বাংলাদেশ ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকা থানায় অপরাধ দমনে নিরলস ওসি নাজমুল আলম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৩২ Time View

মোঃ সজীব ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার : চুরি, ছিনতাই, জুয়া, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধসহ একটি নিরাপদ উপজেলা গঠনের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম।

জলঢাকা থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন তিনি। এরপর থেকেই ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে থানা পুলিশ।

তবে পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে অপরাধীরা নানা কৌশলে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ একটি কুচক্রী মহল ওসির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারও চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

তারপরও নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সততার মাধ্যমে জলঢাকা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন ওসি নাজমুল আলম। সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি একজন দক্ষ ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছেন। বিশেষ করে তার নেতৃত্বে চোরাচালান ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে এসব অপরাধ।

ওসি নাজমুল আলমের নেতৃত্বে থানার পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করে চলেছেন। ফলে পূর্বের তুলনায় মামলার সংখ্যাও অনেকটাই কমে এসেছে। থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিয়মিত পুলিশ টহল থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর মতে, আগে জলঢাকা থানার বিভিন্ন অলিগলিতে অপরাধীদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমানে পুলিশের কঠোর তৎপরতার কারণে সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিল, সেসব স্থানেও অভিযান পরিচালনা করেছেন ওসি নাজমুল আলম নিজেই।

স্থানীয়রা বলেন, আগের তুলনায় জলঢাকা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই ভালো। পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধীদের চলাফেরা কমেছে। নিয়মিত এই তৎপরতা বজায় থাকলে অপরাধীরা আর সুযোগ পাবে না বলেও মনে করেন তারা।

ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা সহ নানা অপরাধ অনেকটাই কমে এসেছে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধও তার কঠোর নজরদারির কারণে এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসীর কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছেন তিনি। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপকর্ম করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে জলঢাকা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশ সবসময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জলঢাকা থানায় অপরাধ দমনে আমরা বদ্ধপরিকর। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, জুয়াড়ি ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। জনগণ তথ্য দিলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে পারবে। এতে একদিন আমাদের দেশ অপরাধমুক্ত সমাজে পরিণত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

জলঢাকা থানায় অপরাধ দমনে নিরলস ওসি নাজমুল আলম

Update Time : ০৭:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মোঃ সজীব ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার : চুরি, ছিনতাই, জুয়া, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধসহ একটি নিরাপদ উপজেলা গঠনের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম।

জলঢাকা থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন তিনি। এরপর থেকেই ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে থানা পুলিশ।

তবে পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে অপরাধীরা নানা কৌশলে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ একটি কুচক্রী মহল ওসির কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারও চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

তারপরও নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সততার মাধ্যমে জলঢাকা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন ওসি নাজমুল আলম। সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি একজন দক্ষ ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছেন। বিশেষ করে তার নেতৃত্বে চোরাচালান ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে এসব অপরাধ।

ওসি নাজমুল আলমের নেতৃত্বে থানার পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করে চলেছেন। ফলে পূর্বের তুলনায় মামলার সংখ্যাও অনেকটাই কমে এসেছে। থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিয়মিত পুলিশ টহল থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর মতে, আগে জলঢাকা থানার বিভিন্ন অলিগলিতে অপরাধীদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমানে পুলিশের কঠোর তৎপরতার কারণে সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। যেসব এলাকায় অপরাধীদের আড্ডা ছিল, সেসব স্থানেও অভিযান পরিচালনা করেছেন ওসি নাজমুল আলম নিজেই।

স্থানীয়রা বলেন, আগের তুলনায় জলঢাকা থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই ভালো। পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধীদের চলাফেরা কমেছে। নিয়মিত এই তৎপরতা বজায় থাকলে অপরাধীরা আর সুযোগ পাবে না বলেও মনে করেন তারা।

ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা সহ নানা অপরাধ অনেকটাই কমে এসেছে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধও তার কঠোর নজরদারির কারণে এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসীর কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছেন তিনি। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপকর্ম করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে জলঢাকা থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশ সবসময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জলঢাকা থানায় অপরাধ দমনে আমরা বদ্ধপরিকর। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, জুয়াড়ি ও সন্ত্রাসীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। জনগণ তথ্য দিলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে পারবে। এতে একদিন আমাদের দেশ অপরাধমুক্ত সমাজে পরিণত হবে।