বাংলাদেশ ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা জুয়ার মাদকের রাজ্যের সেল্টার দাতা কে এই আকবর 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেটকে অপরধ মুক্ত করতে নবাগত পুলিশ কমিশনার যখন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন তখন ফাঁড়ি পুলিশের কিছু দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তার সহযোগিতায় দক্ষিন সুরমায় চলছে লাকসামি ফারুক বেপরোয়া রামরাজত্ব।

 

সিলেটের অন্যতম হিরোইন সম্রাট বাবলার ঘনিষ্ঠ হিরোইন বিক্রেতা আলোচিত জুয়াড়ী লাকসামি ফারুক নগরীর দক্ষিণ সুরমা রেলগেট মারকাজ পয়েন্টের সিএনজি স্ট্যান্ডের পাশে মেইন রোডে পলিথিনের বস্তা দিয়ে আগলা দিয়ে দিবালোকে প্রকাশ্যে দিনে রাতে ইয়াবা শীলংতীর নামক অনলাইন জুয়ার রমরমা প্রতারণা করে যাচ্ছেন। তাহার এই প্রতারণাকে সহযোগিতা করছে দক্ষিণ সুরমার হিরোইন সম্রাটের বাবলার ভাই ইয়াবা আকবর লাকসামি ফারুকের জুয়ার বোর্ড থেকে দক্ষিণ সুরমা ফাঁড়ি পুলিশকে সপ্তাহে ৭ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে বিশ্বস্থ একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও ডিবির সোর্স পরিচয়দানকারী ইয়াবা ব্যবসায়ী আকবর সপ্তাহে ৯ হাজার টাকা ডিবি পুলিশের নামে আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। মহৎ পেশা কখনো ডিবি পুলিশ কখনো পুলিশের সোর্স হিসেবে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জুয়ার প্রতারণার জানার জন্য লাকসামি ফারুককে ফোন করলে ইয়াবা আকবর ফোন দেন। এরপর লাকসামি ফারুকের পক্ষ হয়ে সংবাদ না করতে অনুরোধ করেন।

 

এছাড়াও রাজনৈতিকপরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজরা বখরার বিনিময়ে জুয়ার অপকর্ম পরিচালনা করতে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। রেল স্টেশনের পাশে আরেকটি জুয়ার বোর্ড আছে বলে জানা যায়, সেখানে জিআরপি পুলিশকে তোয়াক্কাই করছেনা লাকসামি ফারুক ইয়াবা আকবর , গংরা। কুমিল্লা পট্টি অন্তরের জুয়ার বোর্ড ও জান্ডুমুন্ড জুয়া চলে, পাশা-পাশি শীলংতীর নামক জুয়ার রমরমা বাণিজ্যতো আছেই। এসব জুয়ার বোর্ড থেকে চলে বখরা আদায়, আর সেই বখরা আদায় করেন ইয়াবা আকবর।

 

আবার অন্তরের জুয়ার বোর্ড থেকে ডিবি’র সোর্স পরিচয়ে ইয়াবা আকবর নামের সাপ্তাহিক ১৫ হাজয় টাকা বখরা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

ফলে একদিকে যেমন পুলিশ কমিশনারের মহত উদ্যোগ ও নির্দেশ বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। অন্যদিকে খেটে খাওয়া সাধরণ মানুষ প্রতারণার শিকার হয়ে খালি হাতে বাসায় ফিরছে। যার কারণে পরিবারে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। পরিবারের বিশৃঙ্খলা কমাতে সাধারণ জুয়ারীরা জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে।

 

এব্যাপারে জানতে দক্ষিণ সুরমা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মুঠোফোনে যোগাযোগ করে লাকসামি ফারুকের জুয়ার বোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে

তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সচেতন মহল মনে করেন এসব জুয়ার বোর্ড ও জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে যেতে পুলিশের পাশা-পাশি যৌথবাহিনীর হহস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা জুয়ার মাদকের রাজ্যের সেল্টার দাতা কে এই আকবর 

Update Time : ০৬:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেটকে অপরধ মুক্ত করতে নবাগত পুলিশ কমিশনার যখন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন তখন ফাঁড়ি পুলিশের কিছু দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তার সহযোগিতায় দক্ষিন সুরমায় চলছে লাকসামি ফারুক বেপরোয়া রামরাজত্ব।

 

সিলেটের অন্যতম হিরোইন সম্রাট বাবলার ঘনিষ্ঠ হিরোইন বিক্রেতা আলোচিত জুয়াড়ী লাকসামি ফারুক নগরীর দক্ষিণ সুরমা রেলগেট মারকাজ পয়েন্টের সিএনজি স্ট্যান্ডের পাশে মেইন রোডে পলিথিনের বস্তা দিয়ে আগলা দিয়ে দিবালোকে প্রকাশ্যে দিনে রাতে ইয়াবা শীলংতীর নামক অনলাইন জুয়ার রমরমা প্রতারণা করে যাচ্ছেন। তাহার এই প্রতারণাকে সহযোগিতা করছে দক্ষিণ সুরমার হিরোইন সম্রাটের বাবলার ভাই ইয়াবা আকবর লাকসামি ফারুকের জুয়ার বোর্ড থেকে দক্ষিণ সুরমা ফাঁড়ি পুলিশকে সপ্তাহে ৭ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে বিশ্বস্থ একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও ডিবির সোর্স পরিচয়দানকারী ইয়াবা ব্যবসায়ী আকবর সপ্তাহে ৯ হাজার টাকা ডিবি পুলিশের নামে আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। মহৎ পেশা কখনো ডিবি পুলিশ কখনো পুলিশের সোর্স হিসেবে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জুয়ার প্রতারণার জানার জন্য লাকসামি ফারুককে ফোন করলে ইয়াবা আকবর ফোন দেন। এরপর লাকসামি ফারুকের পক্ষ হয়ে সংবাদ না করতে অনুরোধ করেন।

 

এছাড়াও রাজনৈতিকপরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজরা বখরার বিনিময়ে জুয়ার অপকর্ম পরিচালনা করতে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। রেল স্টেশনের পাশে আরেকটি জুয়ার বোর্ড আছে বলে জানা যায়, সেখানে জিআরপি পুলিশকে তোয়াক্কাই করছেনা লাকসামি ফারুক ইয়াবা আকবর , গংরা। কুমিল্লা পট্টি অন্তরের জুয়ার বোর্ড ও জান্ডুমুন্ড জুয়া চলে, পাশা-পাশি শীলংতীর নামক জুয়ার রমরমা বাণিজ্যতো আছেই। এসব জুয়ার বোর্ড থেকে চলে বখরা আদায়, আর সেই বখরা আদায় করেন ইয়াবা আকবর।

 

আবার অন্তরের জুয়ার বোর্ড থেকে ডিবি’র সোর্স পরিচয়ে ইয়াবা আকবর নামের সাপ্তাহিক ১৫ হাজয় টাকা বখরা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

ফলে একদিকে যেমন পুলিশ কমিশনারের মহত উদ্যোগ ও নির্দেশ বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। অন্যদিকে খেটে খাওয়া সাধরণ মানুষ প্রতারণার শিকার হয়ে খালি হাতে বাসায় ফিরছে। যার কারণে পরিবারে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। পরিবারের বিশৃঙ্খলা কমাতে সাধারণ জুয়ারীরা জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে।

 

এব্যাপারে জানতে দক্ষিণ সুরমা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মুঠোফোনে যোগাযোগ করে লাকসামি ফারুকের জুয়ার বোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে

তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সচেতন মহল মনে করেন এসব জুয়ার বোর্ড ও জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে এ্যাকশনে যেতে পুলিশের পাশা-পাশি যৌথবাহিনীর হহস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।