
ভাঙ্গা ( ফরিদপুর )প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টেবিল হার্ড অভিযানে আওয়ামী লীগের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ভাঙ্গা উপজেলা আলগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কমল দাস , নুরুল্লাহ গঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলামিন এবং একই ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি কামরুল মীরকে গ্রেফতার করা হয়।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,কমল দাস ভাঙ্গা উপজেলা আলগী ইউনিয়নের বালিয়াচরা গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। ভাঙ্গা থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত একটার দিকে ভাঙ্গা বাজারের তার বাসার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত কমল দাস ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বালিয়াচরা গ্রামের মনি মোহন দাসের পুত্র।
ভাঙ্গা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর নং–২০ (তারিখ: ১৬ নভেম্বর ২০২৫) ও জিআর নং–৩৪৭/২৫ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৭/৮/৯ (৩১/১০/১১) ধারায় মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, গত ১৩ নভেম্বর সকালে ভাঙ্গা থানাধীন পুখুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে সড়ক অবরোধ, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করে। অভিযোগে বলা হয়, এ সময় তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থায়নের মাধ্যমে দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়।
অন্যদিকে ভাঙ্গা থানা পুলিশ বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে ভাঙ্গা উপজেলা নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলামিন (৩৫) ও নুরুল্লাহ গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের তিন নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি কামরুল মীর কে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন ২০২৪ সালের ৪ঠা আগস্ট ভাঙ্গা পৌরসভার রেল ক্রসিং এলাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের হামলার অভিযোগ রয়েছে।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ডেভিল হান্ট ফেস টু অভিযানে আওয়ামী লীগের তিন নেতা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Reporter Name 






















