
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত খুলনা–১ (দাকোপ–বটিয়াঘাটা) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আল আমিন শেখ এলাকার দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন ও সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “এসব দাবি শুধু আমার ব্যক্তিগত প্রস্তাব নয়—এগুলো জনগণের অধিকার, জনগণের জীবন–সংকট থেকে উঠে আসা বাস্তব দাবি।”
ঘোষিত ১১ দফা দাবিগুলো হলো—
১. স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উপকূলের মানুষের জীবন–জীবিকার স্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
২. বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট সেবা সুন্দরবন এলাকা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা।
৩. স্থানীয় কৃষির ওপর ভিত্তি করে শিল্প–কারখানা স্থাপন এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
৪. কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষকের উদ্ভাবিত নতুন জাতের ফসলের জাতীয় স্বীকৃতি প্রদান।
৫. সরকারিভাবে অধিক বিদ্যালয়–কলেজ স্থাপন এবং অন্তত ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ।
৬. নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।
৭. সুৎসর্গিত নিরাপদ পানির উৎস চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নিরাপদ পানির সরবরাহ বৃদ্ধি।
৮. লোনা পানির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি—বিশেষ করে নারীর গর্ভধারণ জটিলতা—নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
9. ইউনিয়ন পর্যায়ে সক্রিয় ও কার্যকর কমিউনিটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা।
১০. শত শত কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করার উদ্যোগ গ্রহণ।
১১. মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধে শক্তিশালী ব্যবস্থা গ্রহণ।
১১ দফা ঘোষণা শেষে আল আমিন শেখ বলেন, “উপকূলীয় এলাকায় আমরা বহু সংকটের মুখে থাকি। আমি যে ১১টি বিষয় চিহ্নিত করেছি—আপনারা নিশ্চয় আরও সমস্যা নিয়মিত মোকাবিলা করেন। ভবিষ্যতে সেগুলো নিয়েও কাজ করব।”
“আমি এই এলাকার সন্তান হিসেবে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব থেকে বলছি—এসব দাবি আদায়ে আমি ও আমার দল সর্বোচ্চ লড়াই চালিয়ে যাব। জনগণের দাবি আদায়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। সরকার কীভাবে এসব সংকট নিরসনে কাজ করতে পারে, তার প্রক্রিয়াও আমরা তুলে ধরব। আর যদি আমরা ক্ষমতায় যাই, কিভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করব তাও এলাকাবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।”
Reporter Name 


















