বাংলাদেশ ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিরো থেকে হিরো সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান এসেসর আব্দুল বাছিত ও সহকারী কর কর্মকর্তা মাহবুব আলম 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩২৩ Time View

 

বিকাল বার্তাঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জন্ম থেকে মৃত্যু জীবনের প্রায় প্রতিটি কাজে নগরবাসীকে সিটি করপোরেশনের দ্বারস্থ হতে হয়। নগরবাসীর সেবায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিলেট সিটি করপোরেশনের সুনাম থাকলেও কিছু অসাধু ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সে সুনাম আজ ভূলন্টিত হতে চলেছে। তেমন দুজন কর্মকর্তা হচ্ছেন এসেসমেন্ট শাখার প্রধান এসেসর মোঃ আব্দুল বাছিত ও কর আদায় শাখার সহকারী কর কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম। তাদের অলিখিত জুটির দূর্নীতির ফিরিস্তি নগর ভবন পেরিয়ে সিলেট মহানগরীতে ছড়িয়ে পড়েছে। নগর ভবন সূত্রে জানা যায় আব্দুল বাছিতের কাজ হল তার শাখার মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের দিয়ে বিশাল অংকের কর নির্ধারণ করে করদাতাদের মধ্যে ভয় ভীতি সৃষ্টি করা। এরপর করদাতাদের সাথে যোগাযোগ করে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে পুনরায় তদন্তের সুযোগ সহ উর্ধতন কর্মকর্তা দের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন মারপ্যাচে কর কমিয়ে দেওয়া। এরপর দৃশ্যপটে আসেন সহকারী কর কর্মকর্তা মাহবুব আলম। তিনি এই কর কমানো বিল তার শাখা হতে প্রিন্ট করে তুলে দেন বাছিতের হাতে। বিনিময়ে হাতিয়ে নেয় বিপুল অর্থ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর আদায় শাখার মাঠ পর্যায়ের এক কর আদায়কারী জানান মাহবুব কর আদায় শাখার প্রধান না হলেও ঐ শাখায় তিনিই হর্তাকর্তা। তার নির্দেশ ছাড়া কর আদায় শাখার একটি ধুলিকনাও নড়েনা। যারা বাছিত ও মাহবুবের কথার অবাধ্য হয় তাদের উপর নেমে আসে নির্যাতন। অনেকেই তাদের রোষানলে পড়ে দ্বায়িত্ব বিহিন অবস্থায় কাজ করছেন। তিনি নিজেও তার রোষানলের শিকার জানিয়ে বলেন উর্ধতন মহলে এসব বিষয় জানিয়েও লাভ হয় না।

 

অনুসন্ধানে আব্দুল বাছিত ও মাহবুব আলমের এক ঘনিষ্টজন সূত্রে জানা যায়, আব্দুল বাছিত শুরুতে টাইপিষ্ট ও মাহবুব মাষ্টার রোলে কর আদায় শাখার আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ পায়। এ দুজনই শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে জাগির হিসেবে বাসা বাড়িতে থেকে ছাত্রদের পড়াত। কিন্তু সিটি করপোরেশনে চাকরী হওয়ার পর পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ। বাছিতের এক নিকট আত্মীয় জানান বাছিত দীর্ঘদিন তার বোনের বাসায় থাকত। এই অল্পদিনে সে বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক। বন্ধন – ই, ২৩/১, দারুস সালাম রোড, খাসদবির এলাকায় মনোয়ারা ভিলা নামে বিশাল প্রাসাদের মালিক সহ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভূসম্পত্তির মালিক। চাকরি করা অবস্থায় শেয়ার বাজারে বাছিত ও তার স্ত্রীর নামে রয়েছে বিশাল বিনিয়োগ। ঘাসিটুলা এলাকার সোহল নামে মাহবুবের এক ঘনিষ্টজন জানান। মাহবুব সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নিঃস্ব অবস্থায় ঐ এলাকায় এলে আমরা তাকে বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে ছাত্র পড়ানোর বিনিময়ে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেই। আশ্চর্যের বিষয় হল এ অল্প সময়ের ভিতরে আজ সে নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের দূর্বার ১১৯/ ৫, কলাপাড়ায় বিশাল ভবন সহ প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক। এছাড়া জানা যায় সুনামগঞ্জ তার গ্রামে রয়েছ জায়গা জমি সহ অনেক সম্পদ।

 

ভুক্তভোগীরা জানান চার সিন্ডিকেটে চলছে সিলেট সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ। প্রধান এসেসর আব্দুল বাছিত, তার শ্যালক এসেসর বাবলু বাছিতের গ্রামের বাড়ী জকিগঞ্জ এলাকার ভাই এসেসর কবির উদ্দিন চৌধুরী আর সহকারী কর কর্মকর্তা মো: মাহবুব আলম। এছাড়াও বাছিতের ভাতিজা…. সহ জকিগঞ্জ এলাকার অনেকেই একই বিভাগে কিভাবে নিয়োগ পায় তা নিয়ে অনেকেই বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন পরিবারতন্ত্র ও এলাকাতন্ত্রের কারণে এরা মিলেমিশে গড়ে তুলেছে দূর্নীতির আস্তানা। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান খান এসব বিষয়ে জোর দৃষ্টি দেয়ার প্রয়োজন হলেও তিনি এসব বিষয়ে নির্বিকার থাকায় তারা দূর্নীতির বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। রাজস্ব বিভাগের মত এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এসব দূর্নীতিবাজরা পরিবারতন্ত্র কায়েম করায় সিটি কর্পোরেশন বিপুল রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসেসমেন্ট ও কর আদায় শাখার সমন্বয়ে রাজস্ব বিভাগের এ পুকুর চুরির খবর এখন টক অব দি টাউন। সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের সময়ে তার সহকারী একান্ত সচিব শহীদ চৌধুরীর সাথে মিলে ঐ সময়ে এ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য। এসময় কোন কর দাতা সরাসরি মেয়রের কাছে তাদের হোল্ডিং করের সমস্যা নিয়ে দেখা করতে পারত না। তখন বাধ্য হয়ে করদাতাদের এ সিন্ডিকেটের দ্বারস্থ হতে হয়। এ সুযোগে শহীদ চৌধুরীর সাথে মিলে এ সিন্ডিকেট হাতিয়ে নেয় কয়েক কোটি টাকা। এসব বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসলে এসব দূর্নীতিবাজদের অপকর্মের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের সচিব আশিক নূরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিশ্বজিৎ দাস, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জাহিদুল ইসলাম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলী আকবর ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এ সিন্ডিকেটকে স্বপদে বহাল রেখে এসব তদন্ত সঠিক হবে না। অতীতেও বিভিন্ন দূর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন করা হলেও এ গুলো আলোর মুখ দেখেনি। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে অতীতের মত এরাও পার পেয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

জিরো থেকে হিরো সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান এসেসর আব্দুল বাছিত ও সহকারী কর কর্মকর্তা মাহবুব আলম 

Update Time : ০২:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

 

বিকাল বার্তাঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জন্ম থেকে মৃত্যু জীবনের প্রায় প্রতিটি কাজে নগরবাসীকে সিটি করপোরেশনের দ্বারস্থ হতে হয়। নগরবাসীর সেবায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিলেট সিটি করপোরেশনের সুনাম থাকলেও কিছু অসাধু ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সে সুনাম আজ ভূলন্টিত হতে চলেছে। তেমন দুজন কর্মকর্তা হচ্ছেন এসেসমেন্ট শাখার প্রধান এসেসর মোঃ আব্দুল বাছিত ও কর আদায় শাখার সহকারী কর কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম। তাদের অলিখিত জুটির দূর্নীতির ফিরিস্তি নগর ভবন পেরিয়ে সিলেট মহানগরীতে ছড়িয়ে পড়েছে। নগর ভবন সূত্রে জানা যায় আব্দুল বাছিতের কাজ হল তার শাখার মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের দিয়ে বিশাল অংকের কর নির্ধারণ করে করদাতাদের মধ্যে ভয় ভীতি সৃষ্টি করা। এরপর করদাতাদের সাথে যোগাযোগ করে অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে পুনরায় তদন্তের সুযোগ সহ উর্ধতন কর্মকর্তা দের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন মারপ্যাচে কর কমিয়ে দেওয়া। এরপর দৃশ্যপটে আসেন সহকারী কর কর্মকর্তা মাহবুব আলম। তিনি এই কর কমানো বিল তার শাখা হতে প্রিন্ট করে তুলে দেন বাছিতের হাতে। বিনিময়ে হাতিয়ে নেয় বিপুল অর্থ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর আদায় শাখার মাঠ পর্যায়ের এক কর আদায়কারী জানান মাহবুব কর আদায় শাখার প্রধান না হলেও ঐ শাখায় তিনিই হর্তাকর্তা। তার নির্দেশ ছাড়া কর আদায় শাখার একটি ধুলিকনাও নড়েনা। যারা বাছিত ও মাহবুবের কথার অবাধ্য হয় তাদের উপর নেমে আসে নির্যাতন। অনেকেই তাদের রোষানলে পড়ে দ্বায়িত্ব বিহিন অবস্থায় কাজ করছেন। তিনি নিজেও তার রোষানলের শিকার জানিয়ে বলেন উর্ধতন মহলে এসব বিষয় জানিয়েও লাভ হয় না।

 

অনুসন্ধানে আব্দুল বাছিত ও মাহবুব আলমের এক ঘনিষ্টজন সূত্রে জানা যায়, আব্দুল বাছিত শুরুতে টাইপিষ্ট ও মাহবুব মাষ্টার রোলে কর আদায় শাখার আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ পায়। এ দুজনই শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে জাগির হিসেবে বাসা বাড়িতে থেকে ছাত্রদের পড়াত। কিন্তু সিটি করপোরেশনে চাকরী হওয়ার পর পেয়ে যায় আলাদিনের চেরাগ। বাছিতের এক নিকট আত্মীয় জানান বাছিত দীর্ঘদিন তার বোনের বাসায় থাকত। এই অল্পদিনে সে বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক। বন্ধন – ই, ২৩/১, দারুস সালাম রোড, খাসদবির এলাকায় মনোয়ারা ভিলা নামে বিশাল প্রাসাদের মালিক সহ শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ভূসম্পত্তির মালিক। চাকরি করা অবস্থায় শেয়ার বাজারে বাছিত ও তার স্ত্রীর নামে রয়েছে বিশাল বিনিয়োগ। ঘাসিটুলা এলাকার সোহল নামে মাহবুবের এক ঘনিষ্টজন জানান। মাহবুব সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নিঃস্ব অবস্থায় ঐ এলাকায় এলে আমরা তাকে বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে ছাত্র পড়ানোর বিনিময়ে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেই। আশ্চর্যের বিষয় হল এ অল্প সময়ের ভিতরে আজ সে নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের দূর্বার ১১৯/ ৫, কলাপাড়ায় বিশাল ভবন সহ প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক। এছাড়া জানা যায় সুনামগঞ্জ তার গ্রামে রয়েছ জায়গা জমি সহ অনেক সম্পদ।

 

ভুক্তভোগীরা জানান চার সিন্ডিকেটে চলছে সিলেট সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ। প্রধান এসেসর আব্দুল বাছিত, তার শ্যালক এসেসর বাবলু বাছিতের গ্রামের বাড়ী জকিগঞ্জ এলাকার ভাই এসেসর কবির উদ্দিন চৌধুরী আর সহকারী কর কর্মকর্তা মো: মাহবুব আলম। এছাড়াও বাছিতের ভাতিজা…. সহ জকিগঞ্জ এলাকার অনেকেই একই বিভাগে কিভাবে নিয়োগ পায় তা নিয়ে অনেকেই বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন পরিবারতন্ত্র ও এলাকাতন্ত্রের কারণে এরা মিলেমিশে গড়ে তুলেছে দূর্নীতির আস্তানা। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান খান এসব বিষয়ে জোর দৃষ্টি দেয়ার প্রয়োজন হলেও তিনি এসব বিষয়ে নির্বিকার থাকায় তারা দূর্নীতির বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। রাজস্ব বিভাগের মত এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এসব দূর্নীতিবাজরা পরিবারতন্ত্র কায়েম করায় সিটি কর্পোরেশন বিপুল রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসেসমেন্ট ও কর আদায় শাখার সমন্বয়ে রাজস্ব বিভাগের এ পুকুর চুরির খবর এখন টক অব দি টাউন। সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের সময়ে তার সহকারী একান্ত সচিব শহীদ চৌধুরীর সাথে মিলে ঐ সময়ে এ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য। এসময় কোন কর দাতা সরাসরি মেয়রের কাছে তাদের হোল্ডিং করের সমস্যা নিয়ে দেখা করতে পারত না। তখন বাধ্য হয়ে করদাতাদের এ সিন্ডিকেটের দ্বারস্থ হতে হয়। এ সুযোগে শহীদ চৌধুরীর সাথে মিলে এ সিন্ডিকেট হাতিয়ে নেয় কয়েক কোটি টাকা। এসব বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসলে এসব দূর্নীতিবাজদের অপকর্মের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের সচিব আশিক নূরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিশ্বজিৎ দাস, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জাহিদুল ইসলাম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলী আকবর ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এ সিন্ডিকেটকে স্বপদে বহাল রেখে এসব তদন্ত সঠিক হবে না। অতীতেও বিভিন্ন দূর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন করা হলেও এ গুলো আলোর মুখ দেখেনি। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে অতীতের মত এরাও পার পেয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।