
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ জসিম হোসেন কালিগঞ্জ ঝিনাইদহ।ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জ্বালানি তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে ট্যাগ অফিসারের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (সকাল সাড়ে ১০টা) শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে সাধারণ মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, আয়েশা তেল পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি তদারকির জন্য দুইজন ট্যাগ অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। তারা হলেন উপসহকারী পাট কর্মকর্তা ফারুক হোসেন এবং ৩নং কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সোহাগ আলী। সকাল ৭টা থেকে তেল বিক্রি শুরু হলেও অভিযোগ রয়েছে, ট্যাগ অফিসার সোহাগ আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছান সকাল সাড়ে ৯টার দিকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দায়িত্বে এসে তিনি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করেন। অথচ সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ৫০০ টাকার বেশি তেল না দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও তার পরিচিত ও স্বজনদের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি। এমনকি বোতলে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তেল নিতে আসা ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, “ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আমরা ৫০০ টাকার বেশি তেল পাইনি। কিন্তু ট্যাগ অফিসারের নিজের গাড়ি ফুল ট্যাংক করা হয়েছে, আর তার পরিচিতদের দেওয়া হয়েছে ইচ্ছেমতো তেল। এটা স্পষ্ট বৈষম্য।”
এ ঘটনায় পাম্পে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে ট্যাগ অফিসার সোহাগ আলী বলেন, “আমি নিয়ম অনুযায়ী সবাইকে ৫০০ টাকার তেল দিতে বলেছি। কাউকে বেশি দেওয়ার নির্দেশ দেইনি। আমার নিজের গাড়িতেও তেল প্রয়োজন ছিল, তাই গ্রাম পুলিশ দিয়ে তেল নিয়েছি।”
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “কে কত টাকার তেল নেবে, তা পাম্প মালিক নির্ধারণ করবেন। ট্যাগ অফিসারের কাজ হচ্ছে শৃঙ্খলা ও নিয়ম নিশ্চিত করা। গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নেওয়ার অধিকার রাখেন।”
ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন
Reporter Name 


















