বাংলাদেশ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৯ বছর ধরে নেই কোনো মুসলিম শিক্ষক ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫ Time View

এফ,এম,এ রাজ্জাক, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :-খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৫২ দক্ষিণ বেদকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ মুসলিম শিক্ষার্থী থাকলেও দীর্ঘ ১৯ বছর নাই কোনো মুসলিম শিক্ষক।

 

ফলে বাধ্য হয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। ফলে তাদের পক্ষে ইসলাম ধর্মের আরবি ভাষার সূরা ও আরবি বই পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। শুধু মাত্র নামমাত্র অর্থটুকুই পড়াচ্ছেন তারা। এতে করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যায়ল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অভিভাবকরা।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে ৬ হিন্দু শিক্ষক থাকলে ও একজন আছে ডেপুটেশনে বাকি ৫ জন হিন্দু শিক্ষক দিয়ে চলছে ২৩৬ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান এর মধ্যে বিভিন্ন ক্লাসে ৯ জন হিন্দু শিক্ষার্থী বাকি ২২৬ জন মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা বই পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। অভিভাবকরা বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মুসলিম শিক্ষক না থাকায়।

 

অন্য দিকে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে ৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫২ নং দক্ষিণ বেদকাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ৭ বারে বার্ষিক রেজাল্ট এ ফার্স্ট, সর্বশেষ ৩ টা বৃদ্ধি পেয়েছে একটি ট্যালেন্টপুল দুইটি সাধারণ। প্রতিষ্ঠানটির নানামুখি প্রশংসাও আছে এলাকায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছে ধর্মীয় শিক্ষা থেকে ফলে অভিভাবক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি থেকে।

 

৫২ দক্ষিণ বেদকাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অপূর্ব কুমার পাল বলেন, আমাদের মুসলিম শিক্ষকের বিষয় টা খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে। নতুন শিক্ষকদের পোস্টিং হলে কেউ এতদূর আসতে চাই না। এজন্য একটু সমস্যার মধ্যে আছি, এর আগে অনেক এ প্রতিষ্ঠানে জয়েন্ট করে সাথে সাথে বদলি নিয়ে চলে গেছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে বিষয় টা সমাধানের চেষ্টা করবো।

 

কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার বলেন, নীতিমালায় হিন্দু ও মুসলিম শিক্ষকদের আলাদা করে পদায়ন না থাকায় বিষয় টা সুরাহা করা যাচ্ছে না। তবে এবার জেলা মিটিং এ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিষয় টা সমাধান করার চেষ্টা করবো।

 

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, বিষয় টা আমার জানা ছিলো না, ইসলাম শিক্ষার জন্য মুসলিম শিক্ষক খুবই প্রয়োজন। খুব তাড়াতাড়ি এটা সমাধান হয়ে যাবে,

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

১৯ বছর ধরে নেই কোনো মুসলিম শিক্ষক ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা

Update Time : ০৪:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

এফ,এম,এ রাজ্জাক, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :-খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৫২ দক্ষিণ বেদকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ মুসলিম শিক্ষার্থী থাকলেও দীর্ঘ ১৯ বছর নাই কোনো মুসলিম শিক্ষক।

 

ফলে বাধ্য হয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। ফলে তাদের পক্ষে ইসলাম ধর্মের আরবি ভাষার সূরা ও আরবি বই পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। শুধু মাত্র নামমাত্র অর্থটুকুই পড়াচ্ছেন তারা। এতে করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যায়ল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অভিভাবকরা।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে ৬ হিন্দু শিক্ষক থাকলে ও একজন আছে ডেপুটেশনে বাকি ৫ জন হিন্দু শিক্ষক দিয়ে চলছে ২৩৬ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান এর মধ্যে বিভিন্ন ক্লাসে ৯ জন হিন্দু শিক্ষার্থী বাকি ২২৬ জন মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা বই পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। অভিভাবকরা বিদ্যালয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মুসলিম শিক্ষক না থাকায়।

 

অন্য দিকে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে ৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫২ নং দক্ষিণ বেদকাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ৭ বারে বার্ষিক রেজাল্ট এ ফার্স্ট, সর্বশেষ ৩ টা বৃদ্ধি পেয়েছে একটি ট্যালেন্টপুল দুইটি সাধারণ। প্রতিষ্ঠানটির নানামুখি প্রশংসাও আছে এলাকায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছে ধর্মীয় শিক্ষা থেকে ফলে অভিভাবক মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি থেকে।

 

৫২ দক্ষিণ বেদকাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অপূর্ব কুমার পাল বলেন, আমাদের মুসলিম শিক্ষকের বিষয় টা খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে। নতুন শিক্ষকদের পোস্টিং হলে কেউ এতদূর আসতে চাই না। এজন্য একটু সমস্যার মধ্যে আছি, এর আগে অনেক এ প্রতিষ্ঠানে জয়েন্ট করে সাথে সাথে বদলি নিয়ে চলে গেছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে বিষয় টা সমাধানের চেষ্টা করবো।

 

কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার বলেন, নীতিমালায় হিন্দু ও মুসলিম শিক্ষকদের আলাদা করে পদায়ন না থাকায় বিষয় টা সুরাহা করা যাচ্ছে না। তবে এবার জেলা মিটিং এ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিষয় টা সমাধান করার চেষ্টা করবো।

 

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, বিষয় টা আমার জানা ছিলো না, ইসলাম শিক্ষার জন্য মুসলিম শিক্ষক খুবই প্রয়োজন। খুব তাড়াতাড়ি এটা সমাধান হয়ে যাবে,