বাংলাদেশ ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীরগঞ্জে জাল সার্টিফিকেটে শিক্ষকতা অভিযোগের তদন্ত শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৩ Time View

 

শেখ সাইদুল আলম সাজু, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ 

দৈনিক আমার দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টায় জাল জালিয়াতি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার অভিযোগের তদন্ত শুরু।

 

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার পর অবশেষে ধরাশায়ী কবিরাহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জীববিদ্যা বিভাগ মোঃ রফিকুল ইসলাম।

 

ইংরেজি ২০০২ সালে চাকুরীতে যোগদান ২০০৪ সালে এমপিও ভুক্তি, ইনডেক্স নম্বর: ১০০২৩৫৮.

 

তার বিএড সার্টিফিকেট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৫-০৬ সাল, কলেজ কোড-৩২৪৪. রোল নম্বর: ৬১৪৪৮৭. রেজিষ্ট্রেশন: ৯৯৪৭৩৩. ফলাফল: অকৃতকার্য দাখিল করা হয়। শিক্ষক উচ্চতর স্কেলে বেতন-ভাতা ভোগ করেন।

 

অডিটে নিয়ম বহির্ভূত উচ্চতর স্কেলে অতিরিক্ত টাকা নেয়ায় আপত্তি হলে মন্ত্রনালয় উক্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২৪০ টাকা চালানের মাধ্যমে কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

জাল জালিয়াতি এবং ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরির ঘটনাটি ছাত্রীর বাবা ভোলানাথপুর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে আনোয়ার হোসেন লিখিত ভাবে জেলা শিক্ষা অফিস এবং দুদক দিনাজপুর কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।

 

দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মাধ্যমিক খন্দকার মোঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ গত ১৪ আগস্ট বীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ কে প্রধান, জেলা অফিসের সহকারি পরিদর্শক শামসুজ্জামান ও মাহাবুব সেলিম সহ ৩ (তিন) সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত টিম গঠন করে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন।

 

প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি তদন্তের কথা স্বীকার করেছেন।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে জানান পরবর্তীতে ২০০৭ সালে শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি থেকে তার নামীয় বিএড সার্টিফিকেট দাখিল করেছেন।

 

অভিযোগকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন তদন্ত গোরিমশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তদন্তকারী অফিসারেরা দেরিতে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নিব।

 

তদন্তকারী টিম প্রধান উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ-এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ও দিক নির্দেশনায় তদন্ত চলছে।

 

প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ডকুমেন্ট এবং তথ্যাদি সংগ্রহ, অভিযোগকারী, অভিযুক্ত শিক্ষকসহ অন্যান্যদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

বীরগঞ্জে জাল সার্টিফিকেটে শিক্ষকতা অভিযোগের তদন্ত শুরু

Update Time : ০৫:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

শেখ সাইদুল আলম সাজু, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ 

দৈনিক আমার দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টায় জাল জালিয়াতি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার অভিযোগের তদন্ত শুরু।

 

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার পর অবশেষে ধরাশায়ী কবিরাহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জীববিদ্যা বিভাগ মোঃ রফিকুল ইসলাম।

 

ইংরেজি ২০০২ সালে চাকুরীতে যোগদান ২০০৪ সালে এমপিও ভুক্তি, ইনডেক্স নম্বর: ১০০২৩৫৮.

 

তার বিএড সার্টিফিকেট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৫-০৬ সাল, কলেজ কোড-৩২৪৪. রোল নম্বর: ৬১৪৪৮৭. রেজিষ্ট্রেশন: ৯৯৪৭৩৩. ফলাফল: অকৃতকার্য দাখিল করা হয়। শিক্ষক উচ্চতর স্কেলে বেতন-ভাতা ভোগ করেন।

 

অডিটে নিয়ম বহির্ভূত উচ্চতর স্কেলে অতিরিক্ত টাকা নেয়ায় আপত্তি হলে মন্ত্রনালয় উক্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২৪০ টাকা চালানের মাধ্যমে কোষাগারে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

জাল জালিয়াতি এবং ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরির ঘটনাটি ছাত্রীর বাবা ভোলানাথপুর গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে আনোয়ার হোসেন লিখিত ভাবে জেলা শিক্ষা অফিস এবং দুদক দিনাজপুর কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।

 

দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মাধ্যমিক খন্দকার মোঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ গত ১৪ আগস্ট বীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ কে প্রধান, জেলা অফিসের সহকারি পরিদর্শক শামসুজ্জামান ও মাহাবুব সেলিম সহ ৩ (তিন) সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত টিম গঠন করে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন।

 

প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি তদন্তের কথা স্বীকার করেছেন।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে জানান পরবর্তীতে ২০০৭ সালে শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি থেকে তার নামীয় বিএড সার্টিফিকেট দাখিল করেছেন।

 

অভিযোগকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন তদন্ত গোরিমশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তদন্তকারী অফিসারেরা দেরিতে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নিব।

 

তদন্তকারী টিম প্রধান উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ-এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ও দিক নির্দেশনায় তদন্ত চলছে।

 

প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ডকুমেন্ট এবং তথ্যাদি সংগ্রহ, অভিযোগকারী, অভিযুক্ত শিক্ষকসহ অন্যান্যদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।