
স্টাফ রিপোর্টার:
লিজ বাতিল করে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পাটকল পুনরায় চালু, সকল শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ, শ্রমিক নেতাদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার’সহ ৭ দফা দাবিতে যশোরের রাজঘাট শিল্প এলাকায় গতকাল ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকচল ৪ ঘটিকার সময় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, পাটকল ও পাটশিল্প পুনরুদ্ধার পর্ষদের সদস্য সচিব সামস সারফিন সামন।
শ্রমিক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের আহ্বায়ক জাকির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসেদ আলম শমসের, খালিশপুর জুট মিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির উদ্দিন মনি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন শেখ, এসডিপির সংগঠক দূর্জয় হালদার, ইস্টার্ন জুট মিলের শ্রমিকনেতা অলিয়ার রহমান, প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিকনেতা নুরুল ইসলাম, খালিশপুর জুট মিলের শ্রমিকনেতা আলমগীর কবির, ক্রিসেন্ট জুট মিলের শ্রমিকনেতা মোশাররফ হোসেন ও ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিকনেতা রাজ্জাক তালুকদার, ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ক্বাফী আনান ও সজীব, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী খুলনা মহানগর সদস্য ইয়াসির ও তাহামিদ’সহ আরও অন্যন্য নেতৃবৃন্দ।
শ্রমিক সমাবেশে বক্তারা বলেন, “তৎকালীন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা করোনাকালে রাতের অন্ধকারে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ২৬টি পাটকল একযোগে বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় থেকে শ্রমিকরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে এলেও তাদের ন্যায্য দাবি সরকার উপেক্ষা করেছে।”
তারা আরও বলেন, “জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে শ্রমিকরা আশা করেছিল পাটকলগুলো পুনরায় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পুরনো কায়দায় এসব মিল নামমাত্র মূল্যে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির হাতে লিজ দিচ্ছে। এতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় চলে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সময়ে এসব মিলে চুরি ও পাচারের ঘটনাও ঘটছে।”
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, “ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে যে অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, সেই অভ্যুত্থানের অন্যতম শক্তি ছিল শ্রমিক শ্রেণী। তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য।”
সমাবেশে বক্তারা সরকারকে পাটকলগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়ে বলেন, “রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পাটকল চালুর মাধ্যমে সোনালী আঁশের গৌরবময় ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।”
Reporter Name 






















