
স্টাফ রিপোর্টার: দেশি–বিদেশি পাচারকারী ও নারী পুরুষ ভুক্তভোগী রাজধানীতে আছেন সেই প্রতারিত বিদেশগামী যাত্রীরা। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় পাচারকারী চক্রের গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে তার অফিস নয়া পল্টনে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই কালে উদ্ধার করেছে ভুক্তভোগীরা । চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে। চক্রের বাকি সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় সরিয়ে ছিটিয়ে আছে।
বিদেশে পাঠানোর নামে এক আদম বেপারীর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার নাম আবুল কালাম আজাদ প্রোপাইটার বৃষ্টি ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিজম পিতার নাম: তাজুল ইসলাম মজুমদার মাতার নাম: পারভীন বেগম । তার গ্রামের বাড়ি পালাখাল উপজেলা কচুয়া জেলা: চাঁদপুর
শীর্ষ প্রতারক আদম বেপারী ১১৬, হোসেন টাওয়ার (১১ তলা), বক্স কালভার্ট রোড, নয়া পল্টন, ঢাকা-১০০০ উক্ত ঠিকানা থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিস পরিবর্তন করেন উপরের অফিসের ঠিকানা ছেড়ে দিয়েছেন তার ইচ্ছা ছিল ঠিকানা পরিবর্তন করলে অনেকেই খুঁজে পাবে না। শীর্ষ প্রতারক আদম বেপারী আবুল কালাম আজাদ। ভুক্তভোগীরা কোন না কোন ভাবেই তার বর্তমান ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন পুরানা পল্টন নোয়াখালী টাওয়ারের পাশে বর্তমান ঠিকানা রবিন টাওয়ার লিফটে ৩ পুরানা পল্টন ঢাকা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে লোক পাঠানোর কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নে অনেকেই জমিজমা, স্বর্ণালংকার, গরু-বাছুর বিক্রি করে আবুল কালাম আজাদ হাতে টাকা তুলে দেন। কিন্তু তাদের কাজ না হওয়ায় এক সময় তারা বুঝতে পারেন তারা ভুল মানুষকে টাকা প্রদান করেছেন। আবুল কালাম আজাদ প্রতারক এবং মিথ্যাবাদী মানব পাচারকারী সক্রিয় চক্রের সদস্য। নানা টালবাহানায় কালক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি। তারা বিরক্ত হয়ে আবুল কালাম আজাদের কাছে দেয়া টাকা ফেরত চাইলে তিনি তারিখের পর তারিখ দিয়ে তাদের হয়রানি করেন।
আবুল কালাম আজাদ আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী লীগ, পরিচয় দিয়ে থাকেন বিএনপির সময় বিএনপি, ভয়ংকর প্রতারক মানুষকে বুঝাতে তার কাছে ৫ মিনিটও লাগেনা কোটি কোটি টাকার ইনকামের স্বপ্ন দেখান আমেরিকা লন্ডন নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে পাঠানোর লোভ লালসা দেখি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা সর্বসন্ত করছে গ্রামে থাকার পরিবার, আশা কখনোই পূরণ হচ্ছে না বিদেশগামী যাত্রীদের।
বিদেশে উচ্চ বেতনে কাজের আশায় আদম ব্যাপারী কে টাকা দিয়ে বহু পরিবার প্রতারিত হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন জানা গেছে, প্রতারক চক্র আবুল কালাম আজাদ বিদেশ পাঠানোর নামে মানুষের কাছে টাকা নিয়ে চাঁদপুর কচুয়ায় বিলাসবহুল বাড়ি করেছেন। বিদেশে পাঠানোর জন্য দালাল আবুল কালাম আজাদ ইউরোপে পাঠানোর জন্য হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা ।
দুই মাসের মধ্যে বিদেশে নেয়ার কথা থাকলেও কেউই যেতে পারেননি। এতে তাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। শতাধিক মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়ে আবুল কালাম আজাদ উধাও হওয়ার চেষ্টা করেছেন এই প্রতারকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাকে শতাধিক যুবক অভিযোগ রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। শীর্ষ প্রতারক আদম বেপারী আবুল কালাম আজাদ বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতার ভাতিজা পরিচয় দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা এবং পাওনাদেরকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন বলে জানা গেছে ।
এ বিষয়ে জানতে আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও রিসিভ করেননি।অভিযুক্ত ব্যক্তি আবুল কালাম আজাদকে মতিঝিলের রাস্তায় পাওয়া গেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভুক্তভোগী ব্যক্তির তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় প্রতারক আদম বেপারী আবুল কালাম আজাদ টাকা দেওয়ার স্বীকার করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর কচুয়া উপজেলার পালাখাল গ্রামের মৃত: তাজুল ইসলামের ছেলে আবুল কালাম আজাদ এলাকায় একজন চিহ্ণিত আদম ব্যাপারী হিসেবে পরিচিত। সে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকার লোকজন কে প্রলুদ্ধ করে, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। কিন্তু তিনি টাকা আত্মসাৎ করলেও একজনকেও বিদেশে পাঠাতে পারেননি মর্মে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। টাকা দেয়ার পর অভিযোগকারীরা নিজ খরচে ঢাকায় বিভিন্ন নিয়ে আসে তাদের কে মেডিক্যাল করানো হয়।
এরপর ধরিয়ে দেয়া হয় ভূয়া ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও বিমানের টিকেট। কিন্ত ঘটনার অধিক সময় ধরে বিদেশে যেতে না পেরে সম্প্রতি তারা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এসব ডুকুমেন্ট সবই জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে। এ কারণে প্রতিকার চেয়ে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। আবুল কালাম আজাদের নিজের কোন প্রবাসী পাঠানোর লাইসেন্স নেই শুধু আছে তার ট্রেড লাইসেন্স। অন্যের লাইসেন্স নাম ব্যবহার করে চলছে প্রতারণার বাণিজ্য।
শীর্ষ প্রতারক আবুল কালাম আজাদকে সাপোর্ট দিচ্ছেন বিএনপি’র কিছু কর্মীরা, তাদের নিজের পকেট ভারি করার জন্য সার্বিক সহযোগিতায় করে আসছেন বলে জানা গেছে। আবুল কালাম আজাদের কাছে টাকা চাইতে গেলে বিএনপি’র কিছু কর্মীকে দিয়ে হুমকি-ধুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীরা বলেন স্বপ্নের আমেরিকা লন্ডন যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে আমরা প্রতারক চক্র আবুল কালাম আজাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি এবং টাকা ফেরত দিতে হবে অভিযোগকারীরা আরও বলেন বর্তমান তত্ত্ববোধক সরকারের কাছে আমাদের দাবি সেনাবাহিনী দ্বারা মানব পাচারকারীর সকলকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। এই মানব পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে হাজার হাজার পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দিবেন, অনেকের জমিজমা বাড়ি ঘর বিক্রি করে সর্ব শান্ত করেছেন আদম বেপারী প্রতারক চক্র আবুল কালাম আজাদ।
Reporter Name 


















