
ষ্টাফ রিপোটার।।দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস
শেখ সুজাত মিয়া নবীগঞ্জ ও বাহুবল অঞ্চলের একজন প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি:
দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য: ১৯৯৬ সালে মাত্র ৪ মাস এবং ২০১১ সালের উপনির্বাচনে মাত্র আড়াই বছর তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি তাঁর এলাকায় শক্তিশালী একটি ব্যক্তিগত সমর্থন ভিত্তি তৈরি করেছেন।
মাঠপর্যায়ের রাজনীতি: তিনি বড় রাজনৈতিক দলের সাথে থাকলেও বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের ব্যক্তি ইমেজের ওপর আস্থা রাখছেন, যা তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগের ফসল। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যাসহ অন্য সময় মাঝারি আকারের বন্যার সময় ভূমিকা ২০২২ সালে যখন সিলেট-সুনামগঞ্জসহ হবিগঞ্জ অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে, তখন শেখ সুজাত মিয়া দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ত্রাণ বিতরণ তিনি নিজ উদ্যোগে বন্যাকবলিত এলাকায় চাল, ডাল ও শুকনা খাবার পৌঁছে দেন।• সরাসরি উপস্থিতি: এমপি পদে না থেকেও তিনি বোট বা নৌকায় করে দুর্গম এলাকায় গিয়ে মানুষের খোঁজ নিয়েছেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। করোনা মহামারীর সময় সহযোগিতা ২০২০-২১ সালে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর সময় যখন সাধারণ মানুষের কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন তিনি সক্রিয় ছিলেন:
খাদ্য সহায়তা: লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর ঘরে ঘরে তিনি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।
সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ: মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভূমিকা রাখেন।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পূজায় সহযোগিতা (এমপি না থাকাকালীন)
শেখ সুজাত মিয়া এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিশেষভাবে পরিচিত। সংসদ সদস্য না থাকাকালীন সময়েও তিনি:
শারদীয় দুর্গোৎসবে সংহতি: প্রতি বছর পূজার সময় তিনি বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ান।আর্থিক অনুদান: সরকারি বরাদ্দ না থাকলেও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মন্দির এবং পূজা উদযাপনে আর্থিক অনুদান প্রদান করে আসছেন।বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকা এলাকার মানুষের কাছে তিনি একজন “সহজলভ্য” নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম বড় কারণ হলো:
সুখ-দুঃখের অংশীদার: স্থানীয় যে কোনো সালিশ-বিচার, অসুস্থতা বা সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁকে পাশে পাওয়া যায়।ব্যক্তিগত ইমেজ: দলীয় প্রভাবের চেয়ে তাঁর ব্যক্তি ইমেজ ভোটারদের কাছে বড় সম্পদ। মানুষ মনে করে যে কোনো বিপদে ফোন দিলেই বা বাড়িতে গেলেই তাঁকে পাওয়া যায়। উপসংহার:
ভোটারদের মতে, শেখ সুজাত মিয়া শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বরং বন্যা, করোনা বা ধর্মীয় উৎসবের মতো কঠিন সময়ে পদ-পদবি ছাড়াই মানুষের সাথে ছিলেন। এই “আপন মানুষ” হিসেবে পরিচিতিই তাঁকে এবারের নির্বাচনে অনেক এগিয়ে ঘোড়া প্রতীকের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে আহবান জানান।।
Reporter Name 
























