
ইমরান সরকার:- পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের পূর্বের কমিটি বাতিল করে ১১ সদস্যের নবগঠিত কমিটি গঠন।
দীর্ঘ ২০ বছরের টানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের পূর্বের কমিটি বাতিল ঘোষণা করে অরবিন্দু সরকারকে সভাপতি ও রাসুদেব সরকারকে সাধারণ সম্পাদক ১১ সদস্যের নবগঠিত কমিটি গঠন করেছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে পৌরশহরের রাঙ্গামাটি মহাশ্মশান চত্ত্বরে এ কমিটি গঠন করা হয়। এসময় গ্রামের সর্বস্তরের নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
কমিটিততে আরো যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন, সন্তোষ চন্দ্র মহন্ত সহ-সভাপতি, শ্রী প্রভাত সরকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রঞ্জিত চন্দ্র সরকার কোষাধক্ষ্য, অপূর্ব কুমার রায় ধর্মীয় সম্পাদক, শ্রী রঞ্জিত চন্দ্র সরকার প্রচার সম্পাদক, সচল কুমার সরকার সাংগঠনিক সম্পাদক, উৎসব চন্দ্র ক্রীড়া সম্পাদক, কার্যকরী সদস্যদ্বয় হলেন- শ্রী মানিকচন্দ্র ও মনি চন্দ্র।
এর আগে গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান এর সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত সহ নানাবিধ অনিয়মের বিরুদ্ধে জনবিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ শ্মশান চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তারা বলেন, স্বর্গীয় নিরঞ্জন চন্দ্র (ভজা) ও অবিনাশ কর্মকারের অর্থায়নে রাঙ্গামাটি শ্মশানটি নির্মিত হয়। পরবর্তী সময়ে শ্মশানের দায়িত্বে আসেন শ্রী দীলিপ চন্দ্র সাহা। তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সভাপতি হিসেবে শ্মশানটি কুক্ষিগত করে রেখেছেন। তিনি শ্মশানের নামে প্রাপ্ত সরকারি-বেসরকারি অনুদানের হিসাব-নিকাশ দেন না। শ্মশানে দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন নেই। চলছে সীমাহীন দূর্ণীতি। জমিদাতাসহ এলাকার কারো সঙ্গে কোন ধারধারেন না। ফলে দীলিপ চন্দ্রকে শ্মশানে অবাঞ্চিত ঘোষণাসহ শীঘ্রই তরুণদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি উপহার দেবার ঘোষণা দেন বক্তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের নবগগঠিত কমিটি গঠিত হয়।
দায়িত্ব গ্রহণ করে নবগগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, এলাকার সর্বস্তরের সনাতন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল অনিয়ম দুর্নীতির উর্ধ্বে থেকে শ্মশানের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করে যাব।
Reporter Name 






















