বাংলাদেশ ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ত্র-বিস্ফোরক ও সাইবার মামলার আসামী মামুনকে গ্রেফতারে মরিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ১০০ Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদক::

অনলাইন ফিশিং লিংক স্পেশালিষ্ট বিকাশ প্রতারক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী সুনামগঞ্জের মান্নারগাওয়ের হ্যাকার মামুনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানের নিরীহ মানুষ। আওয়ামীলীগের শাসনামলে তার আপন চাচা মান্নারগাও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজ মিয়ার ছত্রছায়ায় হ্যাকার মামুন জিরো থেকে হয়েছেন হিরো। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ মিয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলের এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের বিশ্বস্থ সহচর ছিলেন।

 

একাধিক সুত্র জানায়, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও গ্রামের কৃষক মিরাশ আলীর পুত্র মো: মামুন মিয়া ফিশিং লিংক তৈরিসহ তথ্য প্রযুক্তিতে পারদর্শী হয়ে উঠেন। নিজের মেধাকে ন্যায়ের পথে কাজে না লাগিয়ে বেচে নেন অপরাধের পথ। আর সেই পথ ধরেই জিরো থেকে বনে গেছেন হিরো। দারিদ্রতার সাথে লড়াই করতে করতে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার করে প্রথমে শুরু করেন বিকাশ প্রতারণা। বিকাশের পিন নম্বর ক্লোন করে ও ফিশিং লিংকের বার্তা প্রেরণ করে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

 

পরবর্তীতে শুরু করেন বিভিন্ন ব্যাংকের বুথগুলোর পিন পরিবর্তন করে টাকা লুটপাট। গত কয়েক বছরে হাতিয়ে নেন কয়েক কোটি টাকা। আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়েন ভারতীয় অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সাথে। তার সাথে সংযুক্ত করেন তাহিরপুর উপজেলার উজান তাহিরপুর গ্রামের প্রাইভেটকার চালক মো রফিক বেগ ওরফে লেলেকে। রফিক বেগ লেলেকে সাথে নিয়ে কিনে ফেলেন একটি প্রাইভেট কার। যার টয়োটা সিএইচআর টিয়া রংয়ের ঢাকা মেট্রো-ঘ ১২-৭৭২৩ গাড়ি দিয়ে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র ও মাদক কিনে ঢাকা সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকের ব্যবসা শুরু করেন। মামুনের আপন চাচা সিরাজ মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি থাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের স্থানীয় এমপিসহ বড় বড় নেতাদের হাত করে নির্বিঘেœ কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

 

অবৈধপথে কামানো টাকার গরমে আশপাশের নিরীহ মানুষদের সাথে শুরু করেন নানান অত্যাচার নিপীড়ন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। প্রাইভেট কার চালক রফিক বেগ ওরফে লেলে বর্তমান সময়ে দেশে সেনাবাহিনীর টহল বৃদ্ধিসহ তল্লাসী অভিযানের কারণে অস্ত্রের চালান পরিবহন করতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে তার বাড়ীতে বেধে বেদড়ক মারপিট করেন হ্যাকার মামুন। যার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। শুরু হয় চালক রফিক বেগ ওরফে লেলে’র সাথে হ্যাকার মামুনের শত্রুতা।

 

এই দিকে হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনকারীদের প্রকাশ্যে মারপিটে ও অস্ত্র সরবরাহে জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে ১। কোতোয়ালী জিআর মামলা নং- ৫৪১/২৪, ২। কোতোয়ালী জিআর মামলা নং- ৫১২/২৪, ৩। কোতোয়ালী জি আর মামলা নং- ১৮৭/২৫,৪। এয়ারপোর্ট জি আর মামলা নং- ২৭১/২০, ৫। সুনামগঞ্জ সদর জিআর মামলা নং- ১৫৭/২৫, ৬। কোতোয়ালী জি আর মামলা নং- ১৮৬/২৫ সহ একাদিক মাদক, বিকাশ প্রতারণা ও অবৈধ অস্ত্রের মামলা রয়েছে। হ্যাকার মামুন পলাতক থেকেও চালিয়ে যাচ্ছে তার অস্ত্র, প্রতারনা ও মাদক ব্যবসা। তার ব্যবহৃত গাড়ীটি জব্দ করে তল্লাসী করা গেলেই সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

 

প্রকাশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বর্তমানে হ্যাকার মামুন আত্মগোপনে রয়েছে। এ দিকে হ্যাকার মামুনের বিশ্বস্থ সহচর হিসাবে কাজ করছেন মান্নারগাও গ্রামের আশ্রাব আলীর পুত্র আলোচিত জালালপুর হত্যা মামলার আসামী মিনার মিয়া। হ্যাকার মামুনের প্রতিটি অপরাধের সাথে মিনার মিয়াও জড়িত। বিকাশ প্রতারক মামুনের বিরুদ্ধে রয়েছে সাইবার,

বিস্ফোরক অস্ত্র ও মাদক মামলা।

 

মিনার মিয়ার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক হত্যা ও মাদক মামলা। বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন এলাকায় ফুটবল খেলার আড়ালে উঠতি বয়সী যুবক যুবতীদের সরবরাহ করছে করালগ্রাসী মাদক সেবনে। এই যুবক যুবতীদের দিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন তার মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা।

 

হ্যাকার মামুনের কার চালক ও নির্যাতনের শিকার রফিক বেগ ওরফে লেলে এই প্রতিবেদককে জানান, আমি মামুনের প্রাইভেট কার চালাইতাম। আমাকে নিয়ে ঢাকা সিলেট আসা যাওয়া করত। ইদানিং সেনাবাহিনীর তল্লাসী বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আমি ঢাকা কিংবা সিলেট গাড়ী নিয়ে যেতে না চাইলে আমাকে অপহরণ করে তার বাড়ী মান্নারগাও নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে এবং বেদড়ক মারপিট করে। আমি ন্যায় বিচার চাই। আমার মাইরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিকাশ প্রতারক মামুন আত্মগোপনে চলে যায়। আমি গরীব মানুষ পেঠের দায়ে অন্যের গাড়ী চালাই। আমি কোন ধরনের মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত নই।

 

এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর জিআর ১৫৭/২৫ নাম্বার মামলার সাথে আমি জড়িত নহে, ওই ঘটনাটি বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন ও মিনার মিয়া সংঘটিত করেছে। আমি নির্দোষ। আমি বিচার চাই।

 

দোয়ারাবাজার থানার ওসি মো: জাহিদুল হক (নাজমুল) এই প্রতিবেদককে জানান, মান্নারগাও গ্রামের মামুনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোর্পদ করার জন্য এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানা ও সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে একাদিক অধিযাচনপত্র পেয়েছি। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

 

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ এই প্রতিবেদককে জানান, হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

 

এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো: জিয়াউল হক এই প্রতিবেদককে জানান, বিকাশ প্রতারক ও হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তারসহ তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

অস্ত্র-বিস্ফোরক ও সাইবার মামলার আসামী মামুনকে গ্রেফতারে মরিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

Update Time : ০৬:০৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক::

অনলাইন ফিশিং লিংক স্পেশালিষ্ট বিকাশ প্রতারক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী সুনামগঞ্জের মান্নারগাওয়ের হ্যাকার মামুনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানের নিরীহ মানুষ। আওয়ামীলীগের শাসনামলে তার আপন চাচা মান্নারগাও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজ মিয়ার ছত্রছায়ায় হ্যাকার মামুন জিরো থেকে হয়েছেন হিরো। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ মিয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলের এমপি মুহিবুর রহমান মানিকের বিশ্বস্থ সহচর ছিলেন।

 

একাধিক সুত্র জানায়, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাও গ্রামের কৃষক মিরাশ আলীর পুত্র মো: মামুন মিয়া ফিশিং লিংক তৈরিসহ তথ্য প্রযুক্তিতে পারদর্শী হয়ে উঠেন। নিজের মেধাকে ন্যায়ের পথে কাজে না লাগিয়ে বেচে নেন অপরাধের পথ। আর সেই পথ ধরেই জিরো থেকে বনে গেছেন হিরো। দারিদ্রতার সাথে লড়াই করতে করতে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার করে প্রথমে শুরু করেন বিকাশ প্রতারণা। বিকাশের পিন নম্বর ক্লোন করে ও ফিশিং লিংকের বার্তা প্রেরণ করে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

 

পরবর্তীতে শুরু করেন বিভিন্ন ব্যাংকের বুথগুলোর পিন পরিবর্তন করে টাকা লুটপাট। গত কয়েক বছরে হাতিয়ে নেন কয়েক কোটি টাকা। আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়েন ভারতীয় অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সাথে। তার সাথে সংযুক্ত করেন তাহিরপুর উপজেলার উজান তাহিরপুর গ্রামের প্রাইভেটকার চালক মো রফিক বেগ ওরফে লেলেকে। রফিক বেগ লেলেকে সাথে নিয়ে কিনে ফেলেন একটি প্রাইভেট কার। যার টয়োটা সিএইচআর টিয়া রংয়ের ঢাকা মেট্রো-ঘ ১২-৭৭২৩ গাড়ি দিয়ে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে অস্ত্র ও মাদক কিনে ঢাকা সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকের ব্যবসা শুরু করেন। মামুনের আপন চাচা সিরাজ মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি থাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের স্থানীয় এমপিসহ বড় বড় নেতাদের হাত করে নির্বিঘেœ কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

 

অবৈধপথে কামানো টাকার গরমে আশপাশের নিরীহ মানুষদের সাথে শুরু করেন নানান অত্যাচার নিপীড়ন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। প্রাইভেট কার চালক রফিক বেগ ওরফে লেলে বর্তমান সময়ে দেশে সেনাবাহিনীর টহল বৃদ্ধিসহ তল্লাসী অভিযানের কারণে অস্ত্রের চালান পরিবহন করতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে তার বাড়ীতে বেধে বেদড়ক মারপিট করেন হ্যাকার মামুন। যার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। শুরু হয় চালক রফিক বেগ ওরফে লেলে’র সাথে হ্যাকার মামুনের শত্রুতা।

 

এই দিকে হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনকারীদের প্রকাশ্যে মারপিটে ও অস্ত্র সরবরাহে জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে ১। কোতোয়ালী জিআর মামলা নং- ৫৪১/২৪, ২। কোতোয়ালী জিআর মামলা নং- ৫১২/২৪, ৩। কোতোয়ালী জি আর মামলা নং- ১৮৭/২৫,৪। এয়ারপোর্ট জি আর মামলা নং- ২৭১/২০, ৫। সুনামগঞ্জ সদর জিআর মামলা নং- ১৫৭/২৫, ৬। কোতোয়ালী জি আর মামলা নং- ১৮৬/২৫ সহ একাদিক মাদক, বিকাশ প্রতারণা ও অবৈধ অস্ত্রের মামলা রয়েছে। হ্যাকার মামুন পলাতক থেকেও চালিয়ে যাচ্ছে তার অস্ত্র, প্রতারনা ও মাদক ব্যবসা। তার ব্যবহৃত গাড়ীটি জব্দ করে তল্লাসী করা গেলেই সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

 

প্রকাশ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বর্তমানে হ্যাকার মামুন আত্মগোপনে রয়েছে। এ দিকে হ্যাকার মামুনের বিশ্বস্থ সহচর হিসাবে কাজ করছেন মান্নারগাও গ্রামের আশ্রাব আলীর পুত্র আলোচিত জালালপুর হত্যা মামলার আসামী মিনার মিয়া। হ্যাকার মামুনের প্রতিটি অপরাধের সাথে মিনার মিয়াও জড়িত। বিকাশ প্রতারক মামুনের বিরুদ্ধে রয়েছে সাইবার,

বিস্ফোরক অস্ত্র ও মাদক মামলা।

 

মিনার মিয়ার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক হত্যা ও মাদক মামলা। বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন এলাকায় ফুটবল খেলার আড়ালে উঠতি বয়সী যুবক যুবতীদের সরবরাহ করছে করালগ্রাসী মাদক সেবনে। এই যুবক যুবতীদের দিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন তার মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা।

 

হ্যাকার মামুনের কার চালক ও নির্যাতনের শিকার রফিক বেগ ওরফে লেলে এই প্রতিবেদককে জানান, আমি মামুনের প্রাইভেট কার চালাইতাম। আমাকে নিয়ে ঢাকা সিলেট আসা যাওয়া করত। ইদানিং সেনাবাহিনীর তল্লাসী বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আমি ঢাকা কিংবা সিলেট গাড়ী নিয়ে যেতে না চাইলে আমাকে অপহরণ করে তার বাড়ী মান্নারগাও নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে এবং বেদড়ক মারপিট করে। আমি ন্যায় বিচার চাই। আমার মাইরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিকাশ প্রতারক মামুন আত্মগোপনে চলে যায়। আমি গরীব মানুষ পেঠের দায়ে অন্যের গাড়ী চালাই। আমি কোন ধরনের মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত নই।

 

এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর জিআর ১৫৭/২৫ নাম্বার মামলার সাথে আমি জড়িত নহে, ওই ঘটনাটি বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন ও মিনার মিয়া সংঘটিত করেছে। আমি নির্দোষ। আমি বিচার চাই।

 

দোয়ারাবাজার থানার ওসি মো: জাহিদুল হক (নাজমুল) এই প্রতিবেদককে জানান, মান্নারগাও গ্রামের মামুনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোর্পদ করার জন্য এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানা ও সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে একাদিক অধিযাচনপত্র পেয়েছি। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

 

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ এই প্রতিবেদককে জানান, হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

 

এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো: জিয়াউল হক এই প্রতিবেদককে জানান, বিকাশ প্রতারক ও হ্যাকার মামুনের বিরুদ্ধে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। বিকাশ প্রতারক হ্যাকার মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তারসহ তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।