বাংলাদেশ ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সম্মুখীন দেখা একাধিক হত্যা দেখে ভেঙে পড়েছেন সাংবাদিকরা 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯২ Time View

 

মোঃ মুজিবুর রহমান মল্লিক স্টাফ রিপোর্টার(বিকাল বার্তা পত্রিকা)

গণ,অভু ্যখানেরৃ দিনগুলোতে গুলি করে আট শতাধিক মানুষ তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার আহত করেছে প্রায় 14000 ছাত্র জনতা গণ, অভুঙ্খানে মাঠ পর্যায়ে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন সাংবাদিকেরা_দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে শহীদ হয় ৬ জন সাংবাদিক চোখের সামনে গুলিতে একের পর এক হত্যা রক্তাক্ত শরীর ও হাজারী দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন সাংবাদিকরা _

এদিকে জুলাই গণঅভুংকানের সবাই সারাদেশে ইন্টারনেট শাট ডাউন এর ফলে গণমাধ্যমগুলো অচলাবস্থায়ী মুখে পড়ে ওই সময়ে দেশে প্রায় দশ দিন মোবাইল ইন্টারনেট ও ৫ দিন ব্রড ব্যান্ড বন্ধ ছিল ইন্টারনেট না থাকায় সাংবাদিক,কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ যাচাই ও পাঠানোরসব প্রক্রিয়াতেই বাদ্যগ্রস্থ হন, বন্ধ থাকে জাতীয় ও স্থানীয় অনেক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, সময় মত প্রকাশিত হয়নি ছাপা সংস্করণ ও ফলে সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত সাহস্রাধিক সাংবাদিক, সম্পাদক প্রযোজক এবং কারিগরি কর্মী চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন,_

চারিদিকে যখন লাশ আর গুলির শব্দে আতঙ্ক বাড়তে থাকে মৃত হাতে নিয়েই রাজপথ থেকে অফিস নিয়ে এই থেকে অফিস কিংবা নিজো নিজো দায়িত্ব পালন করেন সাংবাদিক কর্মীরা,

প্রতিটি ক্ষণ যেন মৃত্যুর সঙ্গে অলিঙ্গন করেই পথ চলাচলের তাদের-গণ, অভুঙখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একাধিক ভাবে শহীদ হন

 

 

 

সাংবাদিক আবু তাহের) (মোহাম্মদ তুরাপ হাসান মেহেদী) প্রদীপ কুমার ভৌমিক মোঃ শাকিল হোসেন (পারভেজ) সোহেল আকঞ্জী ও তাহির জামান প্রিয়_

একাধিক সাংবাদিকরা জানিয়েছেন আন্দোলনে তৃণমূল উত্তেজনায় মধ্যে তথ্যের স্বাধীন প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াই পেশাগত দায়িত্ব পালনে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হিসাবে এসেছে _

কোন ধরনের অজানা আশঙ্কা আতঙ্কেই অনেকে মানসিকভাবে বিপয্যাস্ত হয়ে পড়েন অনেক সাংবাদিক শারীরিক অসুস্থতা ও অনুভব করেন

কিন্তু প্রকৃতিক খবর মানুষের কাছে পৌছাইতে পারিনি এমন বেদনা সাংবাদিকতার পেশার জীবনে আর কোনদিন পাইনি,_

ওই সময়ের অবস্থা করুণা মহামারির সময়ের মতোই মনে হচ্ছিল কোরোনার ভয় ছিল আক্রান্ত হওয়ার আর জুলাই মাসের ভয় ছিল কখন কোথা থেকে গুলি এসে এপোড় ওপড় করে দেই

সাংবাদিকতা পেশায় যে চরম ঝুকি এ চ্যালেঞ্জ ছিল তা জুলাই আন্দোলন না এলে বোঝা যেত না পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে নারকীয় ভূমিকা ছিল তা আজও চোখে ভাসে,সত্যের প্রকাশে অনেক সুনামি পেশাগত ভালো সাংবাদিক দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন অন্যায় দুর্নীতি অপকর্মের সবকিছুর একটা নিয়ম কানুন আছে দেশের মিডিয়া যখন শাটডাউনের কারণে সংবাদ প্রকাশ করতে পারেনি,তৎমুহুর্তে তখনী দেশের বাইরে থেকে আমাদের সংবাদ প্রকাশ করা হয়,

খুব অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে ছিলাম আমরা মনে হচ্ছিল কি অবস্থা থেকে আর এ অবস্থা থেকে আর মুক্তি নাই এর মাঝেই আমার সহকর্মীকে গোয়েন্দা সংস্থা তুলে নিয়ে যায় এতে উদ্যোগ আরো বাড়ে আমাদের নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে কবে তুলে নিয়ে যায় এটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয় তবুও সংবাদ প্রকাশে অটল ছিলাম

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সম্মুখীন দেখা একাধিক হত্যা দেখে ভেঙে পড়েছেন সাংবাদিকরা 

Update Time : ০৫:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মোঃ মুজিবুর রহমান মল্লিক স্টাফ রিপোর্টার(বিকাল বার্তা পত্রিকা)

গণ,অভু ্যখানেরৃ দিনগুলোতে গুলি করে আট শতাধিক মানুষ তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার আহত করেছে প্রায় 14000 ছাত্র জনতা গণ, অভুঙ্খানে মাঠ পর্যায়ে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন সাংবাদিকেরা_দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে শহীদ হয় ৬ জন সাংবাদিক চোখের সামনে গুলিতে একের পর এক হত্যা রক্তাক্ত শরীর ও হাজারী দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন সাংবাদিকরা _

এদিকে জুলাই গণঅভুংকানের সবাই সারাদেশে ইন্টারনেট শাট ডাউন এর ফলে গণমাধ্যমগুলো অচলাবস্থায়ী মুখে পড়ে ওই সময়ে দেশে প্রায় দশ দিন মোবাইল ইন্টারনেট ও ৫ দিন ব্রড ব্যান্ড বন্ধ ছিল ইন্টারনেট না থাকায় সাংবাদিক,কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ যাচাই ও পাঠানোরসব প্রক্রিয়াতেই বাদ্যগ্রস্থ হন, বন্ধ থাকে জাতীয় ও স্থানীয় অনেক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, সময় মত প্রকাশিত হয়নি ছাপা সংস্করণ ও ফলে সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত সাহস্রাধিক সাংবাদিক, সম্পাদক প্রযোজক এবং কারিগরি কর্মী চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন,_

চারিদিকে যখন লাশ আর গুলির শব্দে আতঙ্ক বাড়তে থাকে মৃত হাতে নিয়েই রাজপথ থেকে অফিস নিয়ে এই থেকে অফিস কিংবা নিজো নিজো দায়িত্ব পালন করেন সাংবাদিক কর্মীরা,

প্রতিটি ক্ষণ যেন মৃত্যুর সঙ্গে অলিঙ্গন করেই পথ চলাচলের তাদের-গণ, অভুঙখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একাধিক ভাবে শহীদ হন

 

 

 

সাংবাদিক আবু তাহের) (মোহাম্মদ তুরাপ হাসান মেহেদী) প্রদীপ কুমার ভৌমিক মোঃ শাকিল হোসেন (পারভেজ) সোহেল আকঞ্জী ও তাহির জামান প্রিয়_

একাধিক সাংবাদিকরা জানিয়েছেন আন্দোলনে তৃণমূল উত্তেজনায় মধ্যে তথ্যের স্বাধীন প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াই পেশাগত দায়িত্ব পালনে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হিসাবে এসেছে _

কোন ধরনের অজানা আশঙ্কা আতঙ্কেই অনেকে মানসিকভাবে বিপয্যাস্ত হয়ে পড়েন অনেক সাংবাদিক শারীরিক অসুস্থতা ও অনুভব করেন

কিন্তু প্রকৃতিক খবর মানুষের কাছে পৌছাইতে পারিনি এমন বেদনা সাংবাদিকতার পেশার জীবনে আর কোনদিন পাইনি,_

ওই সময়ের অবস্থা করুণা মহামারির সময়ের মতোই মনে হচ্ছিল কোরোনার ভয় ছিল আক্রান্ত হওয়ার আর জুলাই মাসের ভয় ছিল কখন কোথা থেকে গুলি এসে এপোড় ওপড় করে দেই

সাংবাদিকতা পেশায় যে চরম ঝুকি এ চ্যালেঞ্জ ছিল তা জুলাই আন্দোলন না এলে বোঝা যেত না পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে নারকীয় ভূমিকা ছিল তা আজও চোখে ভাসে,সত্যের প্রকাশে অনেক সুনামি পেশাগত ভালো সাংবাদিক দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন অন্যায় দুর্নীতি অপকর্মের সবকিছুর একটা নিয়ম কানুন আছে দেশের মিডিয়া যখন শাটডাউনের কারণে সংবাদ প্রকাশ করতে পারেনি,তৎমুহুর্তে তখনী দেশের বাইরে থেকে আমাদের সংবাদ প্রকাশ করা হয়,

খুব অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে ছিলাম আমরা মনে হচ্ছিল কি অবস্থা থেকে আর এ অবস্থা থেকে আর মুক্তি নাই এর মাঝেই আমার সহকর্মীকে গোয়েন্দা সংস্থা তুলে নিয়ে যায় এতে উদ্যোগ আরো বাড়ে আমাদের নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে কবে তুলে নিয়ে যায় এটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয় তবুও সংবাদ প্রকাশে অটল ছিলাম