বাংলাদেশ ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি’র বিরুদ্ধে কঠোর ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র ঠেকাতে বিএনপি’র বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে?

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৩ Time View

৬৪ জেলার প্রতিটি ইঞ্চি জুড়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বিরুদ্ধে একটি গভীর, সুপরিকল্পিত ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র আর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পর্যায়ে নেই এটি সরাসরি গণতন্ত্র ধ্বংস ও জনগণের ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়ার নীলনকশা। যারা এই চক্রান্তে লিপ্ত, তারা জানে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপিকে ঠেকানো অসম্ভব।

 

 

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা আপসহীন গণতান্ত্রিক শক্তি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বছরের পর বছর যে নির্মম ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়। কারাবন্দি করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে, চিকিৎসা বঞ্চিত করে এই দলকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও এই ষড়যন্ত্র চলেছে, আর তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সময়েও সেই চক্রান্ত অব্যাহত নাম বদলালেও চরিত্র বদলায়নি।

 

আজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ এই সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্র ভেঙে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। ৬৪ জেলার মানুষ আজ স্পষ্ট ভাষায় বলছে বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়নই দেশের মুক্তির পথ। জেলা-উপজেলা-গ্রাম সর্বত্র মানুষ দিন গুনছে কখন ভোটের মাধ্যমে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

 

জনগণের পর্যবেক্ষণ একেবারে পরিষ্কার কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দল ও অদৃশ্য কুচক্রী মহল বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে শেষ পর্যন্ত নিজেরাই রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে। ষড়যন্ত্র করে জনসমর্থন ছিনিয়ে নেওয়া যায় না, ইতিহাস তার প্রমাণ।

 

 

তবে সতর্কবার্তা স্পষ্ট ও কঠোর। ৬৪ জেলার কিছু কিছু উপজেলা ও আসনে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা, সহিংস উসকানি ও নাশকতার চেষ্টা হতে পারে। এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হলে জনগণকেই পাহারাদার হতে হবে। শান্তির নামে অশান্তি, স্থিতিশীলতার নামে ভোটচুরি এগুলো আর মেনে নেওয়া হবে না।

 

 

এই দেশ কোনো গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই মাটি, এই পতাকা, এই রাষ্ট্র জনগণের। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না দেওয়া হবে না কোনোভাবেই। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি: আমরা শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন চাই। বন্দুক, কালো টাকা আর প্রশাসনিক কারসাজির নির্বাচন এই জাতি আর গ্রহণ করবে না।

 

 

১৭ বছর ধরে এই জাতিকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে—এটি শুধু রাজনৈতিক অন্যায় নয়, এটি একটি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে যদি আবারও জনগণের রায় হাইজ্যাকের চেষ্টা হয়, তবে তার দায় ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না। জনগণ জেগে উঠেছে এবার সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকবে।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

চেয়ারম্যান

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন

কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

বিএনপি’র বিরুদ্ধে কঠোর ষড়যন্ত্র, ষড়যন্ত্র ঠেকাতে বিএনপি’র বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে?

Update Time : ১০:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

৬৪ জেলার প্রতিটি ইঞ্চি জুড়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বিরুদ্ধে একটি গভীর, সুপরিকল্পিত ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র আর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পর্যায়ে নেই এটি সরাসরি গণতন্ত্র ধ্বংস ও জনগণের ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়ার নীলনকশা। যারা এই চক্রান্তে লিপ্ত, তারা জানে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপিকে ঠেকানো অসম্ভব।

 

 

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা আপসহীন গণতান্ত্রিক শক্তি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বছরের পর বছর যে নির্মম ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়। কারাবন্দি করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে, চিকিৎসা বঞ্চিত করে এই দলকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও এই ষড়যন্ত্র চলেছে, আর তথাকথিত অন্তর্বর্তীকালীন সময়েও সেই চক্রান্ত অব্যাহত নাম বদলালেও চরিত্র বদলায়নি।

 

আজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ এই সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্র ভেঙে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। ৬৪ জেলার মানুষ আজ স্পষ্ট ভাষায় বলছে বিএনপির আদর্শ বাস্তবায়নই দেশের মুক্তির পথ। জেলা-উপজেলা-গ্রাম সর্বত্র মানুষ দিন গুনছে কখন ভোটের মাধ্যমে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

 

জনগণের পর্যবেক্ষণ একেবারে পরিষ্কার কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দল ও অদৃশ্য কুচক্রী মহল বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে শেষ পর্যন্ত নিজেরাই রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে। ষড়যন্ত্র করে জনসমর্থন ছিনিয়ে নেওয়া যায় না, ইতিহাস তার প্রমাণ।

 

 

তবে সতর্কবার্তা স্পষ্ট ও কঠোর। ৬৪ জেলার কিছু কিছু উপজেলা ও আসনে পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা, সহিংস উসকানি ও নাশকতার চেষ্টা হতে পারে। এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হলে জনগণকেই পাহারাদার হতে হবে। শান্তির নামে অশান্তি, স্থিতিশীলতার নামে ভোটচুরি এগুলো আর মেনে নেওয়া হবে না।

 

 

এই দেশ কোনো গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই মাটি, এই পতাকা, এই রাষ্ট্র জনগণের। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না দেওয়া হবে না কোনোভাবেই। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি: আমরা শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন চাই। বন্দুক, কালো টাকা আর প্রশাসনিক কারসাজির নির্বাচন এই জাতি আর গ্রহণ করবে না।

 

 

১৭ বছর ধরে এই জাতিকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে—এটি শুধু রাজনৈতিক অন্যায় নয়, এটি একটি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে যদি আবারও জনগণের রায় হাইজ্যাকের চেষ্টা হয়, তবে তার দায় ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না। জনগণ জেগে উঠেছে এবার সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকবে।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

চেয়ারম্যান

জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন

কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা।