
ভাঙ্গা(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় জ্বালানী তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন সুগন্ধা ফিলিং স্টেশনে তেল থাকার পরেওনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
বুধবার(২৫ মার্চ) ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকরা জানান, আতাদী সুগন্ধা পাম্পে পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের বলা হচ্ছে, “তেল আছে, তবে সরবরাহ করতে কর্মচারী অসুস্থ হয়ে পড়েছে” অথবা “তেল শেষ।” এর ফলে অনেককে অন্য পাম্পে যেতে হচ্ছে। এতেচরম বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকেরা।
তবে বেশিরভাগ পাম্পে তেল পাওয়া না গেলেও খোলা বাজারে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এক স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক বলেন, “আমি ঢাকা গার্মেন্টসে চাকরি করি। টেকেরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে ভাঙ্গায় তেল শেষ হয়ে সুগন্ধা পাম্পে পাইনি। পরে মেসার্স কণা পাম্পে গিয়ে ৫০০ টাকা তেল নিয়ে ঢাকা রওনা হই।”
খোলা বাজারে তেল বেশি দামে বিক্রি করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু পাম্পে বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গোপনে প্রতি লিটার পেট্রোল তেল ২০০–২৫০ টাকায় পেট্রোল তেল বিক্রি হচ্ছে।
প্রশাসনে এবিষয়টি জানানো পর পরে সুগন্ধা পাম্পে বিক্রি বন্ধ থাকার পর অসুস্থ কর্মচারী সুস্থ হয়ে সকালেই তিন ঘন্টার মধ্যে বিক্রি পুনরায় শুরু করেন ।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, “পাম্পগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে এবং কেউ অবৈধ তেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
Reporter Name 


















