বাংলাদেশ ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম নেই সিলেটের গোয়াইনঘাট ১১ ব্যক্তির শীকৃতি পেতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারকলিপি 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৫ Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেটে জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম না থাকার অভিযোগ করে অন্তর্ভুক্তি করতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার নিহতের স্বজন ও আহতরা ।

 

সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম এর সাথে দেখা করে তাদের নাম জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এসময় জেলা প্রশাসক তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। তিনি বিষয়টি গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন বলে তাদের আশ্বস্থ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত সুমন মিয়ার পিতা- আব্দুল নুর বিলাল, নিহত শাহিদুর রহমান এর পিতা- উসমান আলী, নিহত সিয়াম আহমদ এর মাতা- শিরিনা, আহত আনোয়ার হোসেন, বাহার উদ্দিন, মামুনুর রশীদ, ইদ্রিছ আলী, আরিফ, জুবের আহমদ, ছালেহ আহমদ ও সুলতান।

 

উল্লেখ্য ২০২৪ইং সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে গোয়াইনঘাট উপজেলার ২নং পশ্চিম জাফলং ও ১২ নং সদর ইউনিয়নের ২০০/৩০০ লোক বিকালে আনন্দ মিছিল বের করে গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সোনার হাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে গেলে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা এবং কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে উপজেলার ১২ নং সদর ইউনিয়নের ফেনাইকোনা গ্রামের আব্দুল নুর বিলালের পুত্র সুমন মিয়া, ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের উসমান আলীর পুত্র সাহিদুর রহমান ও একই ইউনিয়নের পান্তুমাই গ্রামের ফখর উদ্দিন এর পুত্র

সিয়াম আহমদ নিহত হয়। ঐ ঘটনায় অনেকেই আহত হয়ে পঙ্গু অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এসময় উপস্থিত অন্যরা নিহত এবং আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। মেডিকেলের কাজ শেষে নিহতদের দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় আর আহতদের চিকিৎসা চলে। পরবর্তীতে নিহত সুমনের পিতা আব্দুল নুর বিলাল বাদী হয়ে সিলেট আমলী আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং গোয়াইনঘাট জি আর ১৯১/ ২০২৪ ইং।

 

নিহত ও আহতদের স্বজনরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করলেও বিগত ১৪ মাসেও এই ১১ জনের নাম সরকারের কোন তালিকায় স্থান পায়নি। তাই নিহতদের স্বজন ও আহতরা জুলাই যোদ্ধার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে নবাগত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম এর সাথে দেখা করে স্মারকলিপি দিয়েছেন। শুধু তাইনা আহতরা দাবী করেন আজ পর্যন্ত তারা সরকার থেকে চিকিৎসা বাবদ তারা কোন সহযোগিতা পায়নি। জেলা প্রশাসক স্মারকলিপি পেয়ে তাদের আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টি তিনি গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম নেই সিলেটের গোয়াইনঘাট ১১ ব্যক্তির শীকৃতি পেতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারকলিপি 

Update Time : ০১:৫২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেটে জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম না থাকার অভিযোগ করে অন্তর্ভুক্তি করতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার নিহতের স্বজন ও আহতরা ।

 

সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দুপুর ২.০০ ঘটিকার সময় সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম এর সাথে দেখা করে তাদের নাম জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এসময় জেলা প্রশাসক তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। তিনি বিষয়টি গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন বলে তাদের আশ্বস্থ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত সুমন মিয়ার পিতা- আব্দুল নুর বিলাল, নিহত শাহিদুর রহমান এর পিতা- উসমান আলী, নিহত সিয়াম আহমদ এর মাতা- শিরিনা, আহত আনোয়ার হোসেন, বাহার উদ্দিন, মামুনুর রশীদ, ইদ্রিছ আলী, আরিফ, জুবের আহমদ, ছালেহ আহমদ ও সুলতান।

 

উল্লেখ্য ২০২৪ইং সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে গোয়াইনঘাট উপজেলার ২নং পশ্চিম জাফলং ও ১২ নং সদর ইউনিয়নের ২০০/৩০০ লোক বিকালে আনন্দ মিছিল বের করে গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সোনার হাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে গেলে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা এবং কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে উপজেলার ১২ নং সদর ইউনিয়নের ফেনাইকোনা গ্রামের আব্দুল নুর বিলালের পুত্র সুমন মিয়া, ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের উসমান আলীর পুত্র সাহিদুর রহমান ও একই ইউনিয়নের পান্তুমাই গ্রামের ফখর উদ্দিন এর পুত্র

সিয়াম আহমদ নিহত হয়। ঐ ঘটনায় অনেকেই আহত হয়ে পঙ্গু অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এসময় উপস্থিত অন্যরা নিহত এবং আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। মেডিকেলের কাজ শেষে নিহতদের দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় আর আহতদের চিকিৎসা চলে। পরবর্তীতে নিহত সুমনের পিতা আব্দুল নুর বিলাল বাদী হয়ে সিলেট আমলী আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং গোয়াইনঘাট জি আর ১৯১/ ২০২৪ ইং।

 

নিহত ও আহতদের স্বজনরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে জুলাই যোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করলেও বিগত ১৪ মাসেও এই ১১ জনের নাম সরকারের কোন তালিকায় স্থান পায়নি। তাই নিহতদের স্বজন ও আহতরা জুলাই যোদ্ধার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে নবাগত জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম এর সাথে দেখা করে স্মারকলিপি দিয়েছেন। শুধু তাইনা আহতরা দাবী করেন আজ পর্যন্ত তারা সরকার থেকে চিকিৎসা বাবদ তারা কোন সহযোগিতা পায়নি। জেলা প্রশাসক স্মারকলিপি পেয়ে তাদের আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টি তিনি গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।