বাংলাদেশ ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালিনগর শ্রী শ্রী দেব মন্দির ও অধ্যক্ষ কুমারেশ বাওয়ালী টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালীর বাড়ী একরের প্রাপ্য টাকার মধ্যে হতে ৮০(আশি) লক্ষ টাকা দেব-দেবির পূজা ও দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যানে দান।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৬ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা: অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালী পিতাঃ মৃত কুমারেশ বাওয়ালী মাতাঃ বন্ধনা রানী বাওয়ালী, গ্রামঃ কালিনগর, ডাকঃ দারুন মল্লিক, পাইকগাছা খুলনা-এর এক কৃতি সন্তান তিনি কালিনগর কলেজ, মুক্তিযোদ্ধা কলেজ গড়িয়ার ডাঙ্গা কলেজ, বারবাড়িয়া কলেজ সহ অনেক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনা এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী তিনি বাংলাদেশ, ভারত ,নেপাল সহ দেশ-বিদেশ হতে দেশের শিক্ষাখাতে ব্যাপক ভুমিকা রাখার কারনে অনেক সম্মামনা পেয়েছেন। তিনি কালিনগর গ্রামে অনেক প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে তিনি একটি মন্দির,একটি উচ্চমাধ্যমিক কলেজ এবং তার পিতার নামে জনসার্থে তিনটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং তার পিতার তৈরী উদয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় যাহা দিনে দিনে আরো বৃহৎ আকার ধারন করছে । তাই তিনি এই জনকল্যানের জন্য তার প্রাপ্য একরের টাকার একটি অংশ তার প্রতিষ্ঠিত কালিনগর শ্রী শ্রী দেব মন্দির ও তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত অধ্যক্ষ কুমারেশ বাওয়ালী টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট কালিনগর ডাকঃ দারুনমল্লিক, উপজেলাঃ পাইকগাছা, জেলাঃ খুলনা এ উভয় প্রতিষ্ঠানে আশি লক্ষ টাকা নিঃস্বার্থ ভাবে দান করিয়াছেন। উক্ত টাকা মন্দির এর নামে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে এফডিআর(FDR) করা থাকবে যাহা মন্দিরে দেব দেবতার পূজা ও মন্দির উন্নয়ন সহ দুঃস্থ্য ও দরিদ্র মানুষের কল্যানে এবং ইনস্টিটিউটের অর্থ দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বাৎসরিক বৃত্তি হিসাবে প্রদান করিতে পারবে । এই ট্রাস্টের অর্থ উভয় প্রতিষ্ঠান শুধু মাত্র তার উত্তাধিকার বংশ পরমপরায় প্রতিবছর ঐ অর্থের লভ্যাংশের অর্ধাংশ্য অনুরুপে মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি স্বরুপ দেয়া হবে এবং দেব দেবির পূজা পার্বনে ব্যয় করতে পারবে তার জীবাদ্মাশায় তার বিনা অনুমতিতে দানকৃত অর্থ কেহ তুলতে পারবে না এবং তার মৃত্যুর পর তার বংশানুক্রমে তার ওয়ারেশ জ্যেষ্ঠ পূত্র মন্দিরের সেবাইত ও ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন দেশ বিদেশ যেখানেই বসবাস করুক না কেন উক্ত ট্রাস্টের টাকা ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠান সরকারি করন হইলেও উক্ত ট্রাস্টের ও মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী চলিবে কোন রুপ ব্যক্তি বা কোন সংস্থা বা সরকার ইহা কখনোই ব্যক্তিস্বার্থে ভোগ দখল করিতে পারিবে না। ইহা দেব দেবতার সেবা ও দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের কল্যানে প্রদান করা হইবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

কালিনগর শ্রী শ্রী দেব মন্দির ও অধ্যক্ষ কুমারেশ বাওয়ালী টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালীর বাড়ী একরের প্রাপ্য টাকার মধ্যে হতে ৮০(আশি) লক্ষ টাকা দেব-দেবির পূজা ও দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যানে দান।

Update Time : ০১:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা: অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালী পিতাঃ মৃত কুমারেশ বাওয়ালী মাতাঃ বন্ধনা রানী বাওয়ালী, গ্রামঃ কালিনগর, ডাকঃ দারুন মল্লিক, পাইকগাছা খুলনা-এর এক কৃতি সন্তান তিনি কালিনগর কলেজ, মুক্তিযোদ্ধা কলেজ গড়িয়ার ডাঙ্গা কলেজ, বারবাড়িয়া কলেজ সহ অনেক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনা এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী তিনি বাংলাদেশ, ভারত ,নেপাল সহ দেশ-বিদেশ হতে দেশের শিক্ষাখাতে ব্যাপক ভুমিকা রাখার কারনে অনেক সম্মামনা পেয়েছেন। তিনি কালিনগর গ্রামে অনেক প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে তিনি একটি মন্দির,একটি উচ্চমাধ্যমিক কলেজ এবং তার পিতার নামে জনসার্থে তিনটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং তার পিতার তৈরী উদয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় যাহা দিনে দিনে আরো বৃহৎ আকার ধারন করছে । তাই তিনি এই জনকল্যানের জন্য তার প্রাপ্য একরের টাকার একটি অংশ তার প্রতিষ্ঠিত কালিনগর শ্রী শ্রী দেব মন্দির ও তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত অধ্যক্ষ কুমারেশ বাওয়ালী টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট কালিনগর ডাকঃ দারুনমল্লিক, উপজেলাঃ পাইকগাছা, জেলাঃ খুলনা এ উভয় প্রতিষ্ঠানে আশি লক্ষ টাকা নিঃস্বার্থ ভাবে দান করিয়াছেন। উক্ত টাকা মন্দির এর নামে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে এফডিআর(FDR) করা থাকবে যাহা মন্দিরে দেব দেবতার পূজা ও মন্দির উন্নয়ন সহ দুঃস্থ্য ও দরিদ্র মানুষের কল্যানে এবং ইনস্টিটিউটের অর্থ দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বাৎসরিক বৃত্তি হিসাবে প্রদান করিতে পারবে । এই ট্রাস্টের অর্থ উভয় প্রতিষ্ঠান শুধু মাত্র তার উত্তাধিকার বংশ পরমপরায় প্রতিবছর ঐ অর্থের লভ্যাংশের অর্ধাংশ্য অনুরুপে মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি স্বরুপ দেয়া হবে এবং দেব দেবির পূজা পার্বনে ব্যয় করতে পারবে তার জীবাদ্মাশায় তার বিনা অনুমতিতে দানকৃত অর্থ কেহ তুলতে পারবে না এবং তার মৃত্যুর পর তার বংশানুক্রমে তার ওয়ারেশ জ্যেষ্ঠ পূত্র মন্দিরের সেবাইত ও ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন দেশ বিদেশ যেখানেই বসবাস করুক না কেন উক্ত ট্রাস্টের টাকা ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠান সরকারি করন হইলেও উক্ত ট্রাস্টের ও মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী চলিবে কোন রুপ ব্যক্তি বা কোন সংস্থা বা সরকার ইহা কখনোই ব্যক্তিস্বার্থে ভোগ দখল করিতে পারিবে না। ইহা দেব দেবতার সেবা ও দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের কল্যানে প্রদান করা হইবে।