
প্রধান নির্বাচন কমিশন কে জরুরী ভিত্তিতে নির্দেশনা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যদি এখনো দেশের প্রতিটি নির্বাচনী ক্যাম্প ও ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় না আনা হয়, তবে সেটিকে আর অবহেলা বলা যাবে না এটি হবে সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। নির্বাচনকালীন সহিংসতা, ভোট ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কালো টাকার দাপটের বিরুদ্ধে কেবল মৌখিক আশ্বাস যথেষ্ট নয়; চাই দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা।
অন্তত ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ১০০ গজ পর্যন্ত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক না করলে অপরাধী শনাক্ত করা অসম্ভব। বারবার প্রমাণ হয়েছে নজরদারি না থাকলেই দুষ্কৃতকারীরা সুযোগ নেয়। এরপর অপরাধের পর তদন্ত, কমিটি, আশ্বাস এই চক্রেই ঘুরপাক খায় রাষ্ট্র।
যে দেশে নির্বাচন এলেই মায়ের বুক খালি হয়, লাশ পড়ে রাস্তায়, আতঙ্কে ভোটার কেন্দ্রে যেতে চায় না সে দেশে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়াই স্বাভাবিক। সিসি ক্যামেরা থাকলে সন্ত্রাসী, ভোটচোর ও নির্বাচনবিরোধী চক্রের সাহস ভেঙে যাবে। অপরাধী জানবে পালাবার পথ নেই।
এখন আর সময় নেই পরীক্ষানিরীক্ষার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব শুধু ভোট নেওয়া নয়, নাগরিকের জীবন রক্ষা করা। সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করলে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় এড়াতে পারবে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
** আমরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই কথায় নয়, কাজে।
** সিসি ক্যামেরা ছাড়া নির্বাচন মানেই অরাজকতার লাইসেন্স।
** সিসি ক্যামেরা অবিলম্বে স্থাপন করতে হবে।
** এটা আমর ব্যক্তিগত মতাম।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
চেয়ারম্যান
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন
কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা
Reporter Name 


















