বাংলাদেশ ১১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষনের শিকার বারহালের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১২২ Time View

আব্দুস শহীদ শাকিব 

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি।

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।বিষয়টি গেল শনিবার ঘটলেও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে ভিকটিম নিজেই পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।মামলায় বারহাল ইউনিয়নের পাঁচ যুবককে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- নিদনপুর গ্রামের খছরুজ্জামানের ছেলে ইমরান আহমদ (২৩), খিলগ্রামের আব্দুল বাছিতের ছেলে তানজিদ আহমদ (১৮), মাইজগ্রামের আজাদ আহমেদের ছেলে শাকের আহমদ (২৪), একই গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহমদ (২১) এবং মনতৈল গ্রামের ফইজ আলীর ছেলে মুমিন আহমদ (২০)।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বারহাল এহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই স্কুলছাত্রী শনিবার সকাল ১০টার দিকে সহপাঠী বন্ধু রাফির সঙ্গে শাহগলী বাজারের পরিত্যক্ত আদিল ব্রিকফিল্ড এলাকায় বেড়াতে যান। সেখানে অভিযুক্ত পাঁচ যুবক তাদের গোপনে ছবি তোলে। এরপর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তিনজন মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বাকি দুজন এসময় সহযোগিতা করে।এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর বুধবার বিকেলে বারহাল এলাকায় পৃথক পৃথকভাবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এ জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শনিবার ঘটনাটি ঘটলেও ধামাচাপার চেষ্টা করা হয়। মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে আমরা ভিকটিমকে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই এবং পরিবারকে মামলা করার পরামর্শ দিই। বুধবার সকালে মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তবে মামলা করতে দেরি হওয়ায় আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষনের শিকার বারহালের দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী!

Update Time : ০৫:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

আব্দুস শহীদ শাকিব 

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি।

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।বিষয়টি গেল শনিবার ঘটলেও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে ভিকটিম নিজেই পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।মামলায় বারহাল ইউনিয়নের পাঁচ যুবককে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- নিদনপুর গ্রামের খছরুজ্জামানের ছেলে ইমরান আহমদ (২৩), খিলগ্রামের আব্দুল বাছিতের ছেলে তানজিদ আহমদ (১৮), মাইজগ্রামের আজাদ আহমেদের ছেলে শাকের আহমদ (২৪), একই গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহমদ (২১) এবং মনতৈল গ্রামের ফইজ আলীর ছেলে মুমিন আহমদ (২০)।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বারহাল এহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই স্কুলছাত্রী শনিবার সকাল ১০টার দিকে সহপাঠী বন্ধু রাফির সঙ্গে শাহগলী বাজারের পরিত্যক্ত আদিল ব্রিকফিল্ড এলাকায় বেড়াতে যান। সেখানে অভিযুক্ত পাঁচ যুবক তাদের গোপনে ছবি তোলে। এরপর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তিনজন মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বাকি দুজন এসময় সহযোগিতা করে।এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার পর বুধবার বিকেলে বারহাল এলাকায় পৃথক পৃথকভাবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এ জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শনিবার ঘটনাটি ঘটলেও ধামাচাপার চেষ্টা করা হয়। মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে আমরা ভিকটিমকে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই এবং পরিবারকে মামলা করার পরামর্শ দিই। বুধবার সকালে মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তবে মামলা করতে দেরি হওয়ায় আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে।’