বাংলাদেশ ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক ব্যবসায় সর্বনাশের পথে যুব সমাজ: এখনই রুখে দাঁড়ান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬১ Time View

সারাদেশে মাদক ব্যবসার ভয়াল বিস্তার যুব সমাজকে ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের কিনারায়। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও আইস—সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে স্কুল–কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণরা। সীমান্ত থেকে নগর—সবখানেই সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট; আর তাদের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী দালালচক্র ও প্রভাবশালী ছত্রছায়া—এমন অভিযোগ জনমনে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে মাঝেমধ্যে মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “খুচরা বিক্রেতা ধরা পড়ে, কিন্তু গডফাদাররা অদৃশ্যই থাকে।” এতে মাদক ব্যবসা থামছে না, বরং কৌশল বদলে আরও ভয়ংকর হচ্ছে।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

চেয়ারম্যান

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন

কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদকাসক্তির কারণে পড়াশোনা ছাড়ছে অসংখ্য তরুণ, বাড়ছে অপরাধ, ভেঙে পড়ছে পরিবার। সামাজিক অবক্ষয়ের এই স্রোত ঠেকাতে শুধু অভিযান নয়—দরকার সমন্বিত রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। সীমান্তে কঠোর নজরদারি, আর্থিক লেনদেন ট্র্যাকিং, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ, এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

একই সঙ্গে যুবকদের জন্য খেলাধুলা, কর্মসংস্থান, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন বাড়াতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে এগিয়ে এসে সচেতনতা গড়তে হবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এটাই এখন সময়ের দাবি।

যুব সমাজকে রক্ষা করুন—মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

মাদক ব্যবসায় সর্বনাশের পথে যুব সমাজ: এখনই রুখে দাঁড়ান

Update Time : ০৮:২৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

সারাদেশে মাদক ব্যবসার ভয়াল বিস্তার যুব সমাজকে ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের কিনারায়। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও আইস—সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে স্কুল–কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণরা। সীমান্ত থেকে নগর—সবখানেই সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট; আর তাদের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী দালালচক্র ও প্রভাবশালী ছত্রছায়া—এমন অভিযোগ জনমনে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে মাঝেমধ্যে মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “খুচরা বিক্রেতা ধরা পড়ে, কিন্তু গডফাদাররা অদৃশ্যই থাকে।” এতে মাদক ব্যবসা থামছে না, বরং কৌশল বদলে আরও ভয়ংকর হচ্ছে।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

চেয়ারম্যান

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন

কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা ।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদকাসক্তির কারণে পড়াশোনা ছাড়ছে অসংখ্য তরুণ, বাড়ছে অপরাধ, ভেঙে পড়ছে পরিবার। সামাজিক অবক্ষয়ের এই স্রোত ঠেকাতে শুধু অভিযান নয়—দরকার সমন্বিত রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। সীমান্তে কঠোর নজরদারি, আর্থিক লেনদেন ট্র্যাকিং, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ, এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

একই সঙ্গে যুবকদের জন্য খেলাধুলা, কর্মসংস্থান, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন বাড়াতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে এগিয়ে এসে সচেতনতা গড়তে হবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এটাই এখন সময়ের দাবি।

যুব সমাজকে রক্ষা করুন—মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ুন।