বাংলাদেশ ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য গ্রহণযোগ্য মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার বিকল্প নেই। 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪০ Time View

সিলেট অফিসঃ সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম বলেছেন, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করলে স্থানীয় বিচারকার্যে সাধারণ জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেরা বিচার করলে সে বিচার মামলা পর্যন্ত গড়াবে না। তাই ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য গ্রহণযোগ্য মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার বিকল্প নেই।

 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ- ৩য় পর্যায় প্রকল্প আয়োজিত গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে৷ সকল পক্ষকে একত্রিত করার মাধ্যমে গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় করা গেলে আদালতে মামলা জট কমে যাবে, ছোট মিমাংসাযোগ্য বিষয় নিয়ে মামলা করতে হবে না। ফলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব, সামাজিকতা ও আত্মীয়তার বন্ধন অটুট থাকবে।

 

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, গ্রাম আদালতের সফলতার গল্প ও সীমাবদ্ধতা গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। বর্তমান জনপ্রিয় স্যোশাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার করতে হবে। গ্রাম আদালতের বার্তা সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গ্রাম আদালতের ভালো কাজগুলোর প্রচার বাড়লে সাধারণ মানুষ এ আদালতের সেবা নিতে আগ্রহী হবে। এসময় তিনি নৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে দক্ষতা, সততা ও ইচ্ছাশক্তির সমন্বয়ে গ্রাম আদালত পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

উম্মুক্ত আলোচনায় গণমাধ্যমকর্মীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদালত ও আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে প্রচার, স্যোশাল মিডিয়ায় সময়োপযোগী কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার, জেলা প্রশাসনের তদারকি বৃদ্ধি, বিচারিক কার্যক্রমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গ্রাম আদালতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ বিচারকার্যে জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি মসজিদের ইমাম ও সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

 

সিলেট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সুবর্না সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কোঅর্ডিনেশন এনালিস্ট ড. শঙ্কর পল ও গ্রাম আদালত আইন বিষয়ে উপস্থাপনা করেন লিগ্যাল এনালিস্ট ব্যারিস্টার মশিউর রহমান চৌধুরী। এসময় জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক রকিবুল হাসান, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কমিউনিকেশন এন্ড আউটরিচ এনালিস্ট সুমন ফ্রান্সিস গোমেজ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য গ্রহণযোগ্য মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার বিকল্প নেই। 

Update Time : ১২:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট অফিসঃ সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম বলেছেন, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করলে স্থানীয় বিচারকার্যে সাধারণ জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেরা বিচার করলে সে বিচার মামলা পর্যন্ত গড়াবে না। তাই ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য গ্রহণযোগ্য মানুষকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার বিকল্প নেই।

 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ- ৩য় পর্যায় প্রকল্প আয়োজিত গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে৷ সকল পক্ষকে একত্রিত করার মাধ্যমে গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় করা গেলে আদালতে মামলা জট কমে যাবে, ছোট মিমাংসাযোগ্য বিষয় নিয়ে মামলা করতে হবে না। ফলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব, সামাজিকতা ও আত্মীয়তার বন্ধন অটুট থাকবে।

 

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, গ্রাম আদালতের সফলতার গল্প ও সীমাবদ্ধতা গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। বর্তমান জনপ্রিয় স্যোশাল মিডিয়ায় কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার করতে হবে। গ্রাম আদালতের বার্তা সর্বাধিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গ্রাম আদালতের ভালো কাজগুলোর প্রচার বাড়লে সাধারণ মানুষ এ আদালতের সেবা নিতে আগ্রহী হবে। এসময় তিনি নৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে দক্ষতা, সততা ও ইচ্ছাশক্তির সমন্বয়ে গ্রাম আদালত পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

উম্মুক্ত আলোচনায় গণমাধ্যমকর্মীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের গ্রাম আদালত ও আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে প্রচার, স্যোশাল মিডিয়ায় সময়োপযোগী কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার, জেলা প্রশাসনের তদারকি বৃদ্ধি, বিচারিক কার্যক্রমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গ্রাম আদালতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ বিচারকার্যে জনপ্রতিনিধির পাশাপাশি মসজিদের ইমাম ও সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

 

সিলেট স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সুবর্না সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কোঅর্ডিনেশন এনালিস্ট ড. শঙ্কর পল ও গ্রাম আদালত আইন বিষয়ে উপস্থাপনা করেন লিগ্যাল এনালিস্ট ব্যারিস্টার মশিউর রহমান চৌধুরী। এসময় জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক রকিবুল হাসান, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কমিউনিকেশন এন্ড আউটরিচ এনালিস্ট সুমন ফ্রান্সিস গোমেজ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।