
বিশেষ প্রতিবেদক সামী: নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৪৩/৭। সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৪৪/৯। ফল: সিলেট ১ উইকেটে জয়ী।
১৮তম ওভারে মেহেদী হাসান রানার হ্যাটট্রিকে নীরব হয়ে যাওয়া সিলেটের গ্যালারি শেষ ওভারে হয়ে উঠল উৎসবমুখর। শেষ ওভারে ১৩ রানের সমীকরণ, যা শেষ বলে নেমে এসেছিল ১ বলে ২ রানে— সেটা যে মিলে গেছে দলটার!
কৃতিত্বটা ইথান ব্রুকসেরই বেশি। সাব্বির হোসেনকে ছক্কা ও চার মেরে কাজটাকে সহজ করে দিয়েছিলেন তো তিনিই। কিন্তু পঞ্চম বলে তিনি রানআউট হওয়ার পর আবার নাটকীয়তা। ১ বলে ২ রানের সমীকরণ মিলেছে সাব্বিরের দেওয়া ওয়াইড আর শেষ বলে লেগ বাই থেকে। আর শেষ বলে অতিরিক্ত খাত থেকে পাওয়া ২ রানেই নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ১৪৩ রান ১ উইকেট হাতে রেখে টপকেছে সিলেট টাইটানস।
এর আগে ৪১ বলে ৬০ রানের ইনিংসে সিলেট টাইটানসকে জেতাতে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পারভেজ হোসেন। কাজটা অবশ্য সহজ করে দিয়েছিলেন বোলাররাই—খালেদ আহমেদ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা নোয়াখালীর প্রথম ৪ ব্যাটসম্যানের তিনজনই ফেরেন শূন্য রানে। যাঁরা রান করেছেন, তাদেরটাও ঠিক টি-টোয়েন্টিসুলভ ছিল না। অধিনায়ক সৈকত আলীই যেমন ২৯ বল খেলে করেছেন মাত্র ২৪ রান। ৫১ বল খেলা মাহিদুলও ৬১ রানের বেশি করতে পারেননি। নোয়াখালীর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইক রেট ছিল জাকের আলীর, ১৭ বলের ইনিংসে ৪ চারে ২৯ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে।
রান তাড়ায় ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল সিলেট টাইটানসও। তবে পারভেজের সঙ্গে ৬৫ বলে ৮৩ রানের জুটিতে দলের জয়ের পথটা সুগম করে দেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে তালগোল পাকালেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে সিলেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৪৩/৭ (মাহিদুল ৬১*, জাকের ২৯, সৈকত ২৪; খালেদ ৪/২৩, সাইম ২/২৫)।
সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৪৪/৯ (পারভেজ ৬০, মিরাজ ৩৩, ব্রুকস ১৬; মেহেদী ৪/৩৪, হাসান ২/১৯)।
ফল: সিলেট টাইটানস ১ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: খালেদ আহমেদ।
Reporter Name 
























