বাংলাদেশ ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাইকগাছা পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধে এ্যাড.এফএমএ রাজ্জাক’র সংবাদ সম্মেলন।  

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৩ Time View

পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।। গতকাল সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে এক লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এডঃ এফ এম এ রাজ্জাক বলেন।খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধ ও নাগরিক অধিকার রক্ষা সহ নোনা পানি উত্তোলনকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে রেস্ট্রি ডাকযোগে এক অবগতি পত্র দিয়েছেন। অবগতি পত্রে তিনি সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে অবগতি পত্র প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে পৌর এলাকার মধ্যে নোনাপানি উত্তোলন বন্ধ সহ নোনাপানি উত্তোলন করীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি’২৬ পাইকগাছা পৌরসভার স্হায়ী বাসিন্দা, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্ট আইজীবি এফএম এ রাজ্জাক। পৌরবাসীর নাগরিক স্বার্থে অবগতি পত্র প্রেরণের পর গতকাল শনিবার উক্ত বিষয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

অবগতি পত্রে তিনি জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা ২০০৮ এবং মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন নং ৫৭/১০ মোতাবেক সুন্দরবন উপকূলীয় কৃষি জমি ও বসতী এলাকায় নোনা পানি তুলে চিংড়ি চাষ করে আর্থসামাজিক ও পরিবেশের ক্ষতি থেকে বিরত থাকার আদেশ রয়েছে। তাছাড়া পাইকগাছা উপজেলা পরিষদে পৌর এলাকার মধ্যে নোনা পানি তুলে চিংড়ি চাষ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে। পাইকগাছা পৌরসভা প্রথম শ্রেনির পৌরসভা। সেখানে থাকবে অকৃষি জমি। তবে কৃষি জমির বিষয়টি গোপন রেখে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা করা হয়েছে।

আর এই সুযোগে সরকারি আইন ও নিয়ম অমান্য করে কতিপয় অসাধু মৎস্য লীজ ঘের ব্যবসায়ী শিববাটি ও বয়রার ওয়াপদা গেট দিয়ে এবং পৌর এলাকার ওয়াপদা বাধের বিভিন্ন স্হানের বাধ কেটে পাইপ বা বাক্স কল বসিয়ে অবৈধ ও বে-আইনীভাবে নোনা পানি তুলে মৎস্য লীজ ঘের করছেন।এতে জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে। নোনার কারনে পৌর এলাকার সরকারি ভবন ও পৌর এলাকার মানুষের ঘরবাড়ী নষ্ট হচ্ছে। প্রাণীসম্পদ, গাছপালা ও উদ্ভিদ এর মারাত্মক ক্ষতিসাধন হচ্ছে । মিষ্টি পানির সংকট প্রকট হচ্ছে । নোনা পানির কারনে মানুষ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে পৌরসভার অবকাঠামো গুলো ধংস হয়ে কৃষি জমির মাটি ও পানীয় পানী দূষিত হয়ে মানুষ সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে।অন্যদিকে সরকারের কোটি কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে। তাই পৌরসভার স্হায়ী বাসিন্দা, হিসেবে তিনি পৌর প্রশাসক ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও পাইকাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কে গত ২৬ফেব্রুয়ারি’২৬ অবগতি পত্র পাঠিয়েছেন।

উক্ত অবগতি পত্র তিনি পাইকগাছা পৌর এলাকার মধ্যে নোনাপানি উত্তোলন বন্ধ সহ নোনাপানি উত্তোলন করীদের বিরুদ্ধে নোটিশ প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। অন্যথায় তিনি পৌরবাসির স্বার্থে যথাযথ আইন ও আদালতের আশ্রয় নেবেন বলে উল্লেখ করেন। অবগতি পত্রের অনুলিপি কৃষি সম্পদ মন্ত্রনালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়,বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা প্রশাসক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাবর প্রেরন করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

পাইকগাছা পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধে এ্যাড.এফএমএ রাজ্জাক’র সংবাদ সম্মেলন।  

Update Time : ০৯:৪৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।। গতকাল সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে এক লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এডঃ এফ এম এ রাজ্জাক বলেন।খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় নোনা পানি উত্তোলন বন্ধ ও নাগরিক অধিকার রক্ষা সহ নোনা পানি উত্তোলনকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে রেস্ট্রি ডাকযোগে এক অবগতি পত্র দিয়েছেন। অবগতি পত্রে তিনি সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে অবগতি পত্র প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে পৌর এলাকার মধ্যে নোনাপানি উত্তোলন বন্ধ সহ নোনাপানি উত্তোলন করীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি’২৬ পাইকগাছা পৌরসভার স্হায়ী বাসিন্দা, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্ট আইজীবি এফএম এ রাজ্জাক। পৌরবাসীর নাগরিক স্বার্থে অবগতি পত্র প্রেরণের পর গতকাল শনিবার উক্ত বিষয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

অবগতি পত্রে তিনি জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা ২০০৮ এবং মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন নং ৫৭/১০ মোতাবেক সুন্দরবন উপকূলীয় কৃষি জমি ও বসতী এলাকায় নোনা পানি তুলে চিংড়ি চাষ করে আর্থসামাজিক ও পরিবেশের ক্ষতি থেকে বিরত থাকার আদেশ রয়েছে। তাছাড়া পাইকগাছা উপজেলা পরিষদে পৌর এলাকার মধ্যে নোনা পানি তুলে চিংড়ি চাষ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে। পাইকগাছা পৌরসভা প্রথম শ্রেনির পৌরসভা। সেখানে থাকবে অকৃষি জমি। তবে কৃষি জমির বিষয়টি গোপন রেখে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা করা হয়েছে।

আর এই সুযোগে সরকারি আইন ও নিয়ম অমান্য করে কতিপয় অসাধু মৎস্য লীজ ঘের ব্যবসায়ী শিববাটি ও বয়রার ওয়াপদা গেট দিয়ে এবং পৌর এলাকার ওয়াপদা বাধের বিভিন্ন স্হানের বাধ কেটে পাইপ বা বাক্স কল বসিয়ে অবৈধ ও বে-আইনীভাবে নোনা পানি তুলে মৎস্য লীজ ঘের করছেন।এতে জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে। নোনার কারনে পৌর এলাকার সরকারি ভবন ও পৌর এলাকার মানুষের ঘরবাড়ী নষ্ট হচ্ছে। প্রাণীসম্পদ, গাছপালা ও উদ্ভিদ এর মারাত্মক ক্ষতিসাধন হচ্ছে । মিষ্টি পানির সংকট প্রকট হচ্ছে । নোনা পানির কারনে মানুষ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে পৌরসভার অবকাঠামো গুলো ধংস হয়ে কৃষি জমির মাটি ও পানীয় পানী দূষিত হয়ে মানুষ সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে।অন্যদিকে সরকারের কোটি কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে। তাই পৌরসভার স্হায়ী বাসিন্দা, হিসেবে তিনি পৌর প্রশাসক ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও পাইকাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কে গত ২৬ফেব্রুয়ারি’২৬ অবগতি পত্র পাঠিয়েছেন।

উক্ত অবগতি পত্র তিনি পাইকগাছা পৌর এলাকার মধ্যে নোনাপানি উত্তোলন বন্ধ সহ নোনাপানি উত্তোলন করীদের বিরুদ্ধে নোটিশ প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। অন্যথায় তিনি পৌরবাসির স্বার্থে যথাযথ আইন ও আদালতের আশ্রয় নেবেন বলে উল্লেখ করেন। অবগতি পত্রের অনুলিপি কৃষি সম্পদ মন্ত্রনালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়,বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা প্রশাসক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাবর প্রেরন করা হয়েছে।