বাংলাদেশ ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বীরগঞ্জে জর্ডান প্রবাসী মৃতঃ মায়ের সম্পদ ফিরে পেতে চায়-মাফুজ, নানা নানী ও মামাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩ Time View

শেখ সাইদুল আলম সাজু,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমান ও মৃতঃ মাহফুজা খাতুন ( জর্ডান প্রবাসী ) দম্পতির একমাত্র সন্তান মোঃ মাহফুজুর রহমান মাফুজ একই উপজেলার ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের নাগরী সাগরী কলোনী পাড়ার বাসিন্দা নানা আঃ হালিম নানী মোছাঃ আছিয়া বেগম ও মামা মোঃইউসুফ এবং মান্নানের বিষয়ে অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান-

আমার মা মোছাঃ মাহফুজা খাতুন ২০১৬ সালে জীবিকার তাগিদে জর্ডানে গিয়েছিলেন। প্রথম ধাপে সে ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অবস্থান করেন।

এর পর বাড়ীতে এসে ১৭ মাস আমার নানার বাড়ীতে এবং ৩ মাস আমার বাবার বাড়ীতে বসবাস করছিলো। ২য়বার তিনি পূনরায় কাজের উদ্দে্যশ্য জর্ডান যায়। কিন্তু গত ২৭/০৯/২০২৫ তারিখে জর্ডানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ষ্টোক করে ইন্তোকাল করেন। (ইন্না লিঃ—-)। আমি আমার মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় মায়ের রেখে যাওয়া সকল স্মপত্তির একমাত্র অধিকারী ও হকদার আমি । সে সময় আমি নাবালক থাকায় আমার মায়ের ব্যাংকের এফডিআর এর চেক, জমির দলিল, বীমার যাবতীয় কাগজপত্র, ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, সহ অন্যান্য মুল্যবান জিনিসপত্র আমার নানী মোছাঃ আছিয়া বেগম এর নিকট গচ্ছিত রেখে যায়।

যাহা বিদেশ যাওয়ার পুর্বেই আমাকে স্ব চোখে দেখাইয়া নানা নানীর নিকট হস্তান্তর করেন। এছাড়াও বিদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতি মাসে পাঠানো প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকা আমার নানা মোঃ আঃ হালিমের নিকট পাঠিয়েছেন যাহার কিছূ ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র আমার নিকট আছে, বাকী গুলো নানার নিকট গচ্ছিত আছে। আরো উল্লেখ্য যে আমার মায়ের মৃত্যর পর মায়ের পাসপোর্টটিও আমার মামা আঃ মান্নান হস্তগত করেন। পাসপোর্টটি চাওয়ার পরও আমাকে দিচ্ছেনা যার কারণে আমি প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারছিনা।

উল্লেখিত সকল জিনিস পত্র বারবার তাদের নিকট চাওয়ার পরও তারা বিভিন্ন তারিখ দিয়ে কালক্ষেপন করে যাচ্ছে। ইতেমধ্যে একাধিক তারিখ মিস করার পর আমি ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহোদয়কে মৌখিকভাবে অবগত করেও কোন প্রতিকার পাইনি। বিষয়টি সুরাহার জন্য বিগত দিনে তাদেরকে উকিল নোটিশ প্রদানকরা হয় সেটাতে কোন জবাব না পাওয়ায় গত ০৫/০১/২০২৬ ইং তারিখে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করি। এদত স্বত্বেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় আমি আজকের এই সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হচ্ছি। অতএব এলাকাবসী সচেতনমহল, সরকার ও প্রশাসনের নিকট আমার আকুল আবেদন আমি একজন এতিম ছেলে হিসেবে আমার প্রাপ্য আমার মায়ের রেখে যাওয়া সকল সম্পদ আমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

বীরগঞ্জে জর্ডান প্রবাসী মৃতঃ মায়ের সম্পদ ফিরে পেতে চায়-মাফুজ, নানা নানী ও মামাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Update Time : ০৮:২৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেখ সাইদুল আলম সাজু,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমান ও মৃতঃ মাহফুজা খাতুন ( জর্ডান প্রবাসী ) দম্পতির একমাত্র সন্তান মোঃ মাহফুজুর রহমান মাফুজ একই উপজেলার ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের নাগরী সাগরী কলোনী পাড়ার বাসিন্দা নানা আঃ হালিম নানী মোছাঃ আছিয়া বেগম ও মামা মোঃইউসুফ এবং মান্নানের বিষয়ে অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান-

আমার মা মোছাঃ মাহফুজা খাতুন ২০১৬ সালে জীবিকার তাগিদে জর্ডানে গিয়েছিলেন। প্রথম ধাপে সে ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অবস্থান করেন।

এর পর বাড়ীতে এসে ১৭ মাস আমার নানার বাড়ীতে এবং ৩ মাস আমার বাবার বাড়ীতে বসবাস করছিলো। ২য়বার তিনি পূনরায় কাজের উদ্দে্যশ্য জর্ডান যায়। কিন্তু গত ২৭/০৯/২০২৫ তারিখে জর্ডানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ষ্টোক করে ইন্তোকাল করেন। (ইন্না লিঃ—-)। আমি আমার মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ায় মায়ের রেখে যাওয়া সকল স্মপত্তির একমাত্র অধিকারী ও হকদার আমি । সে সময় আমি নাবালক থাকায় আমার মায়ের ব্যাংকের এফডিআর এর চেক, জমির দলিল, বীমার যাবতীয় কাগজপত্র, ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, সহ অন্যান্য মুল্যবান জিনিসপত্র আমার নানী মোছাঃ আছিয়া বেগম এর নিকট গচ্ছিত রেখে যায়।

যাহা বিদেশ যাওয়ার পুর্বেই আমাকে স্ব চোখে দেখাইয়া নানা নানীর নিকট হস্তান্তর করেন। এছাড়াও বিদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতি মাসে পাঠানো প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকা আমার নানা মোঃ আঃ হালিমের নিকট পাঠিয়েছেন যাহার কিছূ ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র আমার নিকট আছে, বাকী গুলো নানার নিকট গচ্ছিত আছে। আরো উল্লেখ্য যে আমার মায়ের মৃত্যর পর মায়ের পাসপোর্টটিও আমার মামা আঃ মান্নান হস্তগত করেন। পাসপোর্টটি চাওয়ার পরও আমাকে দিচ্ছেনা যার কারণে আমি প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রেরিত আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারছিনা।

উল্লেখিত সকল জিনিস পত্র বারবার তাদের নিকট চাওয়ার পরও তারা বিভিন্ন তারিখ দিয়ে কালক্ষেপন করে যাচ্ছে। ইতেমধ্যে একাধিক তারিখ মিস করার পর আমি ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহোদয়কে মৌখিকভাবে অবগত করেও কোন প্রতিকার পাইনি। বিষয়টি সুরাহার জন্য বিগত দিনে তাদেরকে উকিল নোটিশ প্রদানকরা হয় সেটাতে কোন জবাব না পাওয়ায় গত ০৫/০১/২০২৬ ইং তারিখে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করি। এদত স্বত্বেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় আমি আজকের এই সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হচ্ছি। অতএব এলাকাবসী সচেতনমহল, সরকার ও প্রশাসনের নিকট আমার আকুল আবেদন আমি একজন এতিম ছেলে হিসেবে আমার প্রাপ্য আমার মায়ের রেখে যাওয়া সকল সম্পদ আমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন।