
—ক্ষমতায় গেলে দেশ আবার ১৯৭১ বানাবে: ফজলুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান সরাসরি জামায়াতকে ১৯৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরি আখ্যা দিয়ে বলেছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত ১০ শতাংশ ভোটও পাবে কিনা তা নিয়ে গভীর সন্দেহ রয়েছে। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, “কে ওদের কর্মী? কে ওদের ভোট দিবে?”
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জামায়াতকে রাষ্ট্র, স্বাধীনতা ও জনগণের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন।
ফজলুর রহমান বলেন, “জামায়াত যদি কখনো ক্ষমতায় আসে, তাহলে ইটনায় পাঁচজন, মিঠামইনে দশজন, অষ্টগ্রামে পাঁচজন করে পাকিস্তানি মিলিটারি বসবে। রাজাকার-আলবদরদের দিয়ে এই দেশটাকে আবার ১৯৭১ বানানোর চেষ্টা করবে। তখন মানুষ রাস্তায় হাঁটতেও পারবে না, কথা বলতেও ভয় পাবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই দেশের মা-বোনদের ইজ্জত থাকবে না। আল্লাহর দোহাই লাগে আমাকে ভোট না দিলেও সমস্যা নাই, কিন্তু এদের ভোট দিয়ে দেশটাকে পাকিস্তান বানাইয়েন না। এদের চেয়ে খারাপ মানুষ এই দুনিয়াতে জন্ম নেয় নাই।”
জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, “ওরা একদিকে বলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবে, আবার ওদেরই কথিত ডাকসুর ভিপি বলে তারেক রহমানকে লাথি মেরে দেশছাড়া করবে। এত বেয়াদব, বেতমিজ আর বেইমান মানুষ হয় কীভাবে?”
তিনি বলেন, “বেয়াদবি, বেতমিজি আর বেইমানির জন্য যদি আলাদা ডিকশনারি থাকে, তাহলে সেই ডিকশনারির নাম হওয়া উচিত জামায়াত।”
নির্বাচনী প্রচারে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে ফজলুর রহমান বলেন, “প্রথমে বোরকা পরা কিছু মহিলা দিয়ে শিশুদের বিস্কুট-চকলেট দেওয়া হয়, পরে মায়েদের বলা হয় ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাওয়া যাবে। বেহেশতের টিকিট দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। মানুষ হয়ে আল্লাহ সাজার চেষ্টা করলে তার জায়গা জাহান্নামেই হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ধর্মকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষের ঈমানের সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং নির্বাচনকে পবিত্রতা নষ্ট করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 


















