
ইমরান সরকার:-গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিএনপি কর্তৃক জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় পৌর শহরের চারমাথায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নুরন্নবী প্রধান, উপজেলা জমায়াতের আমীর আবুল হোসেন সরকার, সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সহকারী সেক্রেটারি সরকারি অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম রাজু, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, পৌর ছাত্র শিবিরের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. আব্দুর রহিম সরকার জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ৫টি ভোটকেন্দ্রে অবৈধভাবে সিল মেরে ভোট নেওয়াসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদান করে। এই অনিয়ম ও কারচুপির প্রতিবাদে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি সংবাদ সম্মেলন ও পরবর্তীতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করায় একমাস পর গত ৯ মার্চ বিএনপি তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করে। যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অসম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।
তিনি আরও জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ নির্বাচনের দিন গাইবান্ধা-৪ আসনের ৬৮নং বড়দহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে কোনো অনিয়ম, মারামারি, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কিংবা পেট্রোল বোমা, ককটেল বিস্ফোরণের মত কোনো ঘটেনি৷ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কোনো ঘটনার তথ্য নেই। সুতরাং বিএনপির মামলাটি শুধুমাত্র জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে এবং তাদের নির্বাচনী অনিয়মগুলো আড়াল করার জন্য করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যেভাবে ভুয়া ও মিথ্যা মামলা সাজানো হতো ঠিক একইভাবে এই মামলাটিও সাজানো হয়েছে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশ কর্তৃক জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের হয়রানি না করার ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উক্ত মামলায় অন্যায়ভাবে কোনো নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করলে তার পরিপেক্ষিতে কোনো আপত্তিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ সরকারকে নিতে হবে বলে জানান তিনি। তিনি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানান।
Reporter Name 


















