
ঢাকার মতিঝিলের রাজনীতির অবস্থা বেহাল দশা কেউ স্বার্থের জন্য রাজনীতি করে সামনে আসলে আতরের সুগন্ধি দেয়, পিছনে সরে গেলে রাস্তার নুর্দমা ছুরে মারেতে চায়। ঠিক এমনই অবস্থা বিএনপি’র রাজনীতির দলের অঙ্গ সংগঠনগুলো।
১৪ তারিখ সন্ধ্যায় মতিঝিলের দুইজন বিএনপি’র কর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। আমাকে ফোন করে অফিস থেকে নামতে বলেন আমি ঠিক তাদের কথা শুনে অফিস থেকে নিচে নামিয়ে আসি। এসে দেখি ২০,২৫ জন লোক তারা একটি আদরের পক্ষ নিয়ে কিছু টাকার বিনিময় ভাড়ায় এসেছে, তাদের মধ্যে দুইজন আমার পরিচিত বিএনপি’র কর্মী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদেরকে ফোন দিয়ে ভাড়া এনেছেন এ কথা আমার কাছে স্বীকার করেছেন।
যে দুইজন বিএনপি’র কর্মীর সঙ্গে আমার দেখা হয় কথা হয়, এক পর্যায়ে আমাকে একটি কাগজের চিকুইড দেখান সেই কাগজে লেখা অনলাইন পত্রিকা সহ তিনটি পত্রিকার নাম আমি সাথে সাথে ছবি তুলে রাখি। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন আপনি এই পত্রিকা গুলি চেনেন নাকি তার প্রশ্নের জবাব আমি উত্তর দিলাম, না ভাই আমি চিনি না। আমি বললাম মতিঝিলের নর্দ্ধমায় আর পা দিতে চাই না । কারণ আমি অনেক সময় নষ্ট করেছি মতিঝিলের মাটিতে আর সেই সময় গুলো ফিরে পাবো না।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম এই কাগজটি কোথায় পাইলেন আপনি ভাই, কে দিয়েছে আপনাকে,উত্তরে বলেন আমি যে কোন মাধ্যমে পাইছি। আমি বললাম ও আচ্ছা ভাই। এগুলো আমাকে আর দেখাইয়েন না আমার আর ভালো লাগেনা এগুলো থেকে আমি দূরে সরে চলে যেতে চাই। আমি বললাম: বুঝলাম ভাই আমার মতন আরও সংবাদ কর্মী মতিঝিলে আছে তাহলে।
আমি মনে করি মতিঝিলে হয়তো গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে আমি আছি কিন্তু এখন চিকুইটে লেখা দেখে আমার মত আরও গণমাধ্যম কর্মী মতিঝিলের নিউজ বা সংবাদ পরিবেশন করেন, তাই আমি মনে মনে হাসি । আমি পাদ মারলে গন্ধ ছুটে আর অন্য পত্রিকায় নিউজ হলে সুগন্ধি ছুটে। মতিঝিলের দলীয় নদ্ধমা দেখে আমি এক প্রাকার ছেড়ে দিয়েছি।
দুইজনের একজন আমাকে প্রশ্ন করলেন: আপনি আর নিউজ করবেন না এই নিয়ে অনেক কানাকানি হচ্ছে কখন কি হয়ে যায় তা জানি না। রাজনৈতিক নেতারা পল্টিবাজ তারা এখন খাচ্ছে কর্মীদেরকে কিছুই দিচ্ছে না।
কর্মীরা আমাকে বলেন আমরা দলের জন্য কি করেছি দেখছেন না আপনি নিউজ করছেন না। আমি তাদের প্রশ্নের জবাবে বললাম হাঁ দেখেছি।
একজন কর্মী বলেন: বিএনপি’র কর্মীরাও পল্টিবাজ বিশেষ সূত্রে জানা যায় কর্মীরা নেতাদের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকেন। কর্মীরা বেশি কিছু পাওয়ার আশায় তারা নেতাদের পিছনে কাদা মারে অথবা অর্থের জন্য হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে এটাই বাস্তবতা কর্মীদের। কর্মী যদি নেতা হতে চায় তাহলে স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না।
একটি কথা যদিও খারাপ ভাষা: বলার আগে মহান আল্লাহতালার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, কথাটা হলো “”বাবা লাগে বাল ফালায় সেই দুইজন ভাড়ায় আশা কর্মী। মনে হচ্ছে তাদের অর্থের অনেক বেশি প্রয়োজন তাই দলের চিন্তা না করে খাওয়ার চিন্তাটাই বেশি তাদের জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে। ভাত সিদ্ধ না হতেই কাঁচায় খাইতে চান কর্মীরা এর মানে হল নির্বাচনের আগেই তারা চাঁদা চায়।
বিএনপি’র চাঁদাবাজির কথা তোলেন দুজন কর্মী তারা শুধু কর্মী নয় তারা আদমের টাকা দিবে না বলে ভাড়ায় আসেন তারা। যদি কোন ব্যক্তিকে মারতে হয় এবং টাকা না দিতে হয় তাহলে তারা ভাড়ায়ও আসেন। কর্মীরা কি প্রকৃতভাবে বিএনপির রাজনীতি করেন নাকি দলকে ভালোবাসেন, নাকি তারা কোন ব্যক্তি ফোন দিলে ভাড়ায় খাটেন, এটা কি বিএনপি’র কাজ প্রশ্ন আপনাদের কাছে।
কিছু কিছু কর্মীর জন্য আজকে বিএনপি’র বেহাল দশা নামিয়ে দিয়েছে অনেক ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছে, তার জন্য দায়ী নেতারা
সামনে বিএনপি’র জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যারা দলের সঙ্গে থেকে কাজ করতে পারবেন। তারা হয়তো দলের কিছু পথ-পদবী পেয়ে যাইতে পারেন, আন্দোলন,সংগ্রামী,মামলায়, হামলায়, বালিশ ছাড়া হয় যারা,পালিয়ে ছিলেন তারাই হলেন বিএনপির মূল কর্মী। আর যদি এখনই ভাত পাকানোর আগেই কাঁচা চাল খাইতে চান তাহলে মনে করবেন সেই কর্মী চাঁদাবাজ।
আমার কাছে একটি গোপনে ভিডিও করা ফুটেজ আছে যা কর্মীরা কি বলেছেন । আমি ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করতে চাই না। তারা কোন দলের অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছে?
লেখক
মোঃ সাইফুল ইসলাম।
চেয়ারম্যান
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন
কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা
চেয়ারম্যান
Channel 26 Ltd
Reporter Name 
























