বাংলাদেশ ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পূর্ণবাসন চলছে, কোন আওয়ামী লীগ কর্মী থাকলে যোগাযোগ করুন। পর্ব ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৭ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার:

যারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছিলেন, বর্তমানে তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রতি এক ধরনের সমঝোতার মনোভাব দেখা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যেমন ঝালকাঠির নলছিটির উপজেলার দবদপিয়া ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রলীগের নেতা বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি রিমন, তানভীরকে পূর্ণবাসন করেছেন একসময়ের ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন বর্তমানে রিমন পূর্বের মায়া টানে দবদপিয়ার ডিগ্রী কলেজের তানভীরকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে চাঁদাবাজির মহা উৎসবে মেতে উঠেছে।

 

 

 

 

জানা গেছে রিমনের বাবা ২০০১ সালে বিএনপি নেতা ছিলেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বাবা শাহজাহান আকন আমির হোসেন আম্মুর হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগের যোগদান করেন। তার আপন চাচা মহিউদ্দিন আকন নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত আছেন রিমনের আপন চাচাতো ভাই সাদ্দাম আকন দবদপিয়া ইউনিয়ন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। তার মেজ চাচা আলম আকন দবদপিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

 

 

 

রিমনের আরেক চাচা ফরিদ আকন ৫ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি তাদের অত্যাচার এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে বিচারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি’র নাম বিক্রি করে এমন কোন অপকর্ম নাই যা এই পরিবার করে না বলে জানা যায়।

 

 

 

 

থানা বিএনপি ও জেলা বিএনপি’র কোন কোন নেতার বদৌলতে এখনো ”স” পদে টিকেয়ে আছেন স্বৈরাচার সরকারের কর্মীরা । রিমনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ধর্ষণ মোটরসাইকেল চুরি ছিনতাই চর দখল সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে, রিমনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র নেতাদেরকে অভিযোগ দেওয়া রয়েছে।

 

 

 

 

জানা যায় রিমন তার ধর্ম বোনের পঙ্গু মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তার মা সালেহা বেগমকে অভিযোগ করলে সালেহা বেগম তার ধর্ম বোনকে ৫০০ টাকা দিয়ে সান্ত্বনা দিয়ে আসেন, বিষয়টি এক সময় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। জানা যায় বর্তমান অবস্থায় কোন মহা শক্তি বলে রিমন এখনো টেকিয়ে আছে এলাকাবাসী জানতে চায়।

 

 

 

এলাকাবাসী আরো জানিয়েছেন রিমন এক এক করে ৬টি বিবাহ করেন বর্তমানে এক স্ত্রী নিয়ে সংসার করছেন, রিমন ৫টি মেয়ের জীবন নষ্ট করেছেন বলে জানা যায়।

 

 

রিমন সরকারি সোলার লাইট খাম্বাসহ চুরি করে নিজের মাছের প্রজেক্টে লাগিয়ে দেন, পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা পাইলে এখনো কোনো আইনগত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেননি বলে জানা গেছে।

 

 

রিমনের বিরুদ্ধে বিএনপি’র জেলা সদস্য সচিব এডভোকেট শাহাদাত হোসেনের কাছে একাধিক অভিযোগ করলেও কোন বিচার পাননি এলাকার নেতাকর্মীরা, তদন্তকালে জানা যায় এডভোকেট শাহাদাত নিজেও একজন ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

ঝালকাঠিতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পূর্ণবাসন চলছে, কোন আওয়ামী লীগ কর্মী থাকলে যোগাযোগ করুন। পর্ব ২

Update Time : ০৮:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টার:

যারা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ছিলেন, বর্তমানে তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রতি এক ধরনের সমঝোতার মনোভাব দেখা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যেমন ঝালকাঠির নলছিটির উপজেলার দবদপিয়া ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রলীগের নেতা বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি রিমন, তানভীরকে পূর্ণবাসন করেছেন একসময়ের ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন বর্তমানে রিমন পূর্বের মায়া টানে দবদপিয়ার ডিগ্রী কলেজের তানভীরকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বানিয়ে চাঁদাবাজির মহা উৎসবে মেতে উঠেছে।

 

 

 

 

জানা গেছে রিমনের বাবা ২০০১ সালে বিএনপি নেতা ছিলেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বাবা শাহজাহান আকন আমির হোসেন আম্মুর হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে আওয়ামী লীগের যোগদান করেন। তার আপন চাচা মহিউদ্দিন আকন নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত আছেন রিমনের আপন চাচাতো ভাই সাদ্দাম আকন দবদপিয়া ইউনিয়ন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। তার মেজ চাচা আলম আকন দবদপিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

 

 

 

রিমনের আরেক চাচা ফরিদ আকন ৫ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি তাদের অত্যাচার এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে বিচারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি’র নাম বিক্রি করে এমন কোন অপকর্ম নাই যা এই পরিবার করে না বলে জানা যায়।

 

 

 

 

থানা বিএনপি ও জেলা বিএনপি’র কোন কোন নেতার বদৌলতে এখনো ”স” পদে টিকেয়ে আছেন স্বৈরাচার সরকারের কর্মীরা । রিমনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ধর্ষণ মোটরসাইকেল চুরি ছিনতাই চর দখল সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে, রিমনের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র নেতাদেরকে অভিযোগ দেওয়া রয়েছে।

 

 

 

 

জানা যায় রিমন তার ধর্ম বোনের পঙ্গু মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তার মা সালেহা বেগমকে অভিযোগ করলে সালেহা বেগম তার ধর্ম বোনকে ৫০০ টাকা দিয়ে সান্ত্বনা দিয়ে আসেন, বিষয়টি এক সময় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। জানা যায় বর্তমান অবস্থায় কোন মহা শক্তি বলে রিমন এখনো টেকিয়ে আছে এলাকাবাসী জানতে চায়।

 

 

 

এলাকাবাসী আরো জানিয়েছেন রিমন এক এক করে ৬টি বিবাহ করেন বর্তমানে এক স্ত্রী নিয়ে সংসার করছেন, রিমন ৫টি মেয়ের জীবন নষ্ট করেছেন বলে জানা যায়।

 

 

রিমন সরকারি সোলার লাইট খাম্বাসহ চুরি করে নিজের মাছের প্রজেক্টে লাগিয়ে দেন, পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা পাইলে এখনো কোনো আইনগত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেননি বলে জানা গেছে।

 

 

রিমনের বিরুদ্ধে বিএনপি’র জেলা সদস্য সচিব এডভোকেট শাহাদাত হোসেনের কাছে একাধিক অভিযোগ করলেও কোন বিচার পাননি এলাকার নেতাকর্মীরা, তদন্তকালে জানা যায় এডভোকেট শাহাদাত নিজেও একজন ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।