বাংলাদেশ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবীগঞ্জ কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে জব্দ,নিলামে বিক্রি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১ Time View

আশাহীদ আলী আশা,ষ্টাফ রিপোটার: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের পাশে কুশিয়ারা নদী থেকে অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ‘বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত তিনজন শ্রমিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার শর্তে শ্রমিকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।

 

নদীতীর থেকে জব্দ করা আনুমানিক ১৮ হাজার ঘনফুট বালু বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। নিলামে সর্বোচ্চ দর ১ লাখ ২৫ হাজার ৫শত টাকা প্রদান করে ছালেক মিয়া বালু ক্রয়ের অনুমতি পান।

 

নিলামের শর্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতা ছালেক মিয়াকে আগামীকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

নবীগঞ্জ কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে জব্দ,নিলামে বিক্রি

Update Time : ০২:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আশাহীদ আলী আশা,ষ্টাফ রিপোটার: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের পাশে কুশিয়ারা নদী থেকে অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ‘বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত তিনজন শ্রমিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার শর্তে শ্রমিকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।

 

নদীতীর থেকে জব্দ করা আনুমানিক ১৮ হাজার ঘনফুট বালু বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। নিলামে সর্বোচ্চ দর ১ লাখ ২৫ হাজার ৫শত টাকা প্রদান করে ছালেক মিয়া বালু ক্রয়ের অনুমতি পান।

 

নিলামের শর্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরদাতা ছালেক মিয়াকে আগামীকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেম।