
**মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়।
আশাহীদ আলী আশা অভিযোগে বলেন তিনি নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিভিন্ন পদে বারবার নির্বাচিত সাংবাদিক নেতা হিসেবে বক্তৃতায় বলেন হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সাবেক সভাপতি ও দৈনিক হবিগঞ্জ জনতার এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফজলুর রহমান তিনি নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র (আইন) সংশোধন কমিটির আহবায়ক (আইন প্রনয়ন কারী) তিনিই জানেন না গঠনতন্ত্র কি? তাহলে অপরাধ কি?? তিনি যদি সাইনবোর্ড গুলোর সম্মান মর্যাদা বুঝতেন তাহলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেই প্রেসক্লাবের সমস্যা সমাধান হত।। তিনি সমাধান না করে নির্বাচন ও হস্তান্তর করে প্রমাণ করলেন তিনিই হবিগঞ্জ জেলার একজন আইন অমান্যকারী ক্ষমতাসীন ব্যাক্তি। মহামান্য আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করে
প্রশাসন ও উপজেলার সুশীলসমাজ সাংবাদিক কে নিয়ে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র (আইন) কে সম্মানিত করতে আপনাদের সাহায্য সহযোগিতা চাই। উপজেলা বাসীর সম্পদ আমরাই রক্ষা করতে হবে এবং নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ভবন ও সম্পদ সাংবাদিক সমাজের একা নয় উপজেলা বাসীর ।। ফজলুর রহমান সাহেব আপনি ভবন উন্নয়নে ক টাকা দিয়েছেন?? উপজেলার কৃতিসন্তান দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত পায়ের ঘাম ফেলে রুজির টাকা দান করেছেন ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্টা করার জন্য।। আপনার অন্যায় নেতৃত্বের জন্য নয়। ১৭ বছর অন্যায় করতে করতে যে অভ্যাস হয়েছে ছেড়ে দিন। ২৫ বছর সাংবাদিকতা কে কিভাবে করছে ইতিহাস বলে দিবে।
পিতার সম্পদ বিক্রি করে ৫ হাজার টাকা দিয়ে ভবন উন্নয়নে সহযোগী ও উন্নয়ন কমিটির সদস্য।। সম্মান আল্লাহর দান সেই দান সম্মান কে অপমান অপদস্ত অসম্মান করার পরিনতি ভয়াবহ কম্প। তিনির সাথে সরাসরি হবিগঞ্জ সাক্ষাৎ করে অনেক তথ্য সংগ্রহ করে আইনের আশ্রয় নিলাম কিন্তু তিনি তো আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে নির্বাচন দিলেন?? আইন অমান্যকারী একজন অপরাধী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসন সহ উপজেলাবাসীর সাহায্য সহযোগিতা চান উপজেলার একজন সচেতন নাগরিক।।
Reporter Name 
























