
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ-
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অভিযান
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ-
খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ ২৭ আগস্ট বুধবার সকালে রাঙামাটি জেলার দুদকের সহকারী পরিচালক আহমেদ ফরহাদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, হটলাইন ১০৬- এ প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে খাগড়াছড়ি জেলার সদর উপজেলা কৃষি অফিস অধিদপ্তর এবং জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করা সময় কৃষি বীজ ও সার-সরঞ্জাম বিতরণ প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, কর্মশালার বাজেটের টাকা আত্মসাৎ এবং ধান কাটার মেশিনসহ কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগ অনুযায়ী কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিক ভাবে বিতরণ না করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে কিছু কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান হয়েছেন। এ ছাড়া কৃষি বীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রশিক্ষণ নামে সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানা।এ বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক আহমেদ ফরহাদ সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে আমরা সরেজমিনে খোঁজ নিয়েছি। তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের বরাবর জমা দেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ সময় দুদক কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও রেকর্ডপত্র খতিয়ে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেন। তবে অভিযানের সময় কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়া মনে করছে, এ ধরনের অভিযান দুর্নীতি দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সরকারি সেবার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ ২৭ আগস্ট বুধবার সকালে রাঙামাটি জেলার দুদকের সহকারী পরিচালক আহমেদ ফরহাদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, হটলাইন ১০৬- এ প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে খাগড়াছড়ি জেলার সদর উপজেলা কৃষি অফিস অধিদপ্তর এবং জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করা সময় কৃষি বীজ ও সার-সরঞ্জাম বিতরণ প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ, কর্মশালার বাজেটের টাকা আত্মসাৎ এবং ধান কাটার মেশিনসহ কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগ অনুযায়ী কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিক ভাবে বিতরণ না করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে কিছু কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান হয়েছেন। এ ছাড়া কৃষি বীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রশিক্ষণ নামে সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানা।এ বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক আহমেদ ফরহাদ সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে আমরা সরেজমিনে খোঁজ নিয়েছি। তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের বরাবর জমা দেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ সময় দুদক কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও রেকর্ডপত্র খতিয়ে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেন। তবে অভিযানের সময় কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্থানীয়া মনে করছে, এ ধরনের অভিযান দুর্নীতি দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সরকারি সেবার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
Reporter Name 






















