বাংলাদেশ ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় নজরুল-বাচন-কাশেম-জামাল-লাকসামী ফারুকের বেসামাল জুয়ার রাজ্যে নীরব পুলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৮১ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার থানার একাধিক এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার বোর্ড ও মাদক ব্যবসা। দিনের পর দিন এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও পুলিশের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। বরং স্থানীয়দের অভিযোগ—জুয়ার সিন্ডিকেটের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশের দৃশ্যমান সখ্যই এই অপরাধ সাম্রাজ্যকে টিকিয়ে রেখেছে।

 

টামিনাল, হুমায়ুন চত্ত্বর, ক্বীন ব্রিজের নীচ, সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেট, পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন, নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে এলাকাগুলো এখন কার্যত শিলং তীর জান্ডিমুন্ডু জুয়ার ‘ওপেন জোনে’ পরিণত হয়েছে। এতসব জায়গায় প্রকাশ্যে জুয়া চললেও কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের আইসি বখরার রাজত্বে বন্দী? এছাড়াও তিন তাসের লাগামহীন প্রতারনাতো আরো বেপরোয়া।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টামিনাল এলাকার কদমতলী ফাঁড়ির ১০০ গজের মধ্যে বিআরটিসি কাউন্টারের পিছনে জুয়ারী নজরুলের দুই ভাই জুয়ার সাম্রাজ্য চালায়। এখানে প্রতিদিন ৫ লক্ষ টাকার শীলং তীর ও জান্ডুমুন্ড জুয়ার আসর দেদারসে চলছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে নেই পুলিশের নজরদারী।

 

বালুরমাট এলাকায় বাচনের জুয়ার রাজ্যে চলে হরেকরকম অবৈধ ব্যবসা,পাশা-পাশি শীলংতীর, জান্ডুমুন্ডর রমরমা বাণিজ্য। এখানেও দৈনিক ৩ লক্ষ টাকার জুয়া ও মাদকের প্রতারনা চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভার্তখলা মসজিদ বাজারসংলগ্ন শরীফ মিয়ার কলোনি এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ইয়াবা এবং তীর শিলংতীর জুয়া পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ গাঁজা ব্যবসায়ী রহিমার বনি জামাই হাবিব খাল জামাল আজাদ

দক্ষিণ সুরমার ক্বীন ব্রিজের নীচে সুরমা নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে জুয়ারী জামালের নেতৃত্বে বেপরোয়া জুয়ার আসর। প্রতিদিন এখানে শিলং তীর ও জান্ডিমুন্ডু নামের জুয়ার মাধ্যমে হাতবদল হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই জুয়ার বোর্ড পুলিশ দেখেও দেখে না। কারণ উপরের লাইন ঠিক আছে।” তাঁদের ভাষায়, কদমতলী পুলিশ ফাঁড়ির আইসির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদেই জামাল নির্বিঘ্নে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেটে জুয়ার মূকুটহীন সম্রাট আবুল কাশেমের জুয়ার রাজ্যে সুরমামহল আস্তানা। এখানে জুয়ার প্রতারনার পাশা-পাশি, মদ, ইয়াবা ও দেহব্যবসাও জমজাট। এখানে প্রতিদিন ৫/৭ লক্ষ টাকার জুয়ার প্রতারনা চলে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় নজরুল-বাচন-কাশেম-জামাল-লাকসামী ফারুকের বেসামাল জুয়ার রাজ্যে নীরব পুলিশ

Update Time : ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার থানার একাধিক এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার বোর্ড ও মাদক ব্যবসা। দিনের পর দিন এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও পুলিশের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। বরং স্থানীয়দের অভিযোগ—জুয়ার সিন্ডিকেটের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশের দৃশ্যমান সখ্যই এই অপরাধ সাম্রাজ্যকে টিকিয়ে রেখেছে।

 

টামিনাল, হুমায়ুন চত্ত্বর, ক্বীন ব্রিজের নীচ, সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেট, পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন, নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে এলাকাগুলো এখন কার্যত শিলং তীর জান্ডিমুন্ডু জুয়ার ‘ওপেন জোনে’ পরিণত হয়েছে। এতসব জায়গায় প্রকাশ্যে জুয়া চললেও কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের আইসি বখরার রাজত্বে বন্দী? এছাড়াও তিন তাসের লাগামহীন প্রতারনাতো আরো বেপরোয়া।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টামিনাল এলাকার কদমতলী ফাঁড়ির ১০০ গজের মধ্যে বিআরটিসি কাউন্টারের পিছনে জুয়ারী নজরুলের দুই ভাই জুয়ার সাম্রাজ্য চালায়। এখানে প্রতিদিন ৫ লক্ষ টাকার শীলং তীর ও জান্ডুমুন্ড জুয়ার আসর দেদারসে চলছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে নেই পুলিশের নজরদারী।

 

বালুরমাট এলাকায় বাচনের জুয়ার রাজ্যে চলে হরেকরকম অবৈধ ব্যবসা,পাশা-পাশি শীলংতীর, জান্ডুমুন্ডর রমরমা বাণিজ্য। এখানেও দৈনিক ৩ লক্ষ টাকার জুয়া ও মাদকের প্রতারনা চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভার্তখলা মসজিদ বাজারসংলগ্ন শরীফ মিয়ার কলোনি এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ইয়াবা এবং তীর শিলংতীর জুয়া পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ গাঁজা ব্যবসায়ী রহিমার বনি জামাই হাবিব খাল জামাল আজাদ

দক্ষিণ সুরমার ক্বীন ব্রিজের নীচে সুরমা নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে জুয়ারী জামালের নেতৃত্বে বেপরোয়া জুয়ার আসর। প্রতিদিন এখানে শিলং তীর ও জান্ডিমুন্ডু নামের জুয়ার মাধ্যমে হাতবদল হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই জুয়ার বোর্ড পুলিশ দেখেও দেখে না। কারণ উপরের লাইন ঠিক আছে।” তাঁদের ভাষায়, কদমতলী পুলিশ ফাঁড়ির আইসির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদেই জামাল নির্বিঘ্নে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

সাধুর বাজার বাশপালা মার্কেটে জুয়ার মূকুটহীন সম্রাট আবুল কাশেমের জুয়ার রাজ্যে সুরমামহল আস্তানা। এখানে জুয়ার প্রতারনার পাশা-পাশি, মদ, ইয়াবা ও দেহব্যবসাও জমজাট। এখানে প্রতিদিন ৫/৭ লক্ষ টাকার জুয়ার প্রতারনা চলে।