বাংলাদেশ ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন, বাঞ্ছারামপুরে জোনায়েদ সাকির

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৭৮ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলটিংয়ের উদ্বোধনী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও বাঞ্ছারামপুরের সংসদ সদস্য Zonayed Saki। তিনি বলেছেন, শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে এবং নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি সর্বজনীন কার্ড হিসেবে চালু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এর আওতায় আনা হবে। তবে সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথমে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যক্রমের কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করে পরে সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপকারভোগী নির্বাচন করা হচ্ছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, চার মাসের মধ্যে বাঞ্ছারামপুরে ৩৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে এবং এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হবে। আগামী বাজেট থেকে ধীরে ধীরে এই কার্ড সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার মানুষের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে অন্তত দুই কোটি পরিবারের প্রধানের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বক্তব্যে তিনি কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের জন্যও সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মসজিদের ইমাম, খাদেম ও মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুরোহিত এবং বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের যাজকদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানী দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং আসন্ন ঈদের আগেই এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা আসতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সরকারের একটি বৃহৎ সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ, যা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার সামাজিক সুরক্ষা খাতকে দ্রুত কার্যকর করতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন, বাঞ্ছারামপুরে জোনায়েদ সাকির

Update Time : ১০:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলটিংয়ের উদ্বোধনী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও বাঞ্ছারামপুরের সংসদ সদস্য Zonayed Saki। তিনি বলেছেন, শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে এবং নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি সর্বজনীন কার্ড হিসেবে চালু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এর আওতায় আনা হবে। তবে সীমাবদ্ধতার কারণে প্রথমে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যক্রমের কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করে পরে সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপকারভোগী নির্বাচন করা হচ্ছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, চার মাসের মধ্যে বাঞ্ছারামপুরে ৩৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে এবং এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হবে। আগামী বাজেট থেকে ধীরে ধীরে এই কার্ড সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার মানুষের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে অন্তত দুই কোটি পরিবারের প্রধানের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বক্তব্যে তিনি কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের জন্যও সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মসজিদের ইমাম, খাদেম ও মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুরোহিত এবং বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের যাজকদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানী দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং আসন্ন ঈদের আগেই এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা আসতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সরকারের একটি বৃহৎ সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ, যা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার সামাজিক সুরক্ষা খাতকে দ্রুত কার্যকর করতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।