
বরগুনা জেলা প্রতিনিধি”‘
আসন্ন ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে শুরু হয়েছে সরব রাজনৈতিক তৎপরতা। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা মাঠে নিষ্ক্রিয় থাকলেও বিএনপি, জামাত ও ইসলামি আন্দোলনের নেতারা এখন থেকেই গণসংযোগে ব্যস্ত।
স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়ে আসছে। তবে এবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় এ আসন দখলে নিতে মরিয়া বিএনপি ও ইসলামি দোল। হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে চলছে প্রার্থী ও দল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা।
বরগুনা-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে আমতলী ও তালতলীতে ২ লাখ ৯২ হাজার ১৩৩ জন, আর বরগুনা সদরে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৭৪১ জন ভোটার রয়েছে। পায়রা নদীর পূর্বপাড়ের ভোটার পশ্চিমপাড়ের চেয়ে প্রায় ২৬ হাজার বেশি। ফলে নদীপাড়ের ভোটই হতে পারে জয়-পরাজয়ের নির্ণায়ক ফ্যাক্টর।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান তালুকদার, অধ্যাপক অ্যাডভোকেট মজিদ মল্লিক, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম গাজী, তরুণ নেতা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন, এবং অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ তালুকদার। বরগুনা সদর উপজেলা থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা, কেন্দ্রীয় সহ-শ্রম সম্পাদক ফিরোজ-উজ জামান মামুন মোল্লা, অধ্যাপক ফজলুল হক মাষ্টার, হুমায়ুন হাসান শাহীন, অ্যাডভোকেট রেজবুল কবির ও মহিলা নেতা আসমা আজিজ।
জামায়াতে ইসলামী দল বরগুনা জেলা আমীর অধ্যাপক মহিবুল্লাহ হারুনকে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তারা ইতিমধ্যে মাঠে গণসংযোগ শুরু করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন দেয় নদীপাড়ের আমতলী বা তালতলী উপজেলা থেকে, তবে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ অংশ নিলে পুরো সমীকরণ পাল্টে যেতে পারে।
সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, যোগ্য, সৎ ও জনপ্রিয় প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারলে দীর্ঘদিনের আওয়ামী দুর্গ এবার ভাঙতে পারে বিএনপি ও ইসলামি দলের জোট।
Reporter Name 






















