিশের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বাদশার গভীর সম্পর্ক থাকার কথা এক ভিডিও বার্তায় থেকে জানা যায় । এ কারণে তাকে গ্রেফতার করছে না বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ। .

জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও তার সহযোগী রহমত উল্লাহ নিজেদের অপকর্ম ঠেকাতে গণমাধ্যম কে ব্যবহার করে গত ২২ এপ্রিল ভিডিও বার্তা দিয়ে শাক দিয়ে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেছেন।.

উক্ত ভিডিও বার্তা’র মাঝখানে বলা হয় সে সমাজের দানশীল ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণে অনুদান ও স্কুলে শিক্ষা উপকরণ সহ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে।.
তবে ভিডিও বার্তায় সে বলে ভিন্ন কথা আব্দু রাজ্জাক ভূট্টো আমাকে মোন করে আমাকে মারতে আসে তারা তারা মারামারি করে মাতা পেটে যায় আমার জন্য মামলা করে। ২মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও রহমত উল্লাহ শাক দিয়ে মাছ শিকার করার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। .
একই ভিডিও বার্তায় বাদশার স্ত্রী নাছিমা আক্তার বলেন ফেইসবুকে ছাড়তে এইগুলো নিয়ে অনেক তর্কবিতর্ক চলতেছে আমাদের খামারের মুরগী’র ডিম যায়তে বাধা দেয় গাড়ী আটকায় দেয় মেম্বার দিয়ে গাড়ি উদ্ধার করেন।.
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে সংশ্লিষ্ট রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান ছিল।সে সময় উক্ত রাস্তায় গাড়ী চলাচল বন্ধ ছিল।.
বাদশার স্ত্রী এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ডিমের গাড়ি আটকিয়ে রাখার নাটক সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কে ব্যবহার করে ভিডিও বার্তা দেন।এতে আব্দু রাজ্জাক ও তার পরিবারের মান ক্ষুণ্ণ হন।.
ডিমের গাড়ী আটকায় রাখার ঘটনার জানতে চাকমারকুল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের স্থানীয় এমইউপি সদস্য ছৈয়দ নুর,ও ঝিলংজা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের এমইউপি সদস্য আব্দু রশিদ এলাকার সমাজের সদ্দার মোহাম্মদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন,এমন কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। উক্ত সময়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। .
রামু থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এস আই রাহুল রায় মিশুএর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি পারিবারিক সমস্যার কারণে ছুটিতে আছি।কর্মস্থলে যোগদানের পর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হবে।.

তদন্ত কর্মকর্তা’কে আসামি গ্রেফতারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন,রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী। .
জাহাঙ্গীর আলম বাদশার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা আছে কি না জানতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইলিয়াস খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি।.
জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ বাদশাকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি জোরালো অনুরোধ জানান তাছাড়া এলাকাবাসী এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর কবল থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।.
​​

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

কক্সবাজার সদর খরুলিয়া নয়া পড়ার বহু মামলার আসামি শীর্ষ ইয়াবার গডফাদার আওয়ামী লীগের দুসর জাহাঙ্গীর আলম (বাদশা) এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

Update Time : ১২:১৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার:

কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানায় একাধিক মামলা থাকলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান খরুলিয়া নয়াপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ ওরফে ইয়াবা বাদশা ও সহযোগী রহমত উল্লাহ। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকা সত্বেও খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ অথচ তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে নির্দ্বিধায় আর এমন অভিযোগই করছেন ভুক্তভোগীরা। গেল রমজান মাসে এলাকার যুব সমাজ রক্ষায় বাদশা কে মরণ নেশা ইয়াবা বিক্রি বন্ধ করতে বলাই হত্যা উদ্দেশ্যে আব্দু রাজ্জাক’কে দেশীয় অস্ত্র আঘাত করে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে প্রাণে বেঁচে যান আব্দু রাজ্জাক। .
এঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও রহমত উল্লাহ’কে অভিযুক্ত করে রামু থানার মামলা করার এক মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী আব্দু রাজ্জাক। এদিকে পুলিশ বলছেন বাদী কে হুমকি ধমকি দিলে থানায় জিডি করবেন।.
শুধু এখানেই শেষ নই জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এলাকার নাম করা সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত। আর রয়েছেন রহমত উল্লাহ সহ আরও অনেক সহযোগী। তার নাম শুনলে ভয়ে কথা বলে না এলাকার মানুষও। এছাড়াও বাদশা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছেন,জাহাঙ্গীর আলম বাদশার মুরগীর খামারে চাকরিরত আব্দু শুক্কুর কে ইয়াবা জমা রাখার প্রস্তাব দিলে আব্দু শুক্কুর উক্ত প্রস্তাবে না রাজি না হলে তাকেও মারধর করা হয়।খবর পেয়ে রামু থানার পুলিশ ঘটনাস্থালে পৌঁছে আহত অবস্থায় আব্দু শুক্কুর কে উদ্ধার করে। আব্দু শুক্কুর ১২ দিন চিকিৎসা শেষে আদালতে মামলা করেন। এঘটনায় দায়ের করা মামলা আপোষ দিতে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বাদশা। এঘটনায় আদালতে দায়কৃত মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। উক্ত প্রতিবেদনে দেখে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে সংস্থাটি থানায় পাটানো হয়।কিন্তু পুলিশের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বাদশার গভীর সম্পর্ক থাকার কথা এক ভিডিও বার্তায় থেকে জানা যায় । এ কারণে তাকে গ্রেফতার করছে না বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ। .

জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও তার সহযোগী রহমত উল্লাহ নিজেদের অপকর্ম ঠেকাতে গণমাধ্যম কে ব্যবহার করে গত ২২ এপ্রিল ভিডিও বার্তা দিয়ে শাক দিয়ে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেছেন।.

উক্ত ভিডিও বার্তা’র মাঝখানে বলা হয় সে সমাজের দানশীল ব্যক্তি মসজিদ নির্মাণে অনুদান ও স্কুলে শিক্ষা উপকরণ সহ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে।.
তবে ভিডিও বার্তায় সে বলে ভিন্ন কথা আব্দু রাজ্জাক ভূট্টো আমাকে মোন করে আমাকে মারতে আসে তারা তারা মারামারি করে মাতা পেটে যায় আমার জন্য মামলা করে। ২মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তায় জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও রহমত উল্লাহ শাক দিয়ে মাছ শিকার করার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। .
একই ভিডিও বার্তায় বাদশার স্ত্রী নাছিমা আক্তার বলেন ফেইসবুকে ছাড়তে এইগুলো নিয়ে অনেক তর্কবিতর্ক চলতেছে আমাদের খামারের মুরগী’র ডিম যায়তে বাধা দেয় গাড়ী আটকায় দেয় মেম্বার দিয়ে গাড়ি উদ্ধার করেন।.
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে সংশ্লিষ্ট রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান ছিল।সে সময় উক্ত রাস্তায় গাড়ী চলাচল বন্ধ ছিল।.
বাদশার স্ত্রী এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ডিমের গাড়ি আটকিয়ে রাখার নাটক সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কে ব্যবহার করে ভিডিও বার্তা দেন।এতে আব্দু রাজ্জাক ও তার পরিবারের মান ক্ষুণ্ণ হন।.
ডিমের গাড়ী আটকায় রাখার ঘটনার জানতে চাকমারকুল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের স্থানীয় এমইউপি সদস্য ছৈয়দ নুর,ও ঝিলংজা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের এমইউপি সদস্য আব্দু রশিদ এলাকার সমাজের সদ্দার মোহাম্মদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন,এমন কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। উক্ত সময়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। .
রামু থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এস আই রাহুল রায় মিশুএর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি পারিবারিক সমস্যার কারণে ছুটিতে আছি।কর্মস্থলে যোগদানের পর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হবে।.

তদন্ত কর্মকর্তা’কে আসামি গ্রেফতারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন,রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী। .
জাহাঙ্গীর আলম বাদশার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা আছে কি না জানতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইলিয়াস খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি।.
জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ বাদশাকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে এলাকাবাসী প্রশাসনের প্রতি জোরালো অনুরোধ জানান তাছাড়া এলাকাবাসী এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর কবল থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।.
​​