বাংলাদেশ ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেট সিটিকর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স থেকে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা সিসিক বঞ্চিত ২০ বছর পূর্বের হোল্ডিং ট্যাক্স মূল্য নির্ধারণে এখনো চলছে সিসিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৯০ Time View

বিকাল বার্তা প্রতিবেদনঃ দীর্ঘদিন থেকে নগরীতে হোল্ডিং ট্যাক্স এর এসেসমেন্ট না হওয়ার কারণে সিলেট সিটিকর্পোরেশন প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা গেছে, ২০০৬/০৭ সালে বিল্ডিং এর উপর হোল্ডিং এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রায় ২০ বছর পূর্বের মূল্য এখনও সেই বিদ্যমান। আজ সেই কাঙ্ক্ষিত হোল্ডিং কর পাচ্ছে না সিটি কর্তৃপক্ষ। ২০০৬/০৭ সালের এসেসমেন্ট ও তৎপরবর্তী অন্তবর্তী এসেসমেন্ট অনুযায়ী বর্তমানে ৬১৮৫০ হোল্ডিং করের আওতায় আছে। ২০১৯/২০ ও ২০২২/২৩ সালের এসেসমেন্ট তথ্য অনুযায়ী

 

মোট ৪২টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং সংখ্যা ১০৬৩৯৩টি। ২০০৬/০৭ ও ২০১৯/২০ কার্যক্রমের বাহিরে রয়েছে। কিন্তু সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরিকালে দেখা গেছে এর তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে, প্রায় ৪৪৫৪৩টি হোল্ডিং এসেসমেন্ট ৪৪৫৪৩ এর পরিবর্তে প্রায় ১ লক্ষ হোল্ডিং এসেসমেন্ট কার্যক্রমের বাহিরে রয়েছে। এদিকে ২০১৯/২০ সালের সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সার্ভে অনুযায়ী আবাসিক হোল্ডিং সংখ্যা ৩৬২০৩টি, বাণিজ্যিক হোল্ডিং সংখ্যা ৩৫৭৮৫টি এবং সরকারি ও অন্যান্য হোল্ডিং সংখ্যা ৩৪৪২টি। বর্তমানে হোল্ডিং ট্যাক এর প্রায় ২১ শতাংশ বিল পরিশোধ করছে সিলেট নগরবাসী। এদিকে সিটি কর্পোরেশনের জরিপ অনুযায়ী নগরীতে অনুমোদন ছাড়া বিল্ডিংনির্মাণ করা হয়েছে মাত্র ৯টি এবং এই নয়টির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও দীর্ঘ ৬ মাসেও তাদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিন্তু বাস্তবে সিলেট নগরীতে বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার বিল্ডিং অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে সময় উপযোগী নগরী পাড়া মহল্লার অনেক রাস্তা ছোট থাকায় অনেকে বিল্ডিং নির্মাণ করতে পারছেন না। তবে ছোট রাস্তায় বিল্ডিং অনুমোদন নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তাকে দিতে হয় ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে তারা অনুমোদন দেন ২তলা বিল্ডিং এর জন্য। কিন্তু বিল্ডিং মালিক নির্মাণ করেন ৫ তলা। বিল্ডিং বিভাগের এক কর্তা ও সাবেক কাউন্সিলর জানান, স্থানীয় কিছু ভূমি মালিকের কারণে রাস্তা সম্প্রসারণ করা হচ্ছেনা। স্থানীয়রা জানান, টাকা ছাড়া আমরা জায়গা ছাড়বো না। এমতাবস্থায় সিটিকর্পোরেশনে কর্তব্যরত ব্যক্তিরা রহস্যজনক ভূমিকা রাখছেন বলে বিল্ডিং নির্মাতারা জানান। তবে এব্যাপারে সিটিকর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পর্যায়ক্রমে সব সমস্যা সমাধান করা হবে। আমরা এব্যাপারে সুদৃষ্টি রাখছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সিলেট সিটিকর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স থেকে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা সিসিক বঞ্চিত ২০ বছর পূর্বের হোল্ডিং ট্যাক্স মূল্য নির্ধারণে এখনো চলছে সিসিক

Update Time : ০৪:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বিকাল বার্তা প্রতিবেদনঃ দীর্ঘদিন থেকে নগরীতে হোল্ডিং ট্যাক্স এর এসেসমেন্ট না হওয়ার কারণে সিলেট সিটিকর্পোরেশন প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা গেছে, ২০০৬/০৭ সালে বিল্ডিং এর উপর হোল্ডিং এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রায় ২০ বছর পূর্বের মূল্য এখনও সেই বিদ্যমান। আজ সেই কাঙ্ক্ষিত হোল্ডিং কর পাচ্ছে না সিটি কর্তৃপক্ষ। ২০০৬/০৭ সালের এসেসমেন্ট ও তৎপরবর্তী অন্তবর্তী এসেসমেন্ট অনুযায়ী বর্তমানে ৬১৮৫০ হোল্ডিং করের আওতায় আছে। ২০১৯/২০ ও ২০২২/২৩ সালের এসেসমেন্ট তথ্য অনুযায়ী

 

মোট ৪২টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং সংখ্যা ১০৬৩৯৩টি। ২০০৬/০৭ ও ২০১৯/২০ কার্যক্রমের বাহিরে রয়েছে। কিন্তু সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরিকালে দেখা গেছে এর তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে, প্রায় ৪৪৫৪৩টি হোল্ডিং এসেসমেন্ট ৪৪৫৪৩ এর পরিবর্তে প্রায় ১ লক্ষ হোল্ডিং এসেসমেন্ট কার্যক্রমের বাহিরে রয়েছে। এদিকে ২০১৯/২০ সালের সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সার্ভে অনুযায়ী আবাসিক হোল্ডিং সংখ্যা ৩৬২০৩টি, বাণিজ্যিক হোল্ডিং সংখ্যা ৩৫৭৮৫টি এবং সরকারি ও অন্যান্য হোল্ডিং সংখ্যা ৩৪৪২টি। বর্তমানে হোল্ডিং ট্যাক এর প্রায় ২১ শতাংশ বিল পরিশোধ করছে সিলেট নগরবাসী। এদিকে সিটি কর্পোরেশনের জরিপ অনুযায়ী নগরীতে অনুমোদন ছাড়া বিল্ডিংনির্মাণ করা হয়েছে মাত্র ৯টি এবং এই নয়টির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও দীর্ঘ ৬ মাসেও তাদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিন্তু বাস্তবে সিলেট নগরীতে বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার বিল্ডিং অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে সময় উপযোগী নগরী পাড়া মহল্লার অনেক রাস্তা ছোট থাকায় অনেকে বিল্ডিং নির্মাণ করতে পারছেন না। তবে ছোট রাস্তায় বিল্ডিং অনুমোদন নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তাকে দিতে হয় ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে তারা অনুমোদন দেন ২তলা বিল্ডিং এর জন্য। কিন্তু বিল্ডিং মালিক নির্মাণ করেন ৫ তলা। বিল্ডিং বিভাগের এক কর্তা ও সাবেক কাউন্সিলর জানান, স্থানীয় কিছু ভূমি মালিকের কারণে রাস্তা সম্প্রসারণ করা হচ্ছেনা। স্থানীয়রা জানান, টাকা ছাড়া আমরা জায়গা ছাড়বো না। এমতাবস্থায় সিটিকর্পোরেশনে কর্তব্যরত ব্যক্তিরা রহস্যজনক ভূমিকা রাখছেন বলে বিল্ডিং নির্মাতারা জানান। তবে এব্যাপারে সিটিকর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পর্যায়ক্রমে সব সমস্যা সমাধান করা হবে। আমরা এব্যাপারে সুদৃষ্টি রাখছি।