
হারুন অর রশিদ, স্টাফ রিপোর্টার :বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চিলইল গ্রামে আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালী চক্রের নেতৃত্বে চলছে অবৈধ পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির মহোৎসব। মাটি পরিবহনের ফলে কিচক-মোসলেমগঞ্জ প্রধান সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিলইল গ্রামের প্রভাবশালী মাটি ব্যবসায়ী পলাশের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। মাটিবাহী মিনিট্রাকগুলো বেপরোয়া গতিতে চলে এবং রাস্তার ওপর বিপুল পরিমাণ মাটি পড়ে যাচ্ছে। এতে কিচক-মোসলেমগঞ্জ প্রধান সড়কে মাটির স্তর জমে গেছে। সামান্য বৃষ্টি বা কুয়াশায় এই মাটি কাদা হয়ে রাস্তা অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কর্দমাক্ত রাস্তার কারণে ওই রুটে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহী ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত পিছলে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে কাদার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রভাবশালীর কারণে পলাশ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেউ সাহস করে মুখ খুলতে পারছে না। কিন্তু জনস্বার্থে এই অবৈধ পুকুর খনন অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও পথচারীরা দাবি করেছেন, উপজেলা প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এই অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করবে এবং রাস্তা পরিষ্কার ও মেরামতের ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপরাধে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হয়েছে শিবগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউর রহমান-এর সঙ্গে। ফোনে কথা বলার সময়ে তিনি মাটি কাটার বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এবং উত্তর দিতে গুলিয়ে দিতে চেষ্টা করেন। তিনি জানান, বিষয়টি দেখছেন কিন্তু তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন নি।
এরপর সাংবাদিকরা যোগাযোগ করেন বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান-এর সঙ্গে। বগুড়া জেলা প্রশাসক বিষয়টি জেনে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেবেন। পথচারীদের বক্তব্য।
Reporter Name 






















