
টি এইচ বকুল
(খানসামা, দিনাজপুর।)
বাদুরের মত ঝুলে আছে, বিন্দু বুন্দু ঘাম, ললাটের বলি রেখায়।
একটু আগেও প্রজাপতি ঠোঁট,!
খই মুড়ি ফুটছিল তার উষ্ণতায়।
হঠাৎ পেন্ডুলামটা দাঁড়িয়ে।
ধুকধুক শব্দটা মিলিয়ে যায়।
চারটা কাঁধ পা’হাঁটে, একরাশ মৌনতা বুকে নিয়ে।
তার বরাবরই, একদিঘি নোনাজল কানায় কানায় পূর্ণ।
কিন্তু, বুকের চাপা কান্নায়, কখনো বুক ভিজেনি।
সেখানে ছেয়ে ছিল শুধু, দৃশ্যমান এক আকাশ আবিরের রং, হয়তো মৃত্যুর খুব কাছাকাছি বলে।
ফিরে আসা পথ হারিয়ে যায়, বিশ্বাসী হাতটা হারিয়ে গেলে।
চেনা কণ্ঠটা কখনো চিনতে পারেনি তাকে।
বিষাক্ত লালায় শুধু চুম্বন করে গেছে।
নীল বর্ণয় যে, দেহটা নীলাভ তার, অবলোকন করেনি একদম কাছে থেকেও ।
তার শিমূল মূলটা একটু একটু করে, বুক ফুঁড়ে পাতাল ছুঁয়েছে।
শাখা প্রশাখায় ফুটিয়েছে রক্ত শিমূল।
তবুও, তুলোপ্রেমে স্বপ্ন বুনে,
বুকের ক্ষতটা পাতায় মুড়ে।
একদিন তুলোপ্রেম, হাওয়ায় উড়ে চলে গেছে,
তার নৌকো আবরণ গুলো ফেলে।
আবরণ গুলো যে ভালোবাসা ছিল,
দেখেনি একটুও ভেবে।
তাই, অভিমান কিংবা তিক্ততা, যেটাই হোক,
হয়তো, ইতি কথা হয়েছিল তার মনের সাথে।
হাঁটবে না তার চরণ আর, এই অবনির কোন পথে।
Reporter Name 


















