
স্টাফ রিপোর্টার: ৫ই আগস্টের পর স্বৈরাচার সরকারের কর্মীরাও এখন বিএনপি,সমগ্র বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, ত্যাগী নেতারা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে,জেল,জুলুম, গুম,খুন,হত্যা সহ নানা অপরাধের শিকার হয়ে বাড়িছাড়া হয়েছিলেন বিএনপি’র ত্যাগী কর্মীরা।
বিএনপির নির্বাহী সদস্য বগুড়া- ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ২০০৮ সালের সংস্কারবাদী কাজী রফিকুল ইসলাম দলের সাথে বেইমানি করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের ব্যবসায়ীক পার্টনার ফায়দা লোটার ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে বিগত ১৫ বছরের কখনোই তাকে তার নিজ সংসদীয় আসন এলাকায় যাতায়াত ও যোগাযোগ করতে দেখা যায় নাই যদিও কোন সময় গেলেও জনগণের সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই বলে জানা যায় ।
আওয়ামী লীগের দোষরের সহযোগিতায় এই নেতা এবার বগুড়া- ১ আসন থেকে বিএনপি মনোনয়ন পেতে হাইকমান্ডে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন বলে জানা যায়। এলাকাতেও তার জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোঠায় একজন এলাকাবাসী বলেছেন এমন নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশার অপমান করা হবে।
বগুড়া ১ আসনে আওয়ামী লীগের দোসর মনোনয়ন প্রত্যাশী : কাজী রফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, কাজী রফিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দোসর নাসা গ্রুপের ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করেন বলে জানা যায়। ২০০৮ সালে এপ্রিল মাসে RANS Real Estate Limited নামে এ্যাপার্টমেন্ট ব্যবসার শুরু করেন। তিনি শুধু তাই নয় তার পরিবারেরও একজন সদস্যরাও ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে সূত্রে জানা যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি অঢেল সম্পদ মালিক বলে জানা গেছে । তার নিজ নির্বাচনীয় এলাকায় তেমন কিছুই জনগণের স্বার্থে উন্নয়ন করেনি বলে জানা গেছেন এমনকি ১৭ বছরে তার সংসদীয় এলাকাতে ও তাকে দেখা যায় নাই তার বিরুদ্ধে কোন রাজনৈতিক মামলাও হয়নি ।
নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর নজরুল ইসলাম মজুমদার বিদেশে তিনি অর্থ পাচার করেছেন, প্রায় ৭৮১কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্য আইল অফ ম্যান ,জার্সি ইত্যাদিতে তার নামে কয়েকটি বাড়ি এবং ব্যাংক একাউন্ট থাকার অপরাধে ২০২৪ সালে ২ অক্টোবর ঢাকা গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ।
বর্তমানে তিনি কারাগারে থাকায় নাসা গ্রুপের সকল ব্যবসায়ী পাওয়ার অফ এটর্নি নিয়ে সাবেক এই সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে বলে জানা গেছে । যার নথি রাজউকসহ বিভিন্ন দপ্তরের আছে । অনুসন্ধান করলে সত্যতা পাওয়া যাবে ।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে সুবিধা নেওয়ায় এই সুবিধাবাদী নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি প্রতিফলন ঘটবে না। সেই সাথে দলের ভরাডুবিরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়।
সোনাতলা এলাকায় বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান গত ১৭ বছরে এলাকাতে তাকে দেখা যায়নি তার মত স্বার্থপর লোভী ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগীকে মনোনয়ন দেওয়া হলে রাজনীতিকেও ব্যবসায় পরিণত হবে এবং এলাকার কোন উন্নয়ন হবে না, বিএনপির কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের কাছে এলাকাবাসী দাবি সঠিক প্রার্থী দেখে যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রার্থী ঘোষণা দিবেন।
Reporter Name 
























